Saturday, December 5, 2020

18>|| কিছু টোটকা---( 1 to--8+ 1 to 12 )

 18>|| কিছু টোটকা---( 1 to--8)


1>বেকিং সোডা-

2>-বেকিং পাউডার---::

3>হলুদ দুধ------

4>হাতের আঙুলে রোগমুক্তি।

5>মাছের কাঁটা গলায় ফুটলে---------

6>সুস্থ শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা---

7>|| লেবু কতটা ভালো ||

||---------------( 1 to 12 )
1>---স্ট্রোক---||
2> .||-গরম জল করুন পান--||--26/07/2017::-
3> .||----"অটোফেজি"-----||=--05/07/2017:::--
4> .||-মাত্র 24 টি কথা-||-22/07/2017::-
5> .||-লছিল এক সমীক্ষা---|03/01/2017:::-

6>||প্রতিদিন বিশুদ্ধ জল ও পেঁপে, ||
7>যেনেনিন রসুন ও পেয়ারা পাতার গুন::::-----
8>আপনি কি হার্ট এটাকের ভয়ে ভীত?
9>केया आप डरते हैं, हार्ट एटक की दरसे।
10> पपीते के बीज हैं उत्तम औषधी
11>||জাদুই পানি:::জিরা ভেজানো জ‌ল||
12>||--সাড়ে তিন ( 3.5 ) মিনিট সময় -||

===================

1>বেকিং সোডা-++-বেকিং পাউডার---::

বেকিং সোডা আর বেকিং পাউডার প্রায় এক। বেক জাতীয় খাবারে বেকিং সোডা আর বেকিং পাউডার দুইই প্রয়োজন। খাবারকে নরম রাখতে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। খাবারকে ফোলানোর জন্য বেকিং সোডা কিন্তু অন্যতম উপাদান।

বেকিং সোডা হল পিওর সোডিয়াম বাই-কার্বনেট। চকোলেট, দই, বাটারমিল্ক-এর সঙ্গে বেকিং পাউডার মেশানো হয়ে থাকে। এই মিশ্রণের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। উৎপন্ন হয় কার্বন ডাই অক্সাইড, যা খাবারকে ফুলতে সাহায্য করে।

তেমন বেকিং পাউডারেও সোডিয়াম বাই-কার্বনেট আছে। কিন্তু সেইসঙ্গে এতে আছে একধরনের স্টার্চ। মূলত লুচি বা কেক বা কুকিজ জাতীয় খাবার বানাতে বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডার মিশ্রিত করা হয়। ফলে খাবার নরমও হয়, সাথে ফোলা ব্যাপারটাও থাকে।

মনে রাখার বিষয় হল, বেকিং সোডার পরিবর্তে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু বেকিং পাউডার এর পরিবর্তে কখনই বেকিং সোডা নয়। খাবারকে নরম ও সুন্দর দেখানোর জন্য বেকিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। অন্যদিকে কুকিজ জাতীয় খাবারে বেকিং সোডা নির্দিষ্ট পরিমাণ দিতেই পারেন। অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট মাত্রাতেই রান্নায় ব্যবহার করতে হয়। বেশি পরিমাণ ব্যবহার করলে খাবারের স্বাদ একদম বদলে যেতে পারে।

বেবকিং সোডার 11 টি স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য সম্পর্কিত উপকারিতা

অত্যন্ত কম দামে পাওয়া বেকিং সোডা যেভাবে অ্যান্টাসিড হিসাবে কাজ করে তার তুলনা অসামান্য। এছাড়াও এতে আছে অ্যান্টিসেপটিক গুন।

বেকিং সোডা শরীরে প্রশমন ক্রিয়ার জন্য দায়ী।

বেকিং সোডার অনেক অ্যান্টিসেপটিক গুন আছে

বেকিং সোডার এই ছোট খাটো ব্যবহার ছাড়াও এটি ভীষণভাবে প্রাকৃতিক দুর্গন্ধনাশক পদার্থ, হাত ও দাঁত পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

এছাড়া নিত্যদিন যদি একটু করে বেকিং সোডা ব্যবহার করা হয় তবে তা শরীরে রক্তের পরিমান ঠিক রাখতে, অ্যাসিড এর পরিমান হ্রাস করতে ভীষণভাবে উপকার করে থাকে। আমাদের শরীরের সামগ্রিক কার্যকলাপে এটি ভীষণ ভাবে উপকার করে। 

জলে মিশ্রিত বেকিং সোডা এর উপকার সারা পৃথিবীতে প্রাচীন কাল থেকে স্বীকৃত। এবার আলোচনা করা যাক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বেকিং সোডা কিভাবে সাহায্য করে থাকে।

স্বাস্থ সংক্রান্ত উপকার

1) বেকিং সোডা হলো প্রাকৃতিক অম্লনাশক

বেকিং সোডা শরীরে এক নিরপেক্ষ প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে। অ্যাসিড নিঃসরণ হলো শরীরের খুব সাধারণ একটি ঘটনা যার ফলে অম্বল এর সমস্যা প্রায়শই দেখা দিয়ে থাকে। বেকিং সোডা এর মধ্যে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট থাকার জন্য অম্বলের সমস্যা এবং পেটের অন্যান্য সমস্যা মেটাতে সাহায্য করে।

2) প্রাকৃতিক অ্যালকালাইসিং এজেন্ট হিসাবে পরিচিত

শরীর থেকে অম্ল এর পরিমান কমাতে এবং পি.এইচ এর ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে বেকিং সোডা। শরীরে অম্লের পরিমান বেশি হয়ে গেলে অস্টিওপরোসিস,আর্থারাইটিস এর মতো সমস্যা দেখা দেয়।

3) মূত্রনালির সংক্রমণ এর উপশম করতে সহায়তা করে

মূত্রনালির সংক্রমণ এর উপশম করার অন্যতম একটি ঘরোয়া পদ্ধতি হলো বেকিং সোডা ও জল এর মিশ্রণ।

4) অতিরিক্ত ব্যায়াম এর ফলে সৃষ্ট সমস্যা এর প্রতিষেধক নামেও পরিচিত

অতিরিক্ত ব্যায়াম এর ফলে শরীরে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমতে পারে, শরীরে পেশীগত কাঠিন্নতা দেখা দিলে এই সমস্যার প্রতিষেধক হিসাবে বেকিং সোডা ভয়ানক উপকারী। জল এর সাথে মিশ্রিত বেকিং সোডা এক্ষেত্রে অসাধারন উপকার করে।

5) কিডনি এর কার্যকলাপে সাহায্য করে

ক্ষারীয় পদার্থ হিসাবে বেকিং সোডা শরীরে অম্লের পরিমান কমাতে এবং পি.এইচ সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। 'মার্কিন সোসাইটি অফ নেফ্রোলজি'-র মতো একটি পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে এটি শরীরে কিডনির কার্যকলাপ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ঘটায়।

6) গেঁটে বাতের সমস্যা কমাতে বিশেষ উপকারী

ইউরিক অ্যাসিড এর পরিমান মূত্র এবং টিস্যুতে অতিরিক্ত পরিমানে বেড়ে গেলে সারা শরীরে মারাত্মক যন্ত্রনা দেখা দেয় যার ফলস্বরূপ গেঁটে বাত দেখা যায়। এটি ঠিক করতে বেকিং সোডা অসম্ভব উপকার করে।

সৌন্দর্য বাড়াতে বেকিং সোডার ভূমিকা:

1) ত্বকের উন্নতিতে সহায়তা করে: মৃত কোষ অপসারিত করে নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে বেকিং সোডা। এর ফল স্বরূপ ত্বকের পুরানো দ্যুতি ফিরে আসে। এর জন্য কেবল প্রয়োজন জলের সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে মুখে বৃত্তাকারের ঘষে লাগানোর। তবে এটি সপ্তাহে 2 দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।

2) ব্রণ প্রতিরোধক হিসাবে: ব্রণ এবং মুখে হওয়া ফুসকুড়ি কমাতে অসাধারণ উপকার করে বেকিং সোডা।

3) ঠোঁট এর কালোভাব কমাতে সাহায্য করে: মধু এবং বেকিং সোডা মিশিয়ে প্রতিদিন 3 মিনিট করে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখলে ঠোঁট এর কালোভাব দূর হয়। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলা উচিত।

4) দাঁতের সাদা ভাব ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে: বেকিং সোডার মতো দাঁত পরিষ্কার অন্য কিছুতেই হয় না। দাঁতের ওপর থেকে দাগ ওঠানোর জন্য বেকিং সোডা এর ভূমিকা অসাধারণ।

5) চুলের সৌন্দর্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে: কোনো বিজ্ঞানসম্মত মতামত না থাকলেও চুলকে নরম করতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে বেকিং পাউডার।

===================

2>বেকিং পাউডার বনাম বেকিং সোডা, কি করে চিনবেন, কোনটা কোন কাজে লাগে

বেকিং সোডা আর বেকিং পাউডার প্রায় এক। 

বেক জাতীয় খাবারে বেকিং সোডা আর বেকিং পাউডার দুইই প্রয়োজন। 

খাবারকে নরম রাখতে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। 

খাবারকে ফোলানোর জন্য বেকিং সোডা কিন্তু অন্যতম উপাদান।

বেকিং সোডা হল পিওর সোডিয়াম বাই-কার্বনেট। 

চকোলেট, দই, বাটারমিল্ক-এর সঙ্গে বেকিং পাউডার মেশানো হয়ে থাকে। এই মিশ্রণের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। উৎপন্ন হয় কার্বন ডাই অক্সাইড, যা খাবারকে ফুলতে সাহায্য করে।

তেমন বেকিং পাউডারেও সোডিয়াম বাই-কার্বনেট আছে। কিন্তু সেইসঙ্গে এতে আছে একধরনের স্টার্চ। মূলত লুচি বা কেক বা কুকিজ জাতীয় খাবার বানাতে বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডার মিশ্রিত করা হয়। ফলে খাবার নরমও হয়, সাথে ফোলা ব্যাপারটাও থাকে।

সুতরাং বাজার থেকে দুইই কিনুন। তবে রান্নার কাজে ব্যবহারের আগে বাছাই করে নিন যে কোনটি কোন রান্নায় যাবে।

========================

       

বেকিং সোডা এবং বেকিং পাউডার উভয়ই খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যখন উভয়কে খাবারে মিশ্রিত করা হয় তখন প্রতিক্রিয়ার ফলে আটা বা মাইদা জাতীয় খাবার ফুলে ওঠে, যেমন কেক।

বেকিং সোডা সামান্য মোটা হয় অন্যদিকে বেকিং পাউডারটি খুব মসৃণ হয় যেমন ময়দা বা কর্নফ্লোর 

বেকিং পাউডারে সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, কর্ন স্টার্চ রয়েছে। 

যদি আমরা খাবারে বেকিং পাউডার ব্যবহার করি তবে আমাদের আলাদাভাবে লেবু, দই বা মাথার মতো কোনও এসিড যুক্ত করার দরকার নেই।

বেকিং সোডা কেবল দই, বাটার মিল্ক, লেবুর রস ইত্যাদির মতো টক জাতীয় জিনিসগুলির সংস্পর্শে এসে কাজ করে। অন্যদিকে বেকিং পাউডার আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে।

ভাটুরা, নান ইত্যাদি মিহি ময়দা দিয়ে তৈরি পদের জন্য ময়দা বেকিং সোডা এবং দই ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে বেকিং পাউডার কেক, মাফিন এবং বেকারি আইটেমগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে কেকের আরও স্পঞ্জ যোগ করতে এক চিমটি সোডাও ব্যবহার করেন অনেকে।

 বেকিং সোডা কেবল খাবারেই নয় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। যেমন ঘরের টাইলস বা কাপড় পরিষ্কার, রূপোর বাসন বা গহনা পরিষ্কার, করতে এই সোডা ব্যবহার করা হয়।

রূপো আরও চকচকে করে তুলতে এক গ্লাস জলে এক চা চামচ বেকিং সোডা রেখে সেই জলেত রূপোর গহনা এবং পাত্রে ঢুবিয়ে রেখে। একটি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন, তবে এটি পুরোপুরি চকচকে হয়ে যাবে।

=======================

Baking Powder vs Baking Soda

baking powder and baking soda are absolutely not the same.

Baking powder and baking soda are both leaveners, however they are chemically different.

What is Baking Soda?

 bicarbonate of soda or sodium bicarbonate.

Let’s start with baking soda because it’s the most confusing. First, baking soda is a BASE. Do you remember the science experiment we all did in school? 

Mixing baking soda with vinegar and watching an eruption of bubbles? Usually we did this in some sort of model volcano contraption. I know you know. When you mix baking soda (BASE) with vinegar (ACID) you get a chemical reaction (an eruption of bubbles!). A product of this reaction is carbon dioxide.

The same exact reaction happens in our cookies, cakes, breads, etc. When a recipe calls for baking soda (BASE), it usually calls for some type of ACID like buttermilk, brown sugar, yogurt, lemon juice, vinegar, cream of tartar, molasses, applesauce, natural cocoa powder (not dutch process), or honey. You need this ACID in the recipe to react with the baking soda, which in turn creates carbon dioxide and allows your baked good to rise.

Baking soda is strong. In fact, it is about 3-4x stronger than baking powder. More baking soda in a recipe doesn’t necessarily mean more lift. You want to use *just enough* to react with the amount of acid in the recipe. Too much baking soda and not enough acid means there will be leftover baking soda in the recipe. You do not want that; it creates a metallic, soapy taste in your baked goods. Ick.

Good rule of thumb: I usually use around 1/4 teaspoon of baking soda per 1 cup of flour in a recipe.

Baking soda CAN leaven a baked good when exposed to heat. However, unless it is neutralized with an acid, your finished baked good will likely have a metallic aftertaste– like I mention above. Get it? Got it? Good.

Now::----

What is Baking Powder?

Baking powder contains baking soda. It is a mixture of baking soda, cream of tartar (a dry acid), and sometimes cornstarch. These days, most baking powder sold is double acting. This means that the first leavening occurs when baking powder gets wet– like when you combine the dry and wet ingredients in the recipe. (This is why you cannot prepare some batters ahead of time to bake later– because the baking powder has already been activated.) The second leavening occurs when the baking powder is heated.

Double (first, second) acting.

Since baking powder already contains an acid to neutralize its baking soda, it is most often used when a recipe does not call for an additional acidic ingredient. Like my sugar cookies. However, this isn’t always the case. You can still use baking powder as the leavening agent in recipes calling for an acidic ingredient. Like my lemon blueberry cake.

 In my recipe development, I based my lemon cake recipe off of my vanilla cake recipe. I used buttermilk (acid) instead of regular milk for added moisture and a little tang and subbed a little brown sugar (acid) for granulated sugar– again, for added moisture. I was pleased with the rise and taste of the cake, so I did not experiment with using baking soda.

Good rule of thumb: I usually use around 1 teaspoon of baking powder per 1 cup of flour in a recipe.

Learn everything you need to know about the differences between baking powder and baking soda. Complete, easy-to-understand details!

Why do some recipes call for both?

Some recipes call for both baking powder and baking soda. These recipes contain some sort of acid (yogurt, brown sugar, etc), however the carbon dioxide created from the acid and baking soda is not enough to leaven the volume of batter in the recipe. That’s why baking powder is used as well– to add necessary lift.

Basically, the reason for both is because sometimes you need more leavening than you have acid available in the recipe. It’s all about balance.

Another reason to use both baking powder and baking soda is because they affect both browning and flavor. Fine Cooking breaks it down easily: let’s take my buttermilk pancake recipe. In my recipe, buttermilk is used partly for its tangy flavor. If we used only baking soda, it could neutralize all of the buttermilk’s acid. And we’d lose that tanginess! However, by including baking powder as well (which has its own acid), some of the buttermilk’s flavor is left behind, and there is still enough leavening for fluffy pancakes.

Simple and FUN Funfetti Buttermilk Pancakes on sallysbakingaddiction.com

How to Substitute

It’s tricky, which is why I never recommend it without background knowledge (and the expectancy that your baked good will not taste as intended).

If you have a recipe calling for baking soda, you might be able to substitute baking powder. However, you will need up to 4x as much baking powder to get the same amount of leavening. And, depending on the recipe, you might end up with a baked good that’s a little bitter with that much baking powder. You can sub baking soda for baking powder only if you increase the amount of acid in the recipe– which likely changes the taste and texture of your baked good. You’d also need less baking soda since it is about 3-4x stronger.

Don’t Forget– They Expire!

It is better to replace baking powder and soda every 3 months, just to be sure they are always fresh .

 I always date them on the bottom of the container. 

How To Test Baking Powder

To test baking powder, pour 3 Tablespoons of warm water into a small bowl. Add 1/2 teaspoon of baking powder. Give it a light stir. The mixture should moderately fizz (হিসহিস্‌ বা ফোস ফোস শব্দ করা) if the powder is fresh. If there is no reaction, toss the baking powder and buy a fresh package.

How To Test Baking Soda

To test baking soda, pour 3 Tablespoons of white distilled vinegar into a small bowl. Add 1/2 teaspoon of baking soda. Give it a light stir. The mixture should rapidly bubble if the soda is fresh. If there is no reaction, toss the baking soda and buy a fresh package.

==========================

(হিসহিস্‌ বা ফোস ফোস শব্দ করা)

======================

3>হলুদ দুধ------


কিভাবে বানাবেন গোল্ডেন মিল্ক বা হলদে দুধ

যে গোল্ডেন মিল্ক বা হলদে দুধের এত গুন সেটি কিভাবে তৈরি করতে হবে চলুন তা জেনে নেই। বিভিন্ন ভাবেই হলদে দুধ বানায়। দুধের সাথে সামান্য হলুদ আর গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে ফুটিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যায় গোল্ডেন মিল্ক। এখানে মূল রেসিপি তুলে ধরছি।

প্রথম ধাপ

হলুদের প্রাকৃতিক পেস্ট তৈরি

ভালো মানের হলুদের গুঁড়ো- ১/৪ কাপ

গোলমরিচ গুঁড়ো- আধা চা চামচ

বিশুদ্ধ পানি- আধা কাপ

একটি পাত্রে সব উপকরন একসাথে মিশিয়ে মধ্যম আঁচে চুলায় দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে যতক্ষণ না একটি ঘন পেস্ট তৈরি হয়। ৭ মিনিটের মত রাখতে হবে। যদি এর মাঝে খুব বেশি শুকিয়ে যায় তাহলে সামান্য একটু যোগ করুন। তারপর সেটি চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে একটি এয়ার টাইট পাত্রে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এই পেস্টটি ২ সপ্তাহের মত রাখা যাবে। বিভিন্ন ধরনের ব্যাথার জন্য আধা চা চামচ প্রতিদিন এই পেস্টটি খেলে উপকার পাবেন। আর খুব বেশি ব্যাথা যাদের থাকে তারা প্রতিদিন ২ বার করে আধা থেকে ১ চামচ করে এই পেস্ট খেলে ৩/৪ দিনের মাঝেই বেশ ভালো একটি ফলাফল পাবেন।

দ্বিতীয় ধাপ

গোল্ডেন মিল্ক বা হলদে দুধ তৈরি

কাঠ বাদামের দুধ- ১ কাপ (এর পরিবর্তে নারকেলের দুধ, সয়ামিল্ক,গরুর দুধ বা যেকোনো দুধ দিতে পারেন)

রান্নার নারকেল তেল- ১ চা চামচ (এর পরিবর্তে কাঠ বাদামের বা তিলের তেল ব্যবহার করতে পারেন)

তৈরি করা হলুদের পেস্ট- ১/৪ চা চামচ বা একটু বেশি

মধু- স্বাদ অনুযায়ী

মধু ছাড়া সব উপকরন একসাথে মিশিয়ে একটি পাত্রে নিয়ে মধ্যম আঁচে চুলায় দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে এবং ভালো ভাবে গরম হলে নামিয়ে কিছুটা ঠাণ্ডা হতে দিন। কুসুম গরম অবস্থায় মধু মিশিয়ে পান করুন।


গোল্ডেন মিল্ক পানের নিয়ম

গোল্ডেন মিল্ক খেতে হবে খালি পেটে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে খাওয়ার সময়। এভাবে নিয়মিত ৪০ দিন করে বছরে দুইবার খেলে শরীর থাকবে রোগমুক্ত এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হবে।

এছাড়া মাস্ক হিসেবে বা মুখ ধোয়ার জন্য

১/৪ কাপ ফুল ক্রিম দুধ নিয়ে তাতে আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। তারপর একটি পরিষ্কার কাপড় নিয়ে মিশ্রণে ডুবিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।


সতর্কতা

হলুদের মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্যের জন্য যাদের গলব্লাডারের সমস্যা রয়েছে তারা খাবেন না এবং ডায়াবেটিস এর রোগীরা হলুদ খেতে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে খাবেন কারন হলুদ ঔষধের সাথে মিশে অনেক সময় হাইপো গ্লাইসেমিয়া হতে পারে। 

এছাড়া অনেকের হলুদের অ্যালার্জি থাকতে পারে, তাই যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে তারা খাবেন না। ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই নন ফ্যাট মিল্ক ব্যবহার করতে হবে। 

========================

4>হাতের আঙুলে রোগমুক্তি।


শরীর বিজ্ঞানে হাতের ও পায়ের আঙ্গুল

বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

আজ হাতের আঙুলে কি করে নানান রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সেকথাই বলতে চাই।

আমাদের প্রতিটি আঙুল স্নায়ুর সঙ্গে যুক্ত থাকায়, নিয়মিত  আঙুল ম্যাসাজ পরোক্ষভাবে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। নিয়মিত আঙুল ম্যাসাজে মাথাব্যথা, 

স্নায়বিক চাপ, ঝিমুনি, দুর্বলতা এবং অন্য অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানের সহায়ক হয়।

 তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দৈনিক পাঁচ মিনিট করে আঙুল ম্যাসাজ করার পরামর্শ দিয়েথাকেন অনেক জ্ঞানী জন।


কোন আঙুল ম্যাসাজে কোন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে সেই ব্যাপারেই আজ বলছি।

তা হলে জেনে নিন....

________________

------বৃদ্ধাঙ্গুলি------

বুড়ো আঙুলে ----চাপ দিলে সারতে পারে হৃদরোগ।

বুড়ো আঙুলের সঙ্গে যোগ রয়েছে ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের। বুড়ো আঙুলে ম্যাসাজ ও বুড়ো আঙুল ধরে মৃদু টান হৃদস্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাসের বেগ হ্রাস করে। যাঁরা উদ্বেগে ভোগেন তাঁরা বুড়ো আঙুল ম্যাসাজের মাধ্যমে উপকার পাবেন।

বৃদ্ধাঙ্গুলের সঙ্গে প্লীহা ও পাকস্থলীর যোগসূত্র রয়েছে। এই আঙুল ম্যাসাজে উদ্বেগ এবং চাপ কমে যায়। 

কোন কারনে আপনার মেজাজ যদি খুব খারাপ হয় এবং আপনি যদি অনেক ক্লান্ত বোধ করেন তাহলে বৃদ্ধাঙ্গুলী ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এর ফল সঙ্গে সঙ্গেই টের পাবেন।


______________===========

**তর্জনী------;

তর্জনীর সঙ্গে যোগ রয়েছে অন্ত্র বা মলাশয়ের। যারা পেটের গোলমাল ও কোষ্ঠকাঠিন্যে কষ্ট পাচ্ছেন তাঁরা তর্জনী ম্যাসাজ করলে উপকার পাবেন।


মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ করে ভয়, দ্বন্দ্ব এবং অস্বস্থি- এই বিষয়গুলোর সঙ্গে হাতের তর্জনী জড়িত। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, তর্জনী কিডনির স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। কাজেই যদি আপনি মাংসপেশীতে ব্যথা অনুভব করেন তাহলে তর্জনী ম্যাসাজ করুন।


তর্জনী মাংসপেশী, কিডনি এবং ভয়

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ করে ভয়, দ্বন্দ্ব এবং অস্বস্তি- এই বিষয়গুলোর সঙ্গে হাতের তর্জনী জড়িত। 


____________==============

**মধ্যমা---------

মধ্যমা বা দ্বিতীয় আঙুল- যখনই ক্লান্তি বা ঘুম ঘুম ভাব কিম্বা বমি ভাবের কারণে অস্বস্তি বোধ করছেন তখনই মাঝের আঙুলটি ধরে আস্তে আস্তে সামনের দিকে টানতে থাকুন

মিনিট খানেকের মধ্যেই উপকার পাবেন।

মধ্যমা আঙুল ম্যাসাজ করলে রাগ ও ক্লান্তি দূর হয়। এই আঙুলের ম্যাসাজে নেতিবাচক আবেগ কমে যাওয়ার পাশাপাশি যকৃৎ হয়ে ওঠে আরও স্বাস্থ্যবান।

___________=============


**অনামিকা--------



 অনামিকা বা চতুর্থ আঙুল- এই আঙুলের সঙ্গে যোগ রয়েছে আমাদের মন ও মেজাজের। যাঁরা অবসাদে ভোগেন বা মনখারাপের কারণে কষ্ট পান তারা যদি মিনিট খানেক অনামিকায় ম্যাসাজ করেন তাহলে উপকার পাবেন। মনে শান্তি ফিরে আসবে।


অনামিকা আঙুল ম্যাসাজে বদহজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। 

এবং উদ্বিগ্ন হ্রাস করে।

একই সঙ্গে অস্থির চিত্তকে শান্ত রাখতে ভূমিকা রাখে অনামিকা। তবে এই আঙুল ম্যাসাজের সময় দীর্ঘশ্বাস নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

_______________==========

**কনিষ্ঠা--------


স্নায়ুর দুর্বলতা কাটায় ,

কড়ে আঙুলে মৃদু চাপ সারিয়ে দিতে পারে মাথার ব্যথা। 

 কড়ে আঙুল- এই আঙুলের সঙ্গে ঘাড় ও মাথার যোগ রয়েছে। এই আঙুলে মিনিট খানেক ম্যাসাজ আপনাকে ঘাড় ও মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে।

অনিশ্চয়তা এবং দুর্বলতা কাটিয়ে আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করে কনিষ্ঠা আঙুল। এই আঙুলের ম্যাসাজে একজন ব্যক্তির আত্মবিশ্বাসের উন্নতি ঘটে। এটি আমাদের শরীরে শিথিলতার ভাব এনে দিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


______________============

**হাতের তালু--------


হাতের তালু:- হাতের তালুতে ম্যাসাজ করলে ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে হাতের তালু হোক কিংবা আঙুল, ম্যাসাজের সময় অবশ্যই সঠিকভাবে শ্বাস নিন। তাহলে ভালো ফল পাবেন।


হাতের আঙুলগুলো মেলে ধরুন। অন্য হাতের আঙুলগুলো এই হাতের এক একটি আঙুলের ওপর মুঠো করে চেপে ধরুন। খুব জোরে চেপে ধরবেন না ,মৃদু চাপ দেবেন। মিনিট খানেক ম্যাসাজ করুন প্রতিটি আঙুলে দিনে যতবার খুশি এই ম্যাসাজ করতে পারেন।


===================


 5>মাছের কাঁটা গলায় ফুটলে---------


হোমিওপ্যাথি ওষুধ :  সাইলেশিয়া 

এই হোমিওপ্যাথি বড়ি গলায় ফুটে থাকা মাছের কাঁটা, বিশেষ করে কই মাছের খতরনাক কাটা গলিয়ে যন্ত্রণামুক্ত করতে পারে।

=====================



6>সুস্থ শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা---B+.

জেনে  রাখা বিশেষ দরকার----

যদিও  লেখাটি সম্পুর্ন সংগ্রহ করা---

আমি মনে করি সকলেরই এই টুকু জেনে  রাখা বিশেষ দরকার----

জেনে রাখুন----

সুস্থ মানুষের অক্সিজেনের মাত্রা 

৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকে।

চারিদিকে এত করোনাভাইরাসের সংক্রমিত রোগী ক্রমেই বেড়ে চলছে 

সেই কারণে বাড়িতে  বা হাসপাতালে, 

এ সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,  নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বা ঘনত্ব কমে যাচ্ছে কি না, সেই বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা। 

সুস্থ মানুষের অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকে।

রক্তে অক্সিজেনের ঘনত্ব আর হৃদ্‌স্পন্দনের গতি পরিমাপ করা যায় যে যন্ত্রের মাধ্যমে, 

তার নাম পালস অক্সিমিটার। 

এই যন্ত্র না থাকলেও একটা ছোট পরীক্ষার মাধ্যমে ফুসফুসের অবস্থা বুঝে নেওয়া যায়।

■ রোগীকে প্রথমে মুখ দিয়ে সজোরে বুকের ভেতরে থাকা বাতাস ছাড়তে হবে। তারপর ধীরে ধীরে গভীরভাবে নাক দিয়ে বাতাস টেনে শ্বাস ধরে রাখতে হবে। যদি ৭ সেকেন্ড এভাবে শ্বাস ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ শতাংশে নেমে এসেছে। আর যদি ৫ সেকেন্ড পর্যন্ত শ্বাস ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশ। 

■ করোনায় সংক্রমিত রোগীর জন্য দ্বিতীয় সপ্তাহটা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের এ সময় নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। কাশির পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। গভীর বা লম্বা শ্বাস নেওয়ার সময়ে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হতে পারে। এগুলো ফুসফুসে সংক্রমণজনিত প্রদাহের লক্ষণ।

■ অনেক সময় শুরুতে অক্সিজেনের ঘাটতি রোগী বুঝতে পারে না। দিব্যি সুস্থ–স্বাভাবিক মনে হয়। একে বলে ‘নীরব হাইপোক্সিয়া’।

■ রক্তে অক্সিজেন কমে গেলে শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায় (প্রতি মিনিটে ২৪-এর বেশি)। হৃদ্স্পন্দনের গতি (প্রতি মিনিটে ১০০-এর বেশি) বেড়ে যায়, বুকে ব্যথা হয় ও নিশ্বাসে সমস্যা হয়। ফলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে, স্নায়ুতন্ত্র, এমনকি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। এ সময় মাথা ঝিমঝিম করা, প্রচণ্ড দুর্বল লাগা, একটু পরিশ্রম বা হাঁটাহাটিতে সমস্যা হয়। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার লক্ষণ এগুলো। 

■ অক্সিজেনের মাত্রা খুব বেশি কমে গেলে রোগীর ঠোঁট ও ত্বক নীল হয়ে যায়। এ সময় রোগীকে উপুড় করে শুইয়ে দিয়ে

জোরে জোরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে বলতে হবে। এতে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। কারণ, এর ফলে ফুসফুসের একটা বড় অংশে সহজে বাতাস যায় এবং রক্ত সহজে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

লেখক, বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

=====================

আমাদের শরীরে যদি পরিমাণমতো অক্সিজেনের জোগান না থাকে, তাহলে আমরা অসুস্থ হতে বাধ্য। কাজেই অক্সিজেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। শরীরে প্রতিনিয়ত বাতাসের সঙ্গে যত দূষণ ঢোকে, খাবারের মাধ্যমেও কিন্তু তততাই দূষণ আমাদের শরীরে ঢুকে যায়। কাজেই, আমরা কী খাচ্ছি তা দেখে নেয়া খুব জরুরি। জেনে নিন কোন খাবারে

কতটা অক্সিজেন মিলবে- 

ব্রোকলি: শীতকালীন এই সবজিটি স্টোর করে রাখতে পারেন আপনি। অন্যান্য সবচির মতো এতেও প্রচুর অক্সিজেন রয়েছে। ব্রোকলি কিন্তু বাড়তি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

রসুন: সকালে উঠে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার পরামর্শ অনেকেই দেন। এতে শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে অক্সিজেনের জোগান থাকে এবং শরীর সুস্থ থাকে।

তবে আমার মতে সকালে ব্রেকফাস্ট করার সময় রসুন চিবিয়ে খেয়ে নিয়ে,

সাথে সাথেই কিছু খাবার খেয়ে নিলে

খুব ভালো।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমে, বাড়তি ওজনও কমে। মিষ্টি আলু নানা প্রাকৃতিক খনিজে ভরপুর। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেনও রয়েছে যা আমাদের শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতিপূরণ করতে সাহায্য করে। 


পালং শাক: পালং শাকে আয়রনের মাত্রা অনেক বেশি। ফলে যাদের শরীরে আয়রন কম এবং রক্তাল্পতায় যারা ভোগেন তাঁদেরকে পালং শাক খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে পালং শাকে কিন্তু অক্সিজেনও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।

বাদাম: প্রতিদিনের খাবারে একমুঠো বাদাম যোগ করুন। সন্ধের সময়ে খিদে পেলে কয়েকটা বাদাম বা কাজু-কিশমিশ খান, তেলেভাজা বা প্রসেস করা খাবার না খেয়ে। এতে শরীরে পুষ্টিও হবে এবং একইসঙ্গে অ্যালকালাইন ও অক্সিজেনের মাত্রা বাড়বে।

অঙ্কুরিত ডাল: অঙ্কুরিত ডাল বা কাঁচা ছোলা খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। যেহেতু এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে কাজেই ভিতর থেকে শরীর সুস্থ রাখতে অঙ্কুরিত ছোলা সাহায্য করে। এছাড়াও টক্সিন বার করতে সাহায্য করে এবং শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করতেও সাহায্য করে।

গ্রিন টি: গ্রিন টি আমাদের শরীরে মেটাবলিজমের মাত্রা সঠিক করতে সাহায্য করে। ফলে শরীরে অক্সিজেনের অভাব তো হয় না, উপরন্তু শরীরের বাড়তি মেদ কমে ও শরীর ঝরঝরে লাগে। 

টক দই: টক দই খেলে পেটের সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে টকদই। প্রতিদিন খাবারে একবাটি টক দই যদি আপনি যোগ করেন তাহলে আপনার শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে অক্সিজেনও পৌঁছায়।

======<---©-আদ্যনাথ-->=======    =========================

     6>|| লেবু কতটা ভালো ||

       <-----©-আদ্যনাথ--->

আজ সন্ধ্যা লেবুর গন্ধে কাটলো ভালো

ওনাকে ভাবতাম লেবু গান্ধী।

আলাপ করে বুঝলাম লেবু খাটি।

লেবুর বাজার ভালো

বাজারে পরিচিত লেবু।


লেবু খাওয়া ভালো

গান্ধীজি খাবারের খোজ রাখেন ভালো।

কাঁচা লেবু পাকা লেবু 

কার কেমন রস হবে

কাটিং তাও জানে ভালো।


লেবু,লেবু,লেবু

ওরে ভাই শোনো,

লেবু খাওয়া ভালো, 

তবে লেবু খাবার বিপদ টাও জেনে রেখো।

একটু লেবু খেতেই পারো

তবে বেশি লেবুতে  বিপদ জেন রেখো।

এ কথা বলছি আমি নয়

ঐযে সম্প্রতি ব্রাজিলের

 National Institute of Dental and Craniofacial Research 

কি বলছে জানেন

তাদের  একটি গবেষণা পত্রে 

বলা হয়েছে সফট ড্রিংক খেলে 

দাঁতের যে সমস্যা হয় লেবুর থেকেও 

ঠিক একই সমস্যা হয়,

জনেনকি সেটা?

আসুন একটু জেনেনি 

লেবুর বিপদের কথা।

আমি যতটুকু জানি 

সেইটুকু একটু বলি।


শরীরের জন্য লেবু ভালো,

লেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি 

ত্বক ভালো রাখে, 

দাঁত ও হাড়ের গঠনে সাহায্য করে কিন্তু অতিরিক্ত খেলে বিপদ ডেকে আনে।


বেড়েছে ওজন?

কি ভাবছেন কাল সকাল থেকে 

করবেন শারীরিক কসরত,

করতেই হবে. সঙ্গে ডায়েট।

লেবু গান্ধী পরামর্শ দিলেন

সকালে উঠে খালি পেটে 

একগ্লাস ঈষদুষ্ণ গরম জলে 

একটা গোটা পাতিলেবুর রস খেলে

খুব ভালো কাজ হয়, চর্বি গলে, ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে।

অগত্যা সকালে শুরু হল 

গরম জল আর লেবু দিয়ে।


কদিন পর হয় তো দেখবেন

নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে,

গ্যাস, অ্যাসিডিটি, খিদেমন্দা, বমি ইত্যাদি।


কারণ কি জানেন?

আমাদের শরীরের জন্য লেবু ভালো,

লেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি 

ত্বক ভালো রাখে, দাঁত ও হাড়ের 

গঠনে সাহায্য করে 

কিন্তু অতিরিক্ত খেলে 

নানারকম শারীরিক সমস্যা 

দেখা দেবে যেমন??? 


দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যায়,

লেবু নানা রকম উপকার করে,

অতিরিক্ত খেলে লেবুর মধ্যে থাকা,

সাইট্রিক অ্যাসিড থেকে 

দাঁত ক্ষয়ে যায়,

দাঁতের উপর সাদা স্তর পড়ে।

 

যদি প্রতিদিন সকালে উঠে 

লেবু জল খান তবে দিনে 

অন্তত দুবার ব্রাশ করুন 

তাহলে দাঁতের সমস্যা একটু কম হবে।

অতিরিক্ত লেবু

মুখমন্ডলের কোশ ক্ষতিগ্রস্ত করে,


দীর্ঘদিন ধরে লেবু খেলে 

মুখের মধ্যে থাকা নরম কোশ 

ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে

মুখের মধ্যে ফোঁড়া বা ফুসকুড়ি 

হলেও হতে পারে।


উৎসেচক ভেঙে যায় 

খালি পেটে লেবু খেলে 

আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উৎসেচক পেপসিন ভেঙে যায়।

পেপসিন তো হজম করায়।

মূলত প্রোটিন হজম করায়।


এদিকে লেবুর মধ্যে থাকা 

সাইট্রিক অ্যাসিড 

পেপসিন কে ভেঙে 

ক্ষতিকর এনজাইম তৈরি করে।

ফলে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না,

এমনকি পেপটিক আলসার

হলেও হতে পারে।

সম্ভাবনা তো থাকতেই পারে।


অ্যাসিড এবং বমির সম্ভাবনা থাকে 

ভিটামিন সি শরীরের জন্য প্রয়োজন,

কিন্তু অতিরিক্তও ভালো নয়।

অতিরিক্ত লেবু বা লেবুর রস খেলে 

সেখান থেকে অ্যাসিড তো হবেই,

সেই সঙ্গে বমি বমি ভাব বা বমি 

হতেই পারে।

যেখান থেকে পরবর্তীকালে 

গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শুধুমাত্র লেবু জল নয়,

যে কোনও ডিটক্স 

ডায়েট ড্রিংক থেকেই 

এই সমস্যা হতে পারে।


অ্যাসিডিটির সম্ভাবনা 

অনেক বেড়ে যায়

বারবার বাথরুম পাওয়া, 

শরীর শুকনো হয়ে যাওয়ার 

মতো সমস্যা দেখা যায়।

গরম জলে লেবু যেহেতু 

ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে 

তাই বারে বারে বাথরুমে যাওয়ার 

প্রয়োজন হয়,

এছাড়াও পেট ফেঁপে যাওয়া, 

শরীর শুকনো হয়ে যাওয়ার মতো 

সমস্যা দেখা দেয়।

বারবার প্রস্রাব হওয়ার ফলে ইলেকট্রোলাইটস ও সোডিয়াম 

দেহের থেকে বেরিয়ে যায়,

আর এই বার বার বাথরুমে গেলে

ব্লাডারে চাপ পড়ে,

যা কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর,

এছাড়াও পটাসিয়ামের অভাব 

দেখা দিতে পারে।

 

লেবু আয়রনের মাত্রা বাড়ায়,

অতিরিক্ত ভিটামিন সি রক্তে 

আয়রনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়,

আয়রন প্রয়োজন,

কিন্তু বেশি হলে তা ক্ষতিকর,

যার ফলে অভ্যন্তরীন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের 

ক্ষতি হয়।


মাইগ্রেন বাড়ায় 

সাইট্রাস মাইগ্রেন বাড়ায়।

যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে 

তাদের এমনিই লেবু জাতীয় ফল 

খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।


সানবার্ন হয় 

লেবুতে অনেকের অ্যালার্জি আছে,

অনেকেই তা বুঝতে পারেন না।

লেবু খেয়ে রোদে বেরোলে 

স্কিনে লাল র‌্যাশ দেখা যবে। 

কখনো কালো ছোপও দেখা দেবে,

যাকে আমরা সানবার্ন বলে ভুল করি।

ডাক্তারি পরিভাষায় একে সাইটোফোটোডার্মাটাইটিস বলা হয়।

লেবুর মধ্যে থাকা 

সাইট্রিক অ্যাসিডের সঙ্গে 

সূর্যালোকের বিক্রিয়ায় 

এই সমস্যা দেখা যায়।

এছাড়াও অতিরিক্ত লেবুর রস 

স্কিন ক্যানসার ডেকে আনে।

ত্বকের নানারকম সমস্যা দেখা যায়


জেনে রাখুন 

প্রতিদিন কোনও গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ খেলে 

লেবু বা সাইট্রিক জাতীয় ফল 

এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

এছাড়াও ক্যালসিয়ামের ওষুধ খেলে 

সঙ্গে লেবু খাবেন না,

এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।


গর্ভবতী দের ক্ষেত্রে এবং 

যাদের দুগ্ধ জাতীয় খাবারে 

সমস্যা রয়েছে তাঁরা ডাক্তারের 

পরামর্শ ছাড়া লেবুর রস বা 

খালি পেটে গরম জলে লেবু খাবেন না।

এবারে নিশ্চই বুঝলেন

লেবু খাবেন কিন্তু কতটা খাবেন

সেটা ভালকরে বুঝে নেওয়াই ভালো।


      <-----©-আদ্যনাথ--->

     【--anrc--01/08/2019--】

     【=রাত্রি:01:28:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】

==========================


ইউরিন ইনফেকশন ও প্রতিকার ।


1>প্রসাবের ইনফেকশন হলে -----

     জিরা পাউডার 1 চা চামচ, +

      আদার রস 2 চা চামচ, +

      1/2 আধা কাপ গরম জলে মিশিয়ে

    খেলে উপকার হয়। 


2>আনারসে আছে ব্রোমেলাইন নামক একটি উপকারী এঞ্জাইম। গবেষণায় দেখা গেছে যে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত রোগীদেরকে সাধারণত ব্রোমেলাইন সমৃদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয় এবং তা ইউরিন ইনফেকশন ভালো করে দেয় খুব দ্রুত। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রতিদিন এক কাপ আনারসের রস খান।


3>বেকিং সোডা


ইউরিন ইনফেকশন সাধারণত দুই দিনের বেশি সময় থাকে। আর এই সময়ে ইনফেকশন কিডনিতে ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে ফেলা উচিত। বেকিং সোড়া দ্রুত ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ১/২ চা চামচ বেকিং পাউডার এক কাপ পানিতে ভালো করে মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমে এবং ইউরিন ইনফেকশন দ্রুত ভালো হয়।


20/10/2019 রাত্রি 10.30 এতে বেকিং পাউডার

খেয়ে মেজিকের মতন আরাম পেলাম। 




=========================

বেকিং সোডা -----


 বেকিং সোডা কার্যত সব কিছুর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি বিভিন্ন কাজেই নির্বিশেষে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন- খাবার তৈরিতে, বাহ্যিক ভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে, গোসলের ক্ষেত্রে বা দেহের অভ্যন্তরে কোলন পরিষ্কারের ক্ষেত্রে। এছাড়া এসব নিরাময়ক বৈশিষ্ট্য ছাড়াও বেকিং সোডা বিভিন্ন গৃহস্থালী কাজেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যদি কোন রোগের চিকিৎসায় বা স্বাস্থ্যগত কারনে ব্যবহারের প্রয়োজন হয় তাহলে ঔষধের দোকানে প্রাপ্ত ফার্মাসিউটিকেল বেকিং সোডা আর গৃহস্থালী কাজের জন্য সাধারণ বেকিং পাউডার ব্যবহার করাটাই সবচাইতে ভালো। তাই কী কী ক্ষেত্রে এই জাদুকরী উপাদানটি ব্যবহার করা যায় চলুন জেনে নেই।


স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বেকিং সোডার ব্যবহার


1>সকালে ঝরঝরে অনুভব করতে- দিনে দুইবার বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে পান করলে, বিশেষ করে সকালে এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে তা কোন ক্ষতি করে না বরং তা পরেরদিন সকালের জন্য অনেক স্বস্তিদায়ক হয়। 

2>বমি বমি ভাবের চিকিৎসা- বেকিং সোডা ও ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড একসাথে মিশিয়ে বমি বমি ভাবের চিকিৎসায়, যেকোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় বা রোগে যেমন হৃদ রোগ, স্নায়ুবিক রোগ, ক্যান্সার ও ফ্লু এর চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়। এই দুইটি উপাদান একসাথে মিশে দেহের কোষ, কলা এবং অঙ্গ থেকে বিষাক্ত পদার্থ ও এসিড বের করে দিয়ে এদের সংযোগকে শক্তিশালী করে।


 3>শক্তিশালী পানীয় তৈরিতে- আপেল সিডার ভিনেগার বা লেবুর রসের সাথে মিশালে বেকিং সোডার কার্যক্ষমতা আরো শক্তিশালী হয়। আধা চা চামচ বেকিং সোডা তে ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার বা লেবুর রস মিশালে অনেক ফেনা তৈরি হবে মিশ্রণটিতে। ফেনা কমে গেলে তাতে সামান্য পানি যোগ করে খেতে হবে।


4> ক্যান্সার সহ কিছু গুরুত্বর রোগের চিকিৎসায়- বেকিং সোডা ঝোলা গুর,ম্যাপল সিরাপ বা মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে ক্যান্সার সহ বেশ কিছু গুরুত্বর রোগের মোকাবেলা করা সম্ভব। তবে ১৪ দিনের বেশি একটানা খাওয়া উচিত নয়। ১ চা চামচ তরল ঝোলা গুঁড়ের সাথে ১ চা চামচ বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। ম্যাপল সিরাপ এবং বেকিং সোডা ৩:১ অনুপাতে মিশিয়ে অল্প আঁচে চুলায় দিয়ে নাড়তে হবে এবং কিছুক্ষন পর মানিয়ে মিশ্রণের থেকে ফেনা সরিয়ে ফেলতে হবে এবং মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হলে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে সেটা প্রতিদিন ১ চামচ করে একবার খেতে হবে। ম্যাপল সিরাপের মতো ঠিক একই নিয়মে মধু বেকিং পাউডারের সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। 


5> স্নানের সময় বেকিং সোডার ব্যবহার- দেহের পেশীতে টান পরা, ক্লান্তি ও ত্বকের মরা কোষ থেকে রক্ষা পেতে গোসলের পানিতে ১ কাপ বেকিং সোডা মিশিয়ে গোছল করলে ত্বক হবে নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল। ভাইরাস জনিত ত্বকের প্রদাহের চিকিৎসায়- ত্বকের প্রদাহ থেকে রক্ষা পেতে কিছু বেকিং সোডা নিয়ে সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে মৃদু মালিশ করতে হবে। ঠিক এভাবে যতদিন ভালো না হয় ততদিন লাগাতে হবে।


গৃহস্থালি কাজে বেকিং সোডার ব্যবহার


পোকার কামড়ে বা পুড়ে গেলে- বেকিং সোডার সাথে পানি দিয়ে ঘন করে একটি মিশ্রণ তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। ঈষ্ট হিসেবে- বেকিং সোডা ও সমপরিমান ভিটামিন সি পাউডার মিশিয়ে ডো তৈরি করলে তা খুব দ্রুত ফুলে উঠে। ফল ও সবজি পরিষ্কারে- বেশি গভীরতার একটি বোলে বেশি করে পানি নিয়ে তাতে ২-৩ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ফল বা সবজি গুলো বেশ কিছুক্ষন রেখে পরে ভালো করে ধুয়ে নিলে ভালো পরিষ্কার হয় এবং বিষাক্ততা দূর হয়। ওয়াশিং মেশিন পরিস্কারে- বেশ কয়েকবার ব্যবহারের ফলে ওয়াশিং মেশিনের ভেতরে ময়লা জমে যায়। আধা কাপ বেকিং সোডা দিয়ে খালি ওয়াশিং মেশিন কিছুক্ষণ ’rinse mode’ এ চালিয়ে রাখলে মেশিন ঝকঝকে হয়ে যাবে। আটকে যাওয়া ড্রেন খোলার জন্য- বেসিন বা কোন পাইপে ময়লা জমে প্রায়ই আটকে যায়। তখন এক কাপ বেকিং সোডা ও এক কাপ সিরকা একসাথে মিশিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া ড্রেনে ঢেলে দিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।তারপর সেখানে বেশি করে গরম পানি ঢেলে দিলেই ম্যাজিকের মতো কাজ হবে। ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে- ফ্রিজে অনেক সময়ই বাজে গন্ধ হয়ে যায় সেটা দূর করার জন্য এখন আর ফ্রিজ ফ্রেশনার কিনতে হবে না। আধা কাপ বেকিং সোডা রেখে দিন। মগ থেকে চা/কফির দাগ দূর করতে- অনেক দিন ব্যবহারের ফলে মগ বা চায়ের কাপে দাগ হয়ে যায়। পানির সাথে কিছু বেকিং সোডা মিশিয়ে মগ বা কাপ ঘষে ধুয়ে ফেললেই নিমিষেই দাগ উঠে যাবে। হাঁড়ি/কড়াই এর পোড়া দাগ তুলতে- রান্না করতে গেলে কড়াই বা হাড়ি পোড়ার অভিজ্ঞতা কম বেশি সবারই আছে। কিন্তু এই পোড়া দাগ তোলা অনেক কষ্টকর হয়ে যায়। সিরকার সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই মিশ্রণ পাতিল বা কড়াই এ বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিলে বা খুব বেশি পোড়া হলে সারারাত ভিজিয়ে রেখে ঘষে তুলে ফেলুন। খুব সহজেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। কাটিং বোর্ডের দাগ তুলতে- কিছুদিন ব্যবহার করলেই ফল ও সবজি কাটার কাটিং বোর্ডে দাগ পরে যায়। ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা, ১ টেবিল চামচ লবন এবং ১ টেবিল চামচ পানি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে কাটিং বোর্ড ঘষে ঘুয়ে ফেলে দেখুন জাদু। চুলের ব্রাশ চিরুণি জীবাণুমুক্ত করণে- বেকিং সোডার সাথে পানি মিশিয়ে চুলের ব্রাশ, চিরুণি ইত্যাদি ধুয়ে নিয়মিত ভাবে জীবাণুমুক্ত করা উচিত। প্লেট বাটি ধোয়ার ক্ষেত্রে- ডিটারজেন্ট এর সাথে ৩ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ধুয়ে নিলে প্লেট বাটি দাগহীন ঝকঝকে হয়ে যায় এবং হাতও কোমল ও মসৃণ হয়। হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে- মাছ, মাংস কাটার পর হাতের বাজে গন্ধ সহজেই দূর করতে হলে বেকিং সোডা মিশ্রিত পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিলে খুব দ্রুত গন্ধ চলে যায়। -----সংগ্রহ

========================


পুরনো থেকে পুরনো কাশি, গলা খারাপ,

লিবার খারাপ এই সকলের জন্য 

রামবান ঔষধ::

একটি ডাসা পেয়ারা কে ঘুটের আগুনে ভাল করে

পুড়িয়ে নিয়ে বিট নুন ও গোল মরিচের গুঁড়ো দিয়ে গরম গরম খেতে হবে।

=====================================================



.||---------------( 1 to 12 )
1>---স্ট্রোক---||
2> .||-গরম জল করুন পান--||--26/07/2017::-
3> .||----"অটোফেজি"-----||=--05/07/2017:::--
4> .||-মাত্র 24 টি কথা-||-22/07/2017::-
5> .||-লছিল এক সমীক্ষা---|03/01/2017:::-

6>||প্রতিদিন বিশুদ্ধ জল ও পেঁপে, ||
7>যেনেনিন রসুন ও পেয়ারা পাতার গুন::::-----
8>আপনি কি হার্ট এটাকের ভয়ে ভীত?
9>केया आप डरते हैं, हार्ट एटक की दरसे।
10> पपीते के बीज हैं उत्तम औषधी
11>||জাদুই পানি:::জিরা ভেজানো জ‌ল||
12>||--সাড়ে তিন ( 3.5 ) মিনিট সময় -||


======================================================

1> .||---স্ট্রোক---||

কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব,
 জানুন   S T R এর রহস্য-------
*( তথ্য সংগ্রহীত )-----

সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব।
শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন... সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!

 সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেসকরুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।

এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)।

সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহ্বা বের করতে।
যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ।
তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন -- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান...!
=================================
মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহে ব্যঘাত ঘটার ফলে যে অব্যবস্থা দ্রুত জন্ম নেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক(Stroke)। দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্ক কোষসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল---অক্সিজেন বা শর্করা সরবরাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষগুলো শরীরের যেই অংশ নিয়ন্ত্রণ করত ওই অংশ গুলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।

=====================
स्ट्रोक ( Stroke )पक्षाघात--
****( तथ्य संग्रहित एबं भाषान्तर )**----

 मनुष्य के शोरीर का खूनके सर्फ़ 2% ही मस्तिष्क
काम मे लगते हैं।
पक्षाघात तब लगता है जब अचानक मस्तिष्क के किसी हिस्से मे रक्त आपूर्ति रुक जाती है।
मस्तिष्क के अंदर खूनके सप्लाई बाधा प्राप्त होनेसे मस्तिष्क के अंदर द्रुत जो अबस्थाका  जन्म लेते हैं उसीको स्ट्रोक ( Stroke ) कहलाते हैं।
मस्तिष्कके कोष समूह अत्यंत सोंबेदन शील ---ऑक्सिजें या शर्करा के सरबराह में थोराभी कमियां अत्यंत द्रुत कोष समुहको नष्ट कर देते हैं। जिनकोश नष्ट होजाते हैं
ओहि कोष शरीरके जिस अंग को चालना करते हैं।उस
अंग लकवा, अर्धांगघात मार जाता है ( पक्षाघात)ग्रस्त होजाते हैं।
हम कैसे जान सकते हैं सच में स्ट्रोक हुया या नेहि।

स्ट्रोक स्नाक्त करनेके लिए सर्फ़ तीन प्रश्न करे
S T R से।
S=Smile. पेशेन्ट को हसने बोलियर।

T =Talk. पेशेन्ट को साथ बात कीजिये ।
       उदाहरण::--पेशेन्ट को बलिये आपके  साथ
           बोलने बलिये ""आज के दिन बहुतई शुन्दर""

R – Raise hands. पेशेन्ट को बलिये दोन हाथ
        एकसाथ ऊपर उठाय।
पेशेन्ट को इस तीन सवाल का जबाब देनेमें अगर किसी तरका कोई भी दिक्कत हो तो तुरन्त हास्पिटल ले जय
और डक्टर को सारे बात बता दीजिए।

और भी एक आसान तरीका जानलीजिये।
पेशेन्ट को उनका जीभ दिखाने बलिये , अगर जीभ
उल्टा हुया हैं, या डॉहिने या बाया तरफ बेंड हुया हैं
तो तुरंत हस्पिटल ले जाइए।
स्ट्रोक ( Stroke )पक्षाघात के सुरु होनेका तीन घोंटे के अंदर पेशेन्ट को हॉस्पिटल पौछासकते हैं तो खतरा बहुतई कम होंगे।
अगर हमलोग इन सहज तरीका को जानले एबं जादा से जादा आदमितक पौचाय तो हो सकते किसिकाभि
रहत मील या किसीकोभी जान बच जाय।
||--07/08/2017---------------||

===========================================================

2> .||-গরম জল করুন পান--||--26/07/2017::-

◆রোজ সকালে গরম জল 4গ্লাস, //
◆জীবন ভর  থাকুন ফার্স্টক্লাস। //
◆পাচ্ছে খিদে কিছু খাবেন খান, //
◆মাত্র 45 মিনিট বাদ দিয়ে খান। //
◆কিছু জাপানি ডাক্তার, //
◆বিষয়টি করেছেন কনফার্ম। //
◆মাথা ধরা, মাইগ্রেন,উচ্চ, নিম্ন রক্ত চাপ, //
◆সকলি ধীরে ধীরে আরাম হবে চুপচাপ। //
◆জোরের ব্যাথা,বাতের ব্যাথা,ই এন টি, //
◆এ একল আরাম হলে আর ভাবনা কি। //
◆হৃদয়ের গোলমাল, বাড়া কমা হার্ট বিট, //
◆মনের আনন্দে হয়েজাবেনএকদম ফিট। //
◆এপিলেপসি,লিভার বড়,হাঁপানি, //
◆হুপিং কাশি, ক্লোরোস্ট্রোলের মনমানি। //
◆প্রস্রাব ও স্টমাক, আর কত রোগ বালাই, //
◆গরম জলে ই সব বলবে পালাই পালাই। //
◆অন্য চিন্তা না করে যদি করেন বিশ্বাস, //
◆তবেই আমিও দিতে পারি আশ্বাস। //
◆খাবেন তো গরমজল ভাবনা কি এমন, //
◆ভালো থেকে বাচুন মনের মতন। //
◆কি হবে ভেবে অত শত সমীক্ষা, //
◆নিজেই করে দেখুন না একটু পরীক্ষা। //\\
||---©➽-ANRC---26/07/2017:::---||
Posted to fb----
||=========================||

জানলাম এক জাপানি সমীক্ষা দিয়েছেন যুক্তি,\\
শরীরের অনেক রোগ বালাই থেকে পেতে মুক্তি। \\
রোজ 4গ্লাস গরম জল করুন পান আরামে, \\
রোজ ভোর বেলা খালিপেটে নিয়মিত সকালে। \\
Posted to fb----
==============================
पड़ लिया  एकदल जापानी डॉक्टर के जूक्ति \\
शरीर अछे रखे और रोगसे पाय  मुक्ति। \\
रोजना 4ग्लास गर्म पानी पिये आरामसे, \\
सुबह खालिपेट नियमित  रोज नियमसे। \\
=======================

||-अगर चहेते हैं आछे सेहत--||

कहा जाता है कि इलाज करवाने से बेहतर है कि हम एहतियात बरतें,\\
 ताकि हम बीमार ही न हों। \\
 माना कि कई बीमारियों से हम बच नहीं सकते। \\
 लेकिन हम कुछ ऐसे कदम ज़रूर उठा सकते हैं, \\
जिन्हें अपनाने से बीमारीहोने का खतराकम होसकता है\\
और कई मामलों में तो शायद हमें बीमारी हो ही नहीं। \\
आइए ऐसी एक बात जाने \\
जिसे ध्यान में रखने से आप अच्छी सेहत पा सकते हैं। \\

◆गर्म पानी बढ़ती उम्र लेंते हैं थाम। \\
◆गर्म पानी झुर्रियां करता है कम। \\
◆गर्म पानी शरीर की एनर्जी बढ़ाए । \\
◆गर्म पानी हृद रोग हटाय। \\
◆गर्म पानी ब्‍लड सर्कुलेशन को रखे सही। \\
◆गर्म पानी पीरियड्स बनाए आसान। \\
◆गर्म पानी जोड़ों का दर्द करे दूर दुरूस्‍त। \\
◆गर्म पानी पेट को रखे साफ दुरूस्‍त । \\
◆गर्म पानी भूख बढ़ाए। \\
◆गर्म पानी वजन कम घटाए। \\
◆गर्म पानी बालों के लिए है फायदेमंद । \\
◆गर्म पानी नाक कान गले को रखे आराम। \\
◆गर्म पानी सर्दी-जुकाम से राहत । \\
||-©➽-ANRC-----26/07/2017::---||
||==========================||
=======================================================

3> .||----"অটোফেজি"-----||=--05/07/2017:::--

জানা আছেকি" অটোফেজি", //
নিজেকে নিজে খাওয়াই অটোফেজি। //
কথাটা যে  গ্রিক শব্দ তাই জানি, //
ডাক্তাররি ভাষাতে অটোফেজি বলেন জানি। //
এটা কেমন তরো অদ্ভুত  কথা, //
নিজেকে নিজে খেলে লাগবেযে ব্যাথা।  //
এটা ডাক্তারি ব্যাখ্যা,কোরোনা উপেক্ষা। //
'ওশিনরি ওসুমি’-জাপানের ডাক্তার, //
২০১৬ সালে পেলেন নোবেল পুরস্কার। //
জানালেন জিকে নিজে খাবার উপকার,  //
মেডিক্যাল সাইন্সে বলে এটা ভীষণ দরকার। //
অটোফেজি এক সাধারণ পদ্ধতি দরকারি, //
আমরা কেউ জানি কেউ নাজেনেও  করি । //
এবারে একটু বলি উপবাস অনেকেই করি। //
হিন্দু বা বৌদ্ধরা   নাখেয়ে উপবাসে থাকলে, //
 তাকে  ‘উপবাস’ বলে। //
খ্রিস্টানরা নাখেয়ে উপবাসে থাকলে, //
তাকে  ‘ফাস্টিং’ বলে। //
মুসলিমরা নাখেয়ে উপবাসে থাকলে, //
তাকে রোজা বলে। //
এই রোজা  রাখাকে ‘সিয়াম’ বলে, //
বিপ্লবীরা নাখেয়ে উপবাসে থাকলে, //
তাকে 'অনশন' করলে। //
যে ধর্মে যাই বলুক উপবাস থাকলে, //
মেডিক্যাল সাইন্স 'অটোফেজি’ বলে। //
এবার বলি বিস্তারে---------//

গ্রিক শব্দ Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। //
সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া। //
না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। //
শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়। //
আরেকটু সহজভাবে বলি। //
আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। //
সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না।// ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়। //
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। //
 ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই। //
মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। //
কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। // কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। //
মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি। //
জাস্ট এ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। //
অনেকেই স্বাস্থ্যের কথা ভেবে উপশ করেন না তাদের জন্য। //
তাদের এই অটোফেজি’র বিষয় জানা উচিত। //
তবে আজকাল কিছু মানুষ জেনে বা নাজেনে
উপবাস করতে শুরু করেছেন। //
অনেকে আবার রোজা রাখতে ও শুরু করেছেন । //

সে যাই বলিনা কেন উপবাস বা "অটোফেজি", //
স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ দরকারি ও উপকারী। //
সপ্তাহে একদিন আরকি,//
হোলে "অটোফেজি" দোষ কি। //
হবে নিশ্চিত রূপে মন ও স্বাস্থ্যের ঝালাই, //
সুন্দর হবে শরীর, দুরহবে রোগ বলাই। //
||-©➽ --ANRC---05/07/2017-----------||
||========================||


========================================================

4> .||-মাত্র 24 টি কথা-||-22/07/2017::-

মাত্র 24 টি  কথা জেনেরাখা ভাল----
1>স্নান কখন করা উচিত।
   মুনি স্নান----ব্রহ্ম মুহূর্তে
   অর্থাৎ ভোর 4টা থেকে 5টার মধ্যে।
   দেব স্নান------সকাল 5টা থেকে 6টার মধ্যে।
    মানব স্নান---সকাল 6টা থেকে 8টার মধ্যে।
    রাক্ষসী স্নান---সকাল 8টার পরে দিনভর

মুনি স্নান----সর্বোত্তম স্নান।
দেব স্নান----উত্তম স্নান।
মানব স্নান---এটি সামান্য স্নান।
রাক্ষসী স্নান----ধর্ম বিরোধী স্নান।
▶অতএব মনুষ্য মাত্রে সকাল 8টার পরে স্নান করা
উচিত নয়।
কোন স্নান কেন করবেন ------
মুনি স্নান---গৃহে সুখ,শান্তি,সমৃদ্ধি,বিদ্যা,বল,
                  আরগ্য, চেতনা,লাভের জন্য।
দেব স্নান---জীবনে যশ, প্রতিপত্তি,কীর্তি,ধন, বৈভব,
                  সুখ, শান্তি,সন্তুষ্টি, লাভের জন্য।
মানব স্নান-----কার্যে সফলতা,ভাগ্য,ভালো কাজের
                      উৎসাহ,পারিবারিক একতা,এবং
                     মঙ্গল প্রদান করে।
রাক্ষসী স্নান---দারিদ্রতা,লোকসান,কষ্ট,অনটন,
                      অর্থ হানি,অস্থিরতা,সকল অমঙ্গল
                      প্রদান করে।
অতঃ আমাদের উচিত সকাল 8টার আগেই স্নান করা।
*বিশেষ করে যিনি গৃহকর্ত্রী তিনি যেই হোক না কেন
স্ত্রী, মা , বহিন, যে কোনো রূপেই হোক না কেন তাঁর উচিত  প্রতিদিন প্রত্যুষে 6টার মধ্যে স্নান করা।

*গৃহের বয়স্ক জনের উচিত সূর্য ওঠার আগেই স্নান করা।

*কেবল এই সামান্য কাজেই গৃহের ধন, বৈভব, গৃহ লক্ষী ,সদাই গৃহে থাকে।

*এই সামান্য কাজেই গৃহের একজনের আয়েই
গৃহের সকলের জীবন নির্বাহ সম্ভব।
আর এই সামান্য কর্তব্যের অবহেলা র কারন
গৃহের কত জন ই যায় করুক না কেন গৃহের অভাব ,দারিদ্রতা কোন দিনও মিটবেনা।

*অতএব মনে রাখতে হবে যে গৃহের ও নিজের সুখ, শান্তি, বৈভব, স্বস্থ, সকলি পাওয়া বা নাপাওয়া
সম্পুর্ন  গৃহের সদস্যের ওপর নির্ভর করে।
শাস্ত্র বাক্য পালনে গৃহ সুন্দর হয়।
শাস্ত্র বাক্য অবহেলায় দুঃখ চির কাল।

*শাস্ত্রই তো প্রকৃতিকে পরিচয় করায়।
শাস্ত্র মেনে চলাইত প্রকৃতিকে মান্য করা।
শাস্ত্র কে অবহেলা মানেই প্রকৃতিকে অবহেলা
যার ফলে দুঃখ, কষ্ট, নানা ব্যাধি।
এহেন অন্যায় কাজ একজন করে ফল ভোগ করে পুরো পরিবার, সমাজ, তথা দেশ।

*অতঃ প্রকৃতিকে মান্য করা তথা শাস্ত্র কে মান্য করা উচিত প্রত্যেক মানুষের।

** জীবনের কিছু নিয়ম-----
1)সংস্কার নাদিয়ে সুযোগ ও আরাম দেওয়া পতনের কারন।
শিশুকে কিছু সুযোগ,আরাম, না দিলে হয়তো শিশু কিছুক্ষন কাঁদবে ।
কিন্তু উপযুক্ত সংস্কার নাদিলে জীবন ভর দুঃখে কাটবে,জীবন ভর কাঁদবে।
2) প্রকৃতির দৃষ্টি কোনে নিজের হাতের আঙ্গুল গুলির নাম জানা আছে কি?
জানা না থাকলে জেনে নিন----
অঙ্গুষ্ঠ-বৃদ্ধাঙ্গুলি= Thumb=প্রকৃতির নাম= "অগ্নি "
তর্জনী=Index-finger =;;     ;;      ;;   ;;----=" বায়ু "
মধ্যমা=Middle finger=;;.     ;;.   ;;;. -- =" আকাশ "
অনামিকা=Ring finger= ;;.   ;;.    ;;----=পৃথিবী
কনিষ্ঠা=little finger=-----;;.    ;;.   ;; . =জল
×
3)এমন 5টি জায়গা যেখানে হাসা মানে কোটি
     পাপের সমান-----
     1. শ্মশান, 2. শবযাত্রাতে,  3. কারুর দুঃখে,.
      4. মন্দিরে, 5. প্ৰবচন চলা কালে।
4)নিজেকে একলা বোধ করছেন----
      পরমাত্মার স্বরণ করুন।
5)অস্থিরতা বোধ করছেন-----
        ভাল গ্রন্থ পড়ুন।
6)মন উদাস-----------
         কোন ভাল পাঠ পড়ুন।
7)টেনশন ( অস্থিরতা )বোধ করছেন---
         ভগবৎ গীতা পাঠ করুন।
8)একদিন ফ্রী মুডে আছেন------
    প্রার্থনা করুন সকলের মঙ্গল কামনা করুন।
    পৃথিবীর সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনা করুন।

9) এমন কি ভাবতে পারেন যে হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ
     যেমন রামায়ণ,গীতা,ইত্যাদি পাঠ করলে
     অনেক রোগের হাত থেকে বাঁচতে পারেন।
      এন কি ক্যান্সার থেকেও মুক্তি মেলে।
10)ব্রত উপবাস করলে শরীরে বল বৃদ্ধি হয়
      মাথা ব্যাথা দূর হয়,চুল পড়া বন্ধ হয়।
11)আরতির সময় হাতে তালি বাজালে
      হৃদয় মজবুত হয়।
12)জল পানের কিছু নিয়ম পালন করা উচিত।
       খাবার খাওয়ার আগে জল পান
        অমৃত সমান।
        খাবার খাওয়ার মাঝে জল পান শরীরের
       "পূজা "সমান।
       খাবার শেষ হবার আগে জল পান
         " ঔ শোধি " সমান।
         খাবার খাওয়ার পরেই জল পান
          " রোগের আওভান"।

13)রোজ একটি আপেল------
      No Doctor
14)রোজ 5 টি বাদাম-------
     No Cancer.
15) রোজ এক লেবু------
        ভুঁড়ি বাড়বে না।
16)রোজ এক গ্লাস দুধ------
      লম্বা হতে সহায়ক।
17)রোজ উপযুক্ত জলপান-----
        (8 ro 12 glass)
          সৌন্দর্য থাকবে অটুট।
18)রোজ 4 টি কাজু---------
       খিদে পাবেন।
19)রোজ জাও মন্দির-----
        টেনশন মুক্ত।
20)রোজ শোন প্রবচন------
       পাবে মনের শান্তি।
21)স্বাস্থ্যের  জন্য-- যোগ ও ব্যম।
      মনের জন্য----গীতার জ্ঞান।
       সৌন্দর্যের জন্য----উপযুক্ত জল পান।
22) জীবনে সদা খুশির জন্য-----
        পরমাত্মার খোঁজ করুন।
23)ভাল কথা ও সুবিচার ছড়িয়ে দিয়ে
      জীবনে খুশি আনন্দ কামান।
24) জীবনের শেষ ক্ষনে-----
       মৃত্যু কালে যেন
      একটু পুণ্য কর্মের জন্য না হয় আপ-সোস,
        আক্ষেপ,পরিতাপ।

উপরোক্ত 24 টি কথা মালা---
নয় তো আমার নিজের ব্যাখ্যা।
এগুলি আমাদের মুনি,ঋষিগনের ব্যাখ্যা ও নির্দেশ।
আমি শুধু করেছি অনুবাদ  সংক্ষিপ্ত রূপে।
ভালো লাগলে পড়ুন বাড়ে বাড়ে , জানুন আরো বিস্তার রূপে এসকল কথা।
পারল প্রচার করুন।
হয়ত কারুর উপকারে লাগলেও লাগতে পারে।
||©➽ANRC---22/07/2017::-----||
||=========================||
==================================================================
5> .||-লছিল এক সমীক্ষা---|03/01/2017:::-


এক মহিলা জার্নালিস্ট সুন্দর সেজেগুঁজে \\
এক বিবাহিত দুটি সন্তানের মাকে (ভদ্রমহিলাকে ) \\
একটি প্রশ্ন করেন-----\\
আপনি তো একজন মা----\\
তাহলে আপনি কিভাবে নিজেকে \\

প্রদর্শন করতে ভালো বাসেন?? \\
একজন ওয়ার্কিং ওমেন হিসাবে ?? \\
নাকি গৃহবধূ হিসাবে?? \\

মহিলা টির উত্তর যা দিলের সেই উত্তরগুলি \\
তুলে ধরছি। \\
কারন আমি মনে করি প্রত্যেক স্ত্রী লোকের \\

জানা উচিত নিজের পরিচয় এমন সুন্দর উত্তর !!! \\
স্ত্রী লোক টি বললেন -----\\
I am full time working woman. \\
At morning --I am the Alarm Clock. \\
All day working---like a Clock, \\
Some when as a waiter, \\
Some when as a faithful Survent, \\
Pertime washerwoman, \\
Some when good tailor, \\
Some when sweeper and cleaner. \\
And gentle working, cleaning leady, \\
I am the good teacher of all child's \\
I am the Nurse of Old persons . \\
I am the whole-hog Security of the house, \\
I am the Perfect Receptionist of the house, \\
I am the Show piece of any functions of \\
Neighbours or relationship. On that time I \\ 

bound to Represent myself as a Model. \\
I am the Perfect friend of the brothers \\

and sisters of My husband . \\
I am the magic owman and \\

brave lady to my little \\

son and daughter . \\
I am the wife of my husband. \\
I have no working Hour. \\
Full time worker, without any salary, \\
No Bonus, No any Increment , \\
No pension and No any subkriptions. \\
No Holiday , No VRS, No LTC, \\
Yet daily I have to face a question \\
What I am doing all hours of the Day. \\
বার বার একটাই প্রশ্ন কি কাজ যে করো দিন ভর। \\
টিভি দেখা আর ওই একটু খুন্তি নাড়া। \\
রাখো কি খবর দুনিয়াদারির ? \\
কি হয় হচ্ছে IPL ,GPS, jio,নেটের। \\
কি করছে কোন সরকার। \\
জান শুধু LPG তে কতো দিচ্ছে subsidiary. \\
খবর রাখকি কত বাড়ছে প্লেনের ভাড়া, \\

পেট্রোলের দাম? \\
কি করছে আমেরিকা,রাশিয়া,চীন? \\
কিভাবে উন্নতি করছে ওরা দিন কে দিন? \\
ভেবেই পাইনা, কিজে করো রাত দিন? \\

Dedicated to All the House Wife \\
Of Bengali PORIBAR. \\
||-©➽----ANRC-----03/01/2017::04:20:PM--||

||==============================||

===============================================