Saturday, July 29, 2023

24>|| তিন শাক শরীরকে সুস্থ রোগ মুক্ত, রাখতে

 


24>|| তিন শাক শরীরকে সুস্থ রোগ মুক্ত, রাখতে



শরীরকে রাখতে সুস্থ রোগ মুক্ত,

খাবারে তিন শাক করতে হবে যুক্ত।

পালংশাক,পুঁইশাক,লাউ শাক,

এইতিন শাকেই বাজী মাত।

রোগ বালাই সব যাবে দূর,

শরীর হবে সুন্দর রোগ যাবে দূর।


একটু মনযোগ দিলেই বুঝবেন

তিন শাকের গুনগান সত্য কেমন।


পালং শাক::-(Spinacia oleracea)

পালং শাকে আছে উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেসিয়াম, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

আছে বেশি মাত্রার ভিটামিন এ, লিম্ফোসাইট বা রক্তের শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগ থেকে রক্ষা করে।

এতে থাকা ১০টিরও বেশি ভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।

এর উচ্চ মাত্রার বিটা ক্যারোটিন চোখের ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

এর ভিটামিন 'এ' ত্বকের বাইরের স্তরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এতে ফলিক এসিড থাকায় তা হৃদ যন্ত্রের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে সক্ষম। 

প্রাপ্ত বয়স্ক ঘন সবুজ পালং পাতায় উচ্চ মাত্রায় ক্লোরোফিল থাকায় এতে ক্যারটিনয়েড বিদ্যমান আর তা আমাদের শরীরে ব্যাথা নাশক ও ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

আরও উপকারিতাঃ পালং শাক অন্ত্রের ভেতরে জমে থাকা মল সহজে বের করে দিতে সহায়তা করে। যার কারণে যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য এ শাক খুব উপকারী। 


পালং শাকের বীজ কৃমি ও মূত্রের রোগ সারায় ও এর কচি পাতা ফুসফুস, কণ্ঠনালীর সমস্যা, শরীর জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এই শাক বিশেষ উপকারী। 


পোড়া ঘায়ে, ক্ষত স্থানে, ব্রণে বা কোথাও ব্যথায় কালচে হয়ে গেলে টাটকা পালং পাতার রসের প্রলেপ লাগালে উপকার পাওয়া যায়। 


পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং আয়রন। এজন্য পালং শাক খেলে রক্তে আয়রনের মাত্রা বেড়ে যায়।





★★। বয়সের ছাপ লুকানোর জন্য আমরা কতকিছুই না করি। 

কিন্তু শীতের সবজি পালং শাকেই আছে এন্টি-অক্সিডেন্ট। 

আর এন্টি-অক্সিডেন্টের কাজই হলো কোষের ক্ষয়রোধ করে শরীরকে তারুণ্যদীপ্ত এবং সুস্থ-সবল রাখা। অর্থাৎ বার্ধক্যকে জয় করতে পালং শাকের রয়েছে অনন্য ভূমিকা।


★।পালং শাকের এন্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কেও কোষগুলোকেও সতেজ এবং কর্মক্ষম রাখে। তাই মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। 


★। সহজলভ্য এই পালং শাকে রয়েছে অনেক খাদ্যগুণ। 

ভিটামিন 'ডি' ছাড়া বাকি সব ভিটামিনই এতে রয়েছে। বিশেষ করে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন 'ই' এবং ভিটামিন 'সি'র উৎস পালং শাক। প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, আয়রনসহ বেশকিছু প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে এতে।


★সবশেষে বলা যায় যে পালং শাকে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। সব মিলিয়ে পালং শাক শীতের এক অসাধারণ সবজি!

=========================


 পুঁইশাক::-- 

পুঁই শাকের বেশি কিছু না বলে এর

 ১৫টি উপকারিতার কথা উল্লেখ করাই যথেষ্ঠ হবে।


 কথায় আছে শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। 

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অতি জরুরি দুই।


পুঁইশাকে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।

যেমন::-- প্রচুর ভিটামিন এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম, জিঙ্ক ।  

ভীষণ উপকারী শাক পুঁইশাক::--


১। শিশুদের জন্য::--

শিশুদের নিয়মিত পুঁইশাক খাওয়ালে তাদের বৃদ্ধি ভালো হয়। শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ যেমন – ভিটামিন, প্রোটিন, নানান খনিজ  এইপুঁইশাক থেকে পাওয়া যায়।


২। চোখের জন্য –

পুঁইশাক চোখ ভালো রাখতে খুব ভালো। এতে আছে বিটা ক্যারোটিন, লুটেইন। এই উপাদানগুলি চোখের জন্য খুবই ভালো। কারণ রেটিনার একটি অংশ ম্যাকুলা এতে থাকে লুটেইন। এই লুইটেন অতিরিক্ত আলোর কুপ্রভাব থেকে চোখকে রক্ষা করে। ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের থেকেও চোখকে রক্ষা করে।


৩। শর্করার জন্য –

পুঁইশাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের নাম লিপোইক অ্যাসিড। এইঅ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। পাশাপাশি ইনসুলিনের ভারসাম্যও ধরে রাখে। তা ছাড়া এটি ডায়াবেটিস রোগিদের পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি এবং অটোনমিক নিউরোপ্যাথির সমস্যা কমায়।


৪। এনার্জি বাড়ায় –

পুঁইশাকে থাকে ম্যাগনেসিয়াম। এটি এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। পুঁইশাকে থাকে ফোলেট। এটি এনার্জির উৎস। এটি খাবারকে এনার্জিতে রূপান্তরিত করে। তাছাড়া পুঁইশাক হল ন্যাচারাল অ্যালকালাইন। এই উপাদান আমাদের তরতাজা, এনার্জেটিক রাখে।


৫। অ্যাজমা আটকায়

পুঁইশাকে আছে বিটা ক্যারোটিন। এই বিটা ক্যারোটিন অ্যাজমা হওয়ার আশঙ্কা কমায়।  


৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে –

পুঁইশাক পটাশিয়ামের উৎস। পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসার কমায়। পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।


৭। ক্যানসার দূরে রাখতে সক্ষম।::--

সবুজ শাকসবজিতে তাহেক ক্লোরোফিল। এই ক্লোরোফিল  কার্সিনোজেনিক প্রভাব আটকায়। এই কার্সিনোজেনিকের প্রভাবেই ক্যানসার হয়। তাই পুঁইশাক খুবই উপকারী। তাছাড়া এর ফাইবার পাকস্থলী আর কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। পুঁইশাক ক্যানসার দূরে রাখতে সক্ষম।




৮।হাড়ের জন্য –উপকারি পুঁইশাক।

আমাদের হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে ভিটামিন কে। তাই ভিটামিন কে শরীরে কম প্রবেশ করা মানে হাড়ের মজবুতি কমে যাওয়া। পুঁই শাক ভিটামিন কে’র একটি খুব ভালো উৎস। ভিটামিন কে হাড়ের মেট্রিক্স প্রোটিন উন্নত করে। ক্যালসিয়াম ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি, ইউরিনে ক্যালসিয়ামের মাত্রাও কম করে। হাড়ের শক্তি বাড়ানোর জন্য তাই পুঁই শাক খান।


৯। হজমে সহায়তা করে।::---

বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করে এটি। এটি হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এর ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য হতে দেয় না। শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।


১০। রোগ প্রতিরোধে –

এর পুষ্টিগুণ প্রচুর। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারাতে এটি বেশ উপকারী।


১১। চুল ও ত্বকের জন্য –

ভিটামিন এ, ত্বকের ও স্ক্যাল্পের তেল নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই সব জায়গা আর্দ্রতা বা ময়েশ্চার ধরে রাখে।


১২। ব্রণের জন্য –

অতিরিক্ত তেল বা সিবাম হল ব্রণের কারণ। পুঁইশাক এই সিবাম নিঃসরণ কমায়, তাই ব্রণ হয় না। ভিটামিন সি ত্বকের কোষ কোলাজিনের জন্য যে ভালো। তাও আছে এই শাকে।


 ১৩। পাইলস –

নিয়মিত পুঁইশাক কোষ্ঠকাঠিন্য যেমন দূর হয় তেমনই পাইলস, ফিসচুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার আশঙ্কা কমায়।


১৪। প্রদাহ –

পুঁইশাকের আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। তাই শরীরের কোনো প্রদাহ হলে বা ফুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় বেটে প্রলেপ লাগালে তড়াতাড়ি কমে যায়। ফলে শরীরে খোসপাঁচড়া, ফোঁড়া ইত্যাদির সংক্রমণ হতে পারে না।


১৫। মাথাব্যথায় –

প্রতিদিন মাথাব্যথার রোগ থাকলে নিয়মিত পুঁইশাক খাওয়া ভালো।

=======================

লাউ শাক::---


বিভিন্ন ধরনের শাকের মধ্যে সহজ লভ্য 

লাউ শাক খেলে স্বাদ তো পাবেনই, এর সঙ্গে পাবেন স্বাস্থ্যের নানা উপকারিতা। 


লাউ শাক ভর্তা, ঝোল, মাছের সঙ্গে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। এই লাউ শাকে রয়েছে ফলিক এসিড, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন-সি। আবার এই শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। যা শরীরস্বাস্থ্য সুস্থ ও সবল রাখতে দারুনভাবে কার্যকর। এবার লাউ শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টি সম্পর্কে জেনে নিন...



★আয়রন থাকার কারণে লাউ শাক রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ এবং লোহিত রক্ত কনিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।


★ লাউ শাকে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন-সি। যা  বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ ও ঠাণ্ডা প্রতিরোধে সাহায্য করে।


★ প্রচুর আঁশ থাকার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে লাউ শাক। এছাড়া পাইলস প্রতিরোধেও সহায়ক।


★  বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জিয়েজ্যান্থিনে পরিপূর্ণ হলো লাউ শাক। বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং লুটেইন ও জিয়েজ্যান্থিন চোখের নানাবিধ রোগ প্রতিরোধ করে থাকে।


★ লাউ শাক দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই লাউ শাক খেলে মস্তিষ্ক থাকবে ঠাণ্ডা এবং ঘুমও হবে গভীর।


★ লাউ শাকে থাকা ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম হাড় শক্ত ও মজবুত করে। অস্টিওপোরেসিস এবং অন্যান্য ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগের ঝুঁকি কমায় লাউ শাক।


★ লাউ শাক কোলেস্টেরল ও ফ্যাট মুক্ত। আবার ক্যালরি কম থাকায় ওজন কমানোর জন্য লাউ শাক হলো একটি আদর্শ খাবার। এই শাকে থাকা পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।

==========================





23>|| লবঙ্গ::--+ জায়ফল::--

   

23>|| লবঙ্গ::--+ জায়ফল::--


ফের বাড়ন্ত  কোভিড সংক্রমণ!


শরীরেরপ্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে রাতে গরম জলের সঙ্গে লবঙ্গ ভীষণ কার্যকরী।

লবঙ্গের রস ব্যথার উপশম করে। 

শুধু দাঁতের সমস্যাই নয়, লবঙ্গ পারে অন্য রোগও আটকাতে। 

লবঙ্গে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে, যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

জ্বর-সর্দি-মাথাব্যথা প্রভৃতি অল্প 

অসুস্থতায় ভাল কাজে করে লবঙ্গ।

দাঁতের গোড়া ব্যথা হলে, সেখানে লবঙ্গ চেপে রাখলেই রেহাই মেলে। লবঙ্গের রস ব্যথার উপশম করে। 


লবঙ্গ ব্যবহারের নিয়ম::---

রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ২টি লবঙ্গ চিবিয়ে খেয়ে নিন। তার পরে এক কাপ গরম জল পান করুন। এতে লবঙ্গ খাওয়ার সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন আপনি।


কী কী উপকার হয়::--

★পেটের সমস্যা:---খুব অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগেন? ★শীতকালে খাওয়াদাওয়ার অনিয়মে বাড়ছে ★কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও? রোজ রাতে এ ভাবে লবঙ্গ খেলে কমে যাবে সেই সমস্যা।


★রোগ প্রতিরোধ:--- ফের বাড়ছে কোভিড হানা। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে গেলেই মুশকিল। লবঙ্গে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া-জাত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায় লবঙ্গ।


★সর্দি-কাশি কমাতেও লবঙ্গ খুবই কার্যকর। 

সর্দি-কাশি কমাতেও লবঙ্গ খুবই কার্যকর।

★গলার জন্য:---- শীতকালে গলা ব্যথা নিত্য দিনের সমস্যা। গলার ব্যথা থেকেই মুক্তি দিতে পারে লবঙ্গের এই টোটকা।


★ঠান্ডা লাগা কমাতে: সর্দি-কাশি কমাতেও লবঙ্গ খুবই কার্যকর। যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত আছে, তাঁরা এ ভাবে নিয়মিত লবঙ্গ খেলে উপকৃত হবেন।


★মুখের দুর্গন্ধ: অনেকেই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন। রোজ রাতে লবঙ্গ জল খেলে আপনার এই সমস্যাও দূর হতে পারে।

=======================


         জায়ফল::---


হাজারো রোগমুক্তির উপায় লুকিয়ে রয়েছে রান্নাঘরের এই মশলায়, 

একাধিক রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে ঠিকই। কিন্তু বেশি মাত্রায় যদি জয়ফল গুঁড়ো খাওয়া শুরু করো, তাহলে কিন্তু বিপদ!

kফ


জায়ফল খাবারের স্বাদ এবং গন্ধ উভয়ই বাড়িয়ে তোলে। বিরিয়ানি থেকে শুরু করে একাধিক সুস্বাদু পদ তৈরি করার সময় জায়ফলের ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি পুষ্টি এবং ওষধি গুণাগুণ সম্পন্ন। এর ভেষজ উপকারিতাও অনেক।


 জায়ফলের বাড়ি ইন্দোনেশিয়ার বান্দা দ্বীপে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজিক ইনফরমেশন (এনসিবিআই) এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, কয়েক হাজার বছর ধরে জায়ফল ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।


খুব কম লোকই জায়ফল খাওয়া পছন্দ করেন। জায়ফলে অনেকগুলি যৌগ থাকে যা রোগ প্রতিরোধে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের প্রচারে সহায়তা করে। যে কোনও ধরনের ব্যথা কমাতে, হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে, অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে (Nutmeg Benefits)। তবে এখানেই শেষ নয়, নিয়মিত জায়ফল খাওয়া শুরু করলে আরও বেশ কিছু শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।

ফোলাভাব থেকে মুক্তি দেয়




জায়ফল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগে সমৃদ্ধ, একে মনোটারপেস বলে। এটিতে সাবাইনিন, টেরপিনল এবং পিনিন রয়েছে। এটি আপনার দেহের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত স্বাস্থ্যের অবস্থা যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং বাতকে উপশম করতে কার্যকর। একটি গবেষণায় স্ফীত ইঁদুরগুলি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটিতে জায়ফল তেল দেওয়া হয়েছিল। তেল গ্রহণকারী ইঁদুরগুলি কম ফোলা এবং প্রদাহজনিত ব্যথা অনুভব করেছে।

যে কোনও ধরণের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে


নিমেষে যন্ত্রণা কমাতে জায়ফল তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। ২০১৬ সালে ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র অনুসারে জায়ফল গাছের বীজ থেকে তৈরি এই বিশেষ তেলটি ব্যথার জায়গায় লাগিয়ে যদি কিছু সময় মাসাজ করা যায়, তাহলে কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না। এমনকি জয়েন্টের ব্যথা কমাতেও জায়ফল তেল বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে আরেকভাবেও জায়ফল তেলকে কাজে লাগানো যেতে পারে। অল্প পরিমাণে জায়ফল তেল নিয়ে তা নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে যদি ব্যথার জায়গায় লাগানো যায়, তাহলে কিন্তু বেশ উপকার পাওয়া যায়।


অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়


দিনের পর দিন কি রাতে ঠিক মতো ঘুম আসে না? তাহলে সময় থাকতে থাকতে সাবধান হওয়াটা জরুরি। কারণ চিকিৎসকেদের মতে দীর্ঘ সময় যদি রাতে ঠিক মতো ঘুম না হয়, তাহলে একদিকে যেমন মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমতে শুরু করে, তেমনি নানাবিধ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় বেড়ে। এখানেই শেষ নয়, ইনসমনিয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে, এমনকি ডায়াবেটিসের মতো রোগও ঘাড়ে চেপে বসতে পারে। তাই সাবধান!


এখন প্রশ্ন অনিদ্রার সমস্যা দূর করার উপায় কী? এক্ষেত্রে প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধে অল্প পরিমাণে জায়ফল গুঁড়ো মিশিয়ে পান করা শুরু করলে ইনসমনিয়ার মতো সমস্যা দূরে পালাতে একেবারেই সময় লাগে না । ফলে শরীরের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্ষমতাও বাড়ে।


স্মৃতিশক্তির উন্নতি করতে সাহায্য করে

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে জায়ফলে রয়েছে বেশ কিছু উপকারী তেল, যেমন ধরো ইগুয়ানল এবং এলেমিসিন, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র সেরোটোনিন এবং ডোপামাইন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যে কারণে মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাস নামক অংশের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, সার্বিকভাবে ব্রেন পাওয়ার এতটাই বেড়ে যায় যে ★অ্যালঝাইমার্স এবং ★পার্কিনসনের মতো রোগের খপ্পরে পড়়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে অল্প করে জায়ফল গুঁড়ো, বাদাম এবং কয়েকটি এলাচ ফেলে খেতে হবে।


ডিপ্রেশন এবং অ্যাংজাইটির প্রকোপ কমায়

একথা নিশ্চয় জানা আছে যে ★স্ট্রেস এবং ★অ্যাংজাইটি কিন্তু শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। তাই তো বড় কোনও ক্ষতি হওয়ার আগেই যদি সাবধান হওয়া না যায়, তাহলে কিন্তু বিপদ! এখন প্রশ্ন হল স্ট্রেসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় কীভাবে? ★এক্ষেত্রে সম পরিমাণে জায়ফল গুঁড়ো এবং আমলকি গুঁড়ো নিয়ে এক গ্রাস জলে মিশিয়ে দিনে একবার করে পান করতে হবে। এমনটা করলে শরীরে সেরাটোনিন এবং ডোপামাইন হরমোনের ক্ষরণ যাবে বেড়ে, যে কারণে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির প্রকোপ কমতে দেখবে সময়ই লাগবে না। ফলে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকবে না বললেই চলে।

=======================

    



22>|| ডুমুর,+ আদার রস:+-ইসবগুল:--||

 


 22>|| ডুমুর,+ আদার রস:+-ইসবগুল:--||



নিজেকে সুস্থ ও ফিট রাখতে 

ডুমুর রাখুন রোজ খাবার পেতে।


●1>অনিদ্রা দূর করে, 

●2>ওজন কমায়, 

●3>হজমশক্তির উন্নতি, 

●4>কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং 

●5>রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ●6>পাশাপাশি অনেক রোগের প্রতিষেধক। 

●>এছাড়াও শরীরের অনেক উপকার করে।


চিকিৎসকরা বলছেন যে সকালে খালি পেটে আপনার প্রাতঃরাশের মধ্যে ডুমুর অন্তর্ভুক্ত করা ভালো। প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি ডুমুর খাওয়া যেতে পারে।


অন্যান্য ফলের মত কেটে খান


ডুমুর খাওয়ার প্রথম উপায় হল সবচেয়ে সহজ। আপনি শুধু কিছু তাজা ডুমুর কিনুন এবং বাড়িতে আনুন এবং সেগুলি কেটে খান। সকালে দুই-তিনটি ডুমুর খেতে পারেন। এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পরিপূর্ণ রাখে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। শুকনো ডুমুর সারা বছর পাওয়া যায় তবে এতে চিনি এবং ক্যালোরি বেশি থাকে, তাই আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে শুকনো ডুমুর খাওয়া এড়িয়ে চলুন। শুকনো ডুমুর সারারাত ভিজিয়ে খেলে এর উপকারিতা দ্বিগুণ হয়ে যায়।


দুধের সাথে ডুমুর খান, অনেক উপকার পাবেন


আপনি দুধে এক থেকে দুটি ডুমুর সিদ্ধ করুন, তারপরে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী পানীয় প্রস্তুত। এইভাবে, ডুমুরের সঙ্গে দুধের উপকারিতাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা শরীরের রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন ধরণের ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করে। আপনি রাতে এই দুধ পান করুন, এটি আপনার ঘুমের উন্নতিতে সাহায্য করবে।


ডুমুর থেকে তৈরি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর মিষ্টি


শক্ত টেক্সচারের কারণে ডুমুর সব ধরনের মিষ্টিতে চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে, তাই আপনি সহজেই পুডিং, জ্যাম এবং পাই তৈরি করতে পারেন। আপনি ডুমুর থেকে কেক, মাফিন বা বরফিও তৈরি করতে পারেন যা ডায়াবেটিস রোগীরাও খেতে পারেন। এতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


ডুমুরকে প্রাতঃরাশের একটি অংশ করুন


আপনি যদি সিরিয়াল বা ওটস খান তবে আপনি এতে ডুমুর অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। বাটিতে ওটস বা মুসলির সঙ্গে কিছু বাদাম, ফল এবং ডুমুর যোগ করে পুষ্টি আরও বাড়ানো যেতে পারে।


দুপুরের খাবারে ডুমুরের সালাদ খান


আপনি যদি আপনার সালাদে কিছু শুকনো ডুমুর যোগ করেন, তাহলে এতে জলের পরিমাণ বাড়বে এবং একই সঙ্গে আপনার সালাদও কুড়কুড়ে হয়ে যাবে। আপনার দুপুরের খাবারের জন্য ডুমুর সালাদ একটি দুর্দান্ত বিকল্প। এটি আপনাকে প্রচুর পুষ্টিও দেবে।

=======================

আদার রস::---

গাঁটের ব্যথা নিমেষে সারায় ১০ টাকা দামের এই রস, দিনে দু'বেলা খেলেই হবে

প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধেয় ৫ গ্রাম পর্যন্ত আদার রসখেতে পারেন। বেশি খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। এক চামচ পুদিনার রস, লেবুর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আরও কার্যকর হবে। এক গ্লাস জলে এগুলি মিশিয়ে পান করুন।

 গাঁটের ব্যথা নিমেষে সারায় ১০ টাকা দামের এই রস, দিনে দু'বেলা খেলেই হবে


Uric Acid Easy Remedy: বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ গাঁটে ব্যথা, বাত বা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স বাড়া, খারাপ খাদ্যাভ্যাস এবং বসে থাকার জীবনযাপন এর অন্যতম কারণ। তবে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধিও এই সমস্যার একটি বড় কারণ। ইউরিক অ্যাসিড রক্তে পাওয়া একটি খারাপ পদার্থ। পিউরিন ভেঙ্গে গেলে শরীর ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে।


বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ গাঁটে ব্যথা (Arthritis), বাত (Joint Pain) বা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স বাড়া, খারাপ খাদ্যাভ্যাস এবং বসে থাকার জীবনযাপন এর অন্যতম কারণ। তবে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের (Uric Acid) মাত্রা বৃদ্ধিও এই সমস্যার একটি বড় কারণ। ইউরিক অ্যাসিড রক্তে পাওয়া একটি খারাপ পদার্থ। পিউরিন ভেঙ্গে গেলে শরীর ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে।


বাত কেন হয়?

রক্তে উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিড দীর্ঘ সময় থাকলে, তা নিয়ন্ত্রণ না করলে ইউরেট স্ফটিক তৈরি হতে পারে। ফলে গাঁটের জয়েন্টগুলোতে তীব্র ব্যথা হয়, যা হাঁটু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ব্যথা হয়। এছাড়াও, গোড়ালি, হাঁটু, কনুই, কব্জি এবং আঙ্গুলেও ব্যথা হতে পারে।


ব্যথা ১২ ঘণ্টা থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়

মায়ো ক্লিনিকের মতে, ব্যথা শুরু হওয়ার পরে প্রথম চার থেকে  ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে তীব্র হতে পারে। সবচেয়ে তীব্র ব্যথা কমে যাওয়ার পর জয়েন্টের অস্বস্তি কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।



এই দেশীয় ভেষজটি ব্যথা উপশম করবে এবং ইউরিক অ্যাসিড দূর করবে

এনএইচএস-এর মতে, গেঁটেবাত আক্রমণ সাধারণত আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা করা হয়, তবে এই ওষুধগুলি দীর্ঘ দিন খেলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। হার্টের রোগ হতে পারে। সেজন্য ইউরিক অ্যাসিডকে মূল থেকেও দূর করতে একটি বিশ্বস্ত প্রতিকারগুলির মধ্যে একটি হল আদা-জল।


ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনোলজিকাল রিসার্চে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস বাতের ব্যথা উপশমের পাশাপাশি ইউরিক অ্যাসিড কমাতে পারে। এই গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিড (হাইপারুরিসেমিয়া) হলে আদার রস সিরাম ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমায়।



আদার মধ্যে জিঞ্জেরোল এবং শোগাওল সহ বিভিন্ন ব্যথা বিরোধী উপাদান রয়েছে, যা মূল থেকে ইউরিক অ্যাসিড দূর করে, বাতের ব্যথা উপশম করে।


কখন এবং কতটা আদার রস পান করবেন?

প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধেয় ৫ গ্রাম পর্যন্ত আদার রসখেতে পারেন। বেশি খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। এক চামচ পুদিনার রস, লেবুর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আরও কার্যকর হবে। এক গ্লাস জলে এগুলি মিশিয়ে পান করুন।

=========================


ইসবগুল::---

 

কোলেস্টেরলে ভুগলে ঘরোয়া প্রতিকারেই মিলবে আরাম।

কোলেস্টেরলর কমাতে ইসবগুল কীভাবে খাবেন? 


কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয় ইসবগুল।

সকালে টয়লেটে বসেই বেরিয়ে যায়।

কোলেস্টেরল সারা বিশ্বে ক্রমবর্ধমান। সে জন্য এই রোগ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। কর্মব্যস্ত জীবনে খাওয়াদাওয়ায় বেনিয়মের কারণে বাড়ছে কোলেস্টেরল। একবার কোলেস্টেরল হলে খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার পরিবর্তন করা দরকার। এমন অনেক জিনিস আছে, যা খেলে শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর হয়ে যায়। কোলেস্টেরল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরি। কারণ কোলেস্টেরল থেকে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। কোলেস্টেরলে ভুগলে ঘরোয়া প্রতিকারেই মিলবে আরাম।


খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর জন্য নানা ধরনের ওষুধ, খাবারের সাহায্য নেন অনেকে। তবে তাতে তেমন ফল হয় না। কোলেস্টেরল কমানোর মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে ইসবগুল। ওষুধ লাগবে না। তার চেয়েও তাড়াতাড়ি কমবে কোলেস্টেরল।  ইসবগুল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। কয়েকটি গবেষণা অনুসারে,ইসবগুল অন্ত্রে একটি পাতলা স্তর তৈরি করে। যাতে খারাপ কোলেস্টেরল শোষিত হয় না, মলের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।


ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুসারে,১২ সপ্তাহের চিকিৎসার পর কোলেস্টেরলের মাত্রা ০.৪২ mmol/l (৮.৭%) কমেছে। ৮ সপ্তাহের ডায়েট প্ল্যানে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন দেওয়া হয়েছিল ৭ গ্রাম ইসবগুল। আর একদল অংশগ্রহণকারীকে দেওয়া হয়েছিল ১০.৫ গ্রাম ইসবগুল। তা এলডিএল কোলেস্টেরল ০.৪৮ mmol/l (৯.৭%) কমিয়ে দিয়েছিল। ইসবগুল ও ডায়েটে ৬ মাস সময়ের মধ্যে LDL কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭-৮.৯% কমিয়েছে।


কোলেস্টেরলর কমাতে ইসবগুল কীভাবে খাবেন? 


কোলেস্টেরল কমাতে ইসবগুল ঘরোয়া প্রতিকার। ইসবগুল প্রতিদিন খাওয়া যায়। প্রতিদিন এক চা চামচ ইসবগুল এক গ্লাস গরম জলের সঙ্গে খান। কোলেস্টেরল রোগীরা সন্ধ্যায় ইসবগুল খেলে লাভ পাবেন। এর সঙ্গে কমপক্ষে এক গ্লাস জল পান করা উচিত। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন এটি খান। রিপোর্ট অনুসারে, কেউ কোলেস্টেরল কমাতে ১ গ্লাস জলের সঙ্গে প্রতিদিন ১০-২০ গ্রাম ইসবগুল খেতে পারেন। প্রতিদিন ২০ গ্রাম ইসবগুল কোষ্ঠকাঠিন্যর প্রতিকার করে। 



ইসবগুলের উপকারিতা 


কোষ্ঠকাঠিন্যে উপশম

ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে

হজমে উন্নতি

শরীরকে ডিটক্স করে


যা মাথায় রাখবেন 


এলডিএলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ইসবগুল ঘরোয়া প্রতিকার। যদি আপনার ডাক্তার খারাপ কোলেস্টেরলের ওষুধ লিখে থাকেন, তাহলে সেগুলি খাওয়া বন্ধ করবেন না। ইসবগুল খাওয়ার পর পেটে ব্যথা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা অন্য কোনো সমস্যা অনুভব করলে বন্ধ করুন।

==========================








 


21>|| আম পাতা +পেট পরিষ্কার ,°+পায়ের নখের ফাঙ্গাস

  21>|| আম পাতা +পেট পরিষ্কার ,°+পায়ের নখের ফাঙ্গাস



আম পাতা::----

পুষ্টিবিদদের মতে, বিভিন্ন পাতার মধ্যে অনন্য একটি পাতা হলো আম পাতা। 

এর যেমন ভেষজ বা আয়ুর্বেদ উপকারী রয়েছে।

আমপাতার নানা ঔষধি গুণ


নানা রোগ নিরাময়ে প্রাচীনকাল থেকে আমপাতার ব্যবহার চলে আসছে। এ পাতায় ভিটামিন সি, এ ও বি রয়েছে। আমপাতা জলে সেদ্ধ করে বা গুঁড়ো করে খাওয়া যায়। অনেকে আমপাতা চায়ের মতো করে পান করেন। তবে যাঁদের সহ্য হয় না, তাঁদের আমপাতা এড়ানো উচিত।


আমপাতায় বিভিন্ন খনিজ উপাদান আছে। এর মধ্যে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আমপাতার ১০টি ঔষধি গুণ নিয়ে সম্প্রতি এনডিটিভি অনলাইনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। জেনে নিন সেগুলো সম্পর্কে: 


১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: কচি আমপাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজে লাগে। এতে ট্যানিনস নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে, যা প্রারম্ভিক ডায়াবেটিস নিরাময়ে খুব কার্যকরী। আমপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো রাখতে পারেন। গরম জলে সেদ্ধ করে চায়ের মতো পান করতে পারেন অথবা তাজা পাতা জলে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে এ জল ছেঁকে নিয়ে পান করুন। ডায়াবেটিসের প্রাথমিক পর্যায়ের রোগীদের জন্য আমপাতা উপকারী। শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে কচি আমপাতা।


২. উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে আমপাতা। এ পাতায় হাইপোট্যান্সিভ উপাদান আছে, যা উচ্চ রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে।


৩. ক্লান্তি দূর করে: উদ্বেগ বা বিষণ্নতার কারণে যাঁরা ঘুমাতে পারেন না, তাঁদের জন্য ভালো ঘরোয়া ওষুধ এটি। কয়েকটি আমপাতা স্নানের জলে দিয়ে রাখুন। 

তারপরে সেই জলে স্নান করুন।

এতে শরীর শান্ত হবে এবং শরীর সতেজ হবে।


৪. কিডনি ও গল ব্লাডারের পথ দূর করে: কিডনি ও গল ব্লাডারের পাথর দূর করতে পারে আমপাতা। এ পাতার গুঁড়ো জলে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে দৈনিক খেলে পাথর দূর হয়।


৫. মুখের সমস্যা দূর করে: আমপাতা সেদ্ধ জল দিয়ে কুলকুচো করলে মুখের বিভিন্ন সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।


৬. শ্বাসকষ্ট দূর হয়: ঠান্ডা, হাঁপানি ও অ্যাজমায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য আমপাতা উপকারী। আমপাতা ফুটিয়ে ঠান্ডা করে মধু যুক্ত করে খেলে কাশি দূর হয়।


৭. ডায়রিয়া ঠেকায়: রক্ত আমাশয় ঠেকাতে পারে আমপাতা। এ পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে দিনে দু-তিনবার খেলে ডায়রিয়া দূর হয়।


৮. পোড়া ক্ষত নিরাময় করে: পোড়া ক্ষত সারাতে আমপাতা পোড়ানো ছাই ক্ষততে লাগানো যেতে পারে। এতে ত্বকে স্বস্তি মেলে।


৯. হেঁচকি ওঠা ঠেকায়: যাঁরা গলা ও নিয়মিত হেঁচকির সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা আমপাতার ধোঁয়া গ্রহণ করতে পারেন।


১০. পেটের জন্য ভালো: গরম জলে কয়েকটি আমপাতা ছেড়ে দিয়ে সারা রাত ঢেকে রাখুন। সকালে ওই জল ছেঁকে পান করুন কয়েক দিন। এতে পেট পরিষ্কার হবে।

=========================


পেট পরিষ্কার ,°+পায়ের নখের ফাঙ্গাস


প্রচুর  পরিমানে জল পান করতে হবে: 

অ্যালোভেরা জুস: অ্যালোভেরার রস জুস হিসেবে খেলে অন্ত্রে জলের পরিমাণ বেড়ে যায়। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে অন্ত্রে থাকা জল মল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় তবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অ্যালোভেরার জুস যোগ করুন। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী শরীরের নানা অংশের জন্য উপকারী। পেটের সাথে সাথে ত্বক, চুলের জন্যও এটি খেতে পারেন।


মৌরি ও জিরার গুঁড়া: ২ চা চামচ মৌরি ও ২ চামচ জিরার গুঁড়ো নিন। হালকা আঁচে কড়াইয়ে নেড়ে নিন। তারপর গুঁড়া করে একটি পাত্রে রেখে দিন। প্রতি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অন্তর অল্প অল্প করে খান।



ইসবগুল: ইসবগুল পেটে পরিষ্কার করে অনেকেই জানেন। তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ইসবগুল খাওয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন সকাল সকাল পেট হালকা হয়ে যাবে চোখের নিমেষে।


তুলসি পাতা: সকালে তুলসি গাছের কয়েকটি পাতা চিবিয়ে খালি পেটে খান। এটি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে এবং হজমশক্তি বাড়াবে।


তিসি: তিসির বীজ পিষে এক চামচ পাউডার তৈরি করুন। একগ্লাস জলে মিশিয়ে সকালের খাবারের আধা ঘণ্টা আগে পান করুন। আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার পান করুন।


জোয়ান: জোয়ান খাওয়া পেটের জন্য খুবই ভালো। একটি বোতলে জোয়ান ভরে বিছানার পাশে রেখে দিন। রোজ রাতে এক চিমটি জোয়ান খেয়ে এক গ্লাস জল পান করুন। এতে গ্যাসের সমস্যা থাকলে তা সকালে উঠলেই হালকা হয়ে যাবে।

=======================



পায়ের নখের ফাঙ্গাস দূর করার উপায়


চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগের নাম হল, ‘ওনেকোমাইকোসিস’। রোগ নিরাময়ের জন্য চিকিৎসকরা সাধারণত ফাঙ্গাসরোধী ওষুধ ব্যবহার করেন। তবে এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক। যা থেকে পেটে সমস্যা, মাথা ঝিমঝিম ভাবসহ নানান সমস্যা দেখা দেয়।

তবে রোগের মাত্রা বেশি না হলে ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পায়ের নখের ফাঙ্গাস নিরাময়ের কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

বেইকিং সোডা: গবেষণায় দেখা গেছে, আর্দ্রতার কারণে হওয়া নখের ফাঙ্গাসের আর্দ্রতা বেইকিং সোডা শুষে নেয়। বেইকিং সোডা ফাঙ্গাসের বৃদ্ধির ৭৯ শতাংশ পর্যন্ত দূর করতে পারে জানা যায় গবেষণা থেকে।  

ব্যবহার পদ্ধতি: মোজা বা জুতা পরার আগে তাতে বেইকিং সোডা ছিটিয়ে নিতে পারেন। চাইলে বেইকিং সোডা ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত নখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। শুকিয়ে আসলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

ভিনিগার: সব বাড়িতেই ভিনিগার পাওয়া যায়। রান্না ও পরিষ্কার করার পাশাপাশি এটা নখের ফাঙ্গাস দূর করতে চমৎকার কাজ করে।

ব্যবহার: এক ভাগ ভিনিগার, দুই ভাগ পানির মধ্যে মিশিয়ে আক্রান্ত পা ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। প্রতিদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

মাউথ ওয়াশ: মাউথ ওয়াশে মেন্থল, থাইমল ও ইউক্যালিপ্টাসের মতো উপাদান থাকে যাতে আছে ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাস-রোধী উপাদান।

ব্যবহার: একটা বাটিতে মাউথ ওয়াশ নিয়ে তাতে আক্রান্ত আঙ্গুল ডুবিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন। 

রসুন: খাবারের স্বাদ বাড়াতে ও ঔষধি গুণের জন্য রসুন বেশ পরিচিত। রসুনে রয়েছে ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাস রোধী উপাদান।

ব্যবহার: রসুন-কুচি করে তা আক্রান্ত নখের উপর ৩০ মিনিট রেখে দিন। প্রতিদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। ফাঙ্গাসের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

========================

          |


20>||টোটকা:;+চিনি +ওজন কমাতে::--

 20>||টোটকা:;+চিনি +ওজন কমাতে::--


★1>গলায় মাছের কাঁটা ফুটলে 

 ◆A--হোমিও প্যাথি ঔষধ সাইলেশিয়া ( SILICEA)খুব ভালো।

◆B> একটু ভিনিগার মেশান জল খেলে আরাম হতে পারে।

 ◆C>একটু গরম জলে লেবু মিশিয়ে তৎক্ষনাৎ খাওয়াতে পারলে ফল মেলে।

মাছের কাঁটা গলিয়ে দেওয়ার জন্য লবণ ও লেবুর মিশ্রণও বেশ কার্যকর। এক টুকরো লেবুতে হালকা লবণ মিশিয়ে লেবুটি চুষে খেয়ে নিন। লেবুর অম্লতা ও লবণের লবণাক্ততা মিলিতভাবে কাঁটাটিকে পাতলা করে গলিয়ে দেবে। ফলে সহজে গলা থেকে 


 ◆D> কোক খুব কাজ করে কাটা গলিয়ে দিতে।


★ 1> মোচা রান্না করার জন্য --মোচা সেদ্ধ করার সময় কয়েক ফোঁটা সর্ষের তেল দিয়ে দিলে , মোচা ল্যাডলেদে হবে না বা জড়িয়ে যাবেনা সুন্দর ঝরঝরে থাকবে।

★2> মাংস ডিপ ফ্রিজে মাংস রাখার আগে মাংস ভালোকরে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে একটু তেল মাখিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখলে মাংস জমে গেলেও ছাড়াতে কোন অসুবিধা হয় না।

আরামসে মাংস আলাদা করা যায়।

★3> কৈ-মাছ ভালোকরে পরিষ্কার করে 

ধুয়ে নিয়ে তার পরে ভালকরে পুঁছে নিয়ে একটু তেল মাখিয়ে রেখে দিয়ে একটু পড়ে ভাজলে, ভাজার সময় মাছ ফাটবে না।

★4> মাছ মেরিগনেট করার সময় লেবুর রস দিলে রান্না করার সমস মাছ ভাংবে না।

মেরিগনেটে লেবুর রস,নুন,আদা রসুনের পেস্ট, হলুদ, দুইঘন্টা আগে মেরিগনেট করে রাখতে হয়।

মাছে লেবুর রস দিয়ে মেরিগনেট করলে মাছ শক্ত থাকবে ভাংবে না।

(বিশেষ করে সমুদ্রিক মাছ)

★5>কাশি-- ভীষণ কাশি-- গলাব্যাথা::--

  1 চামচ আদর রস + 1চামচ মধু + 

    3,4 টি গোলমরিচের গুঁড়ো + 1/2আধা     চামচ হলুদের গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে

চামচে করে নিয়ে একবারে গিলে ফেলতে হবে। 

সাবধানতা::--কোনপ্রকারে জল খাওয়া চলবে না।

★6>কাশি পুরনো থেকে পুরোনো হোকনা কেন একবার খেলেই আরাম::--

তিন চারটি পেয়ারা পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে ছোট ছোট টুকরো করে 

এক কাপ জলে দিয়ে + তাতে 1চামচ আদা গ্রেড কর দিয়ে +1/2 আধা চামচ হলুদের গুঁড়ো + সামান্য দারচিনি + একটু আখের গুড় দিয়ে ততক্ষণ অল্প আঁচে জ্বাল দিতে হবে যতক্ষন না জল আধা কাপ হয়ে যায়।

তারপরে ছেঁকে নিয়ে খেতে হবে।

=======================



চিনির ৫ আশ্চর্য ব্যবহার। 

 আরশোলা তাড়ানো থেকে বাসন পালিশ— চিনির ৫ আশ্চর্য ব্যবহার :::---


রান্নাঘরের যেসব বাসন বেশি ব্যবহার করা হয়, তাতে জলের দাগ পড়ে যায় খুব সহজে। আর বেশিদিন সেভাবে রাখলে দাগ আর উঠতে চায় না ও বাসন ময়লা দেখায়। এই ধরনের দাগ দূর করতে জলে চিনি দিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এবার তাতে বাসন ডুবিয়ে রাখুন ঘণ্টাখানেক। এতে দাগ আপনা-আপনি দূর হয়ে যাবে। 


আরশোলা তাড়াতে


রান্নাঘরের এখানে ওখানে থাকা আরশোলা যে বাড়ির মহিলাদের বিরক্ত করে তাই নয়, বরং ছড়ায় রোগ জীবাণুও। তাই যদি আরশোলা তাড়াতে চান তাহলে চিনিকে কাজে লাগান। ১০ গ্রাম বরিক অ্যাসিড পাউডার, ১ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ দই, ১ টেবিল চামচ আটা মিশিয়ে ছোট ছোট বল পাকিয়ে নিন। এবার তা ঘরের যেখানে যেখানে আরশোলা আসে সেখানে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন উপকার পাবেন নিমেষে। 


ফুলদানির জল ভালো রাখতে



অনেকেই ফুলদানিতে ফুল সাজিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। তবে জল না পরিবর্তন করলে ফুল পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে ১০-১২ লিটার জলে ১ আউন্স হাইড্রোজেন সালফেট ও সামান্য চিনি যোগ করুন। এই জলে ১০-১২ দিন অবধি ফুল তাজা থাকবে। 


জিভ পুড়ে গেলে


গরম খাবার খেয়ে বিশেষ করে চা, দুধের মতো গরম কিছু পান করার সময় অনেকেই আমরা জিভ পুড়িয়ে ফেলি। এক্ষেত্রে তখনই আপনার জিভের ডগায় ২-৩ দানা চিনি রাখুন। দেখবেন ব্যথা জলদি কমে যাচ্ছে। 


বাদামকে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে


যদি আপনি অনেকদিনের জন্য বাদাম সংরক্ষণ করতে চান, তবে তা বোয়ামে ভরে রাখার আগে এতে তিন থেকে চার চা চামচ চিনি রাখুন। এটি আপনার বাদামকে বছরের পর বছর নষ্ট হতে দেবে না।


=====================


 ওজন কমাতে::--


শরীরে থাকবেনা কোন মেদ

চর্বি বিহীন হবে সুন্দর পেট।

সমান চার বীজের মিশ্রণ,

বানাতে নাই কোন পরিশ্রম।


এটি নিশ্চিত রাম বান মিশ্রণ,

চার বীজের সম পরিমান মিশ্রণ।

হালকা আঁচে সামান্য ভেজে নিয়ে

এক চা-চামচ সেব্য খাবার আগে।


সমান পরিমানে আলসী/ Flacx seed + আজোয়াইন + জিরা + মেথি।

একটু সামান্য আঁচে ভেজে নিয়ে

মিক্সিতে পিষে নিয়ে মাত্র এক চা-চামচ

রোজ খেতে হবে মধ্যান্য ভোজনের 

10 মিনিট আগে একটু সামান্য উষ্ণ গরম জলের সাথে।

থাকবেনা কোনপ্রকারের মেদ,

শরীরের ওজন কমবে বেশ।

বিঃদ্রঃ:-- সাবধান এক চা-চামচের অধিক সেবন উচিত নয় কখনো।

বেশি খেলে পেট গরম হতেপারে সেই কারণে সাবধানতা মানতে হবে।

     <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================

शरीर स्वस्थ और सुंदर बनाय,

शरीर की चर्बी से छुटकारा पाएं।


अलसी अजवाइन मेथी और जीरा पाउडर का मिश्रण देता है बहुत लाभ।


 जानें तैय्यारी करने का तरीका और सेवन का तरीका:--


समान समान मात्रामे अलसी, अजवाइन, मेथी और जीरा  हल्का आंच में तावा पर थोड़ा सेख कर मिक्सर ग्राइंडरमें पीष कर पाउडर बनाकर

रोज भोजन के 10 मिनिट पहले चा-चमच की एक चमच शुशुम गरम पानीके साथ खानेसे 

शोरीर की चर्बी झर जाएंगें साथ मे,

बहुत सारे लाभ होंगे। सजमाके देखे।

किन्तु साबधान एक दिन में एक चमच के अधिक ना ले।

      <-----आद्यनाथ राय चौधुरी--->

===========================