Saturday, July 29, 2023

21>|| আম পাতা +পেট পরিষ্কার ,°+পায়ের নখের ফাঙ্গাস

  21>|| আম পাতা +পেট পরিষ্কার ,°+পায়ের নখের ফাঙ্গাস



আম পাতা::----

পুষ্টিবিদদের মতে, বিভিন্ন পাতার মধ্যে অনন্য একটি পাতা হলো আম পাতা। 

এর যেমন ভেষজ বা আয়ুর্বেদ উপকারী রয়েছে।

আমপাতার নানা ঔষধি গুণ


নানা রোগ নিরাময়ে প্রাচীনকাল থেকে আমপাতার ব্যবহার চলে আসছে। এ পাতায় ভিটামিন সি, এ ও বি রয়েছে। আমপাতা জলে সেদ্ধ করে বা গুঁড়ো করে খাওয়া যায়। অনেকে আমপাতা চায়ের মতো করে পান করেন। তবে যাঁদের সহ্য হয় না, তাঁদের আমপাতা এড়ানো উচিত।


আমপাতায় বিভিন্ন খনিজ উপাদান আছে। এর মধ্যে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আমপাতার ১০টি ঔষধি গুণ নিয়ে সম্প্রতি এনডিটিভি অনলাইনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। জেনে নিন সেগুলো সম্পর্কে: 


১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: কচি আমপাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজে লাগে। এতে ট্যানিনস নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে, যা প্রারম্ভিক ডায়াবেটিস নিরাময়ে খুব কার্যকরী। আমপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো রাখতে পারেন। গরম জলে সেদ্ধ করে চায়ের মতো পান করতে পারেন অথবা তাজা পাতা জলে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে এ জল ছেঁকে নিয়ে পান করুন। ডায়াবেটিসের প্রাথমিক পর্যায়ের রোগীদের জন্য আমপাতা উপকারী। শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে কচি আমপাতা।


২. উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে আমপাতা। এ পাতায় হাইপোট্যান্সিভ উপাদান আছে, যা উচ্চ রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে।


৩. ক্লান্তি দূর করে: উদ্বেগ বা বিষণ্নতার কারণে যাঁরা ঘুমাতে পারেন না, তাঁদের জন্য ভালো ঘরোয়া ওষুধ এটি। কয়েকটি আমপাতা স্নানের জলে দিয়ে রাখুন। 

তারপরে সেই জলে স্নান করুন।

এতে শরীর শান্ত হবে এবং শরীর সতেজ হবে।


৪. কিডনি ও গল ব্লাডারের পথ দূর করে: কিডনি ও গল ব্লাডারের পাথর দূর করতে পারে আমপাতা। এ পাতার গুঁড়ো জলে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে দৈনিক খেলে পাথর দূর হয়।


৫. মুখের সমস্যা দূর করে: আমপাতা সেদ্ধ জল দিয়ে কুলকুচো করলে মুখের বিভিন্ন সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।


৬. শ্বাসকষ্ট দূর হয়: ঠান্ডা, হাঁপানি ও অ্যাজমায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য আমপাতা উপকারী। আমপাতা ফুটিয়ে ঠান্ডা করে মধু যুক্ত করে খেলে কাশি দূর হয়।


৭. ডায়রিয়া ঠেকায়: রক্ত আমাশয় ঠেকাতে পারে আমপাতা। এ পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে দিনে দু-তিনবার খেলে ডায়রিয়া দূর হয়।


৮. পোড়া ক্ষত নিরাময় করে: পোড়া ক্ষত সারাতে আমপাতা পোড়ানো ছাই ক্ষততে লাগানো যেতে পারে। এতে ত্বকে স্বস্তি মেলে।


৯. হেঁচকি ওঠা ঠেকায়: যাঁরা গলা ও নিয়মিত হেঁচকির সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা আমপাতার ধোঁয়া গ্রহণ করতে পারেন।


১০. পেটের জন্য ভালো: গরম জলে কয়েকটি আমপাতা ছেড়ে দিয়ে সারা রাত ঢেকে রাখুন। সকালে ওই জল ছেঁকে পান করুন কয়েক দিন। এতে পেট পরিষ্কার হবে।

=========================


পেট পরিষ্কার ,°+পায়ের নখের ফাঙ্গাস


প্রচুর  পরিমানে জল পান করতে হবে: 

অ্যালোভেরা জুস: অ্যালোভেরার রস জুস হিসেবে খেলে অন্ত্রে জলের পরিমাণ বেড়ে যায়। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে অন্ত্রে থাকা জল মল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় তবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অ্যালোভেরার জুস যোগ করুন। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী শরীরের নানা অংশের জন্য উপকারী। পেটের সাথে সাথে ত্বক, চুলের জন্যও এটি খেতে পারেন।


মৌরি ও জিরার গুঁড়া: ২ চা চামচ মৌরি ও ২ চামচ জিরার গুঁড়ো নিন। হালকা আঁচে কড়াইয়ে নেড়ে নিন। তারপর গুঁড়া করে একটি পাত্রে রেখে দিন। প্রতি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অন্তর অল্প অল্প করে খান।



ইসবগুল: ইসবগুল পেটে পরিষ্কার করে অনেকেই জানেন। তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ইসবগুল খাওয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন সকাল সকাল পেট হালকা হয়ে যাবে চোখের নিমেষে।


তুলসি পাতা: সকালে তুলসি গাছের কয়েকটি পাতা চিবিয়ে খালি পেটে খান। এটি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে এবং হজমশক্তি বাড়াবে।


তিসি: তিসির বীজ পিষে এক চামচ পাউডার তৈরি করুন। একগ্লাস জলে মিশিয়ে সকালের খাবারের আধা ঘণ্টা আগে পান করুন। আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার পান করুন।


জোয়ান: জোয়ান খাওয়া পেটের জন্য খুবই ভালো। একটি বোতলে জোয়ান ভরে বিছানার পাশে রেখে দিন। রোজ রাতে এক চিমটি জোয়ান খেয়ে এক গ্লাস জল পান করুন। এতে গ্যাসের সমস্যা থাকলে তা সকালে উঠলেই হালকা হয়ে যাবে।

=======================



পায়ের নখের ফাঙ্গাস দূর করার উপায়


চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগের নাম হল, ‘ওনেকোমাইকোসিস’। রোগ নিরাময়ের জন্য চিকিৎসকরা সাধারণত ফাঙ্গাসরোধী ওষুধ ব্যবহার করেন। তবে এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক। যা থেকে পেটে সমস্যা, মাথা ঝিমঝিম ভাবসহ নানান সমস্যা দেখা দেয়।

তবে রোগের মাত্রা বেশি না হলে ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পায়ের নখের ফাঙ্গাস নিরাময়ের কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

বেইকিং সোডা: গবেষণায় দেখা গেছে, আর্দ্রতার কারণে হওয়া নখের ফাঙ্গাসের আর্দ্রতা বেইকিং সোডা শুষে নেয়। বেইকিং সোডা ফাঙ্গাসের বৃদ্ধির ৭৯ শতাংশ পর্যন্ত দূর করতে পারে জানা যায় গবেষণা থেকে।  

ব্যবহার পদ্ধতি: মোজা বা জুতা পরার আগে তাতে বেইকিং সোডা ছিটিয়ে নিতে পারেন। চাইলে বেইকিং সোডা ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত নখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। শুকিয়ে আসলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

ভিনিগার: সব বাড়িতেই ভিনিগার পাওয়া যায়। রান্না ও পরিষ্কার করার পাশাপাশি এটা নখের ফাঙ্গাস দূর করতে চমৎকার কাজ করে।

ব্যবহার: এক ভাগ ভিনিগার, দুই ভাগ পানির মধ্যে মিশিয়ে আক্রান্ত পা ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। প্রতিদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

মাউথ ওয়াশ: মাউথ ওয়াশে মেন্থল, থাইমল ও ইউক্যালিপ্টাসের মতো উপাদান থাকে যাতে আছে ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাস-রোধী উপাদান।

ব্যবহার: একটা বাটিতে মাউথ ওয়াশ নিয়ে তাতে আক্রান্ত আঙ্গুল ডুবিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন। 

রসুন: খাবারের স্বাদ বাড়াতে ও ঔষধি গুণের জন্য রসুন বেশ পরিচিত। রসুনে রয়েছে ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাস রোধী উপাদান।

ব্যবহার: রসুন-কুচি করে তা আক্রান্ত নখের উপর ৩০ মিনিট রেখে দিন। প্রতিদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। ফাঙ্গাসের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

========================

          |


No comments:

Post a Comment