Saturday, July 29, 2023

22>|| ডুমুর,+ আদার রস:+-ইসবগুল:--||

 


 22>|| ডুমুর,+ আদার রস:+-ইসবগুল:--||



নিজেকে সুস্থ ও ফিট রাখতে 

ডুমুর রাখুন রোজ খাবার পেতে।


●1>অনিদ্রা দূর করে, 

●2>ওজন কমায়, 

●3>হজমশক্তির উন্নতি, 

●4>কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং 

●5>রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ●6>পাশাপাশি অনেক রোগের প্রতিষেধক। 

●>এছাড়াও শরীরের অনেক উপকার করে।


চিকিৎসকরা বলছেন যে সকালে খালি পেটে আপনার প্রাতঃরাশের মধ্যে ডুমুর অন্তর্ভুক্ত করা ভালো। প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি ডুমুর খাওয়া যেতে পারে।


অন্যান্য ফলের মত কেটে খান


ডুমুর খাওয়ার প্রথম উপায় হল সবচেয়ে সহজ। আপনি শুধু কিছু তাজা ডুমুর কিনুন এবং বাড়িতে আনুন এবং সেগুলি কেটে খান। সকালে দুই-তিনটি ডুমুর খেতে পারেন। এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পরিপূর্ণ রাখে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। শুকনো ডুমুর সারা বছর পাওয়া যায় তবে এতে চিনি এবং ক্যালোরি বেশি থাকে, তাই আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে শুকনো ডুমুর খাওয়া এড়িয়ে চলুন। শুকনো ডুমুর সারারাত ভিজিয়ে খেলে এর উপকারিতা দ্বিগুণ হয়ে যায়।


দুধের সাথে ডুমুর খান, অনেক উপকার পাবেন


আপনি দুধে এক থেকে দুটি ডুমুর সিদ্ধ করুন, তারপরে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী পানীয় প্রস্তুত। এইভাবে, ডুমুরের সঙ্গে দুধের উপকারিতাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা শরীরের রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন ধরণের ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করে। আপনি রাতে এই দুধ পান করুন, এটি আপনার ঘুমের উন্নতিতে সাহায্য করবে।


ডুমুর থেকে তৈরি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর মিষ্টি


শক্ত টেক্সচারের কারণে ডুমুর সব ধরনের মিষ্টিতে চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে, তাই আপনি সহজেই পুডিং, জ্যাম এবং পাই তৈরি করতে পারেন। আপনি ডুমুর থেকে কেক, মাফিন বা বরফিও তৈরি করতে পারেন যা ডায়াবেটিস রোগীরাও খেতে পারেন। এতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


ডুমুরকে প্রাতঃরাশের একটি অংশ করুন


আপনি যদি সিরিয়াল বা ওটস খান তবে আপনি এতে ডুমুর অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। বাটিতে ওটস বা মুসলির সঙ্গে কিছু বাদাম, ফল এবং ডুমুর যোগ করে পুষ্টি আরও বাড়ানো যেতে পারে।


দুপুরের খাবারে ডুমুরের সালাদ খান


আপনি যদি আপনার সালাদে কিছু শুকনো ডুমুর যোগ করেন, তাহলে এতে জলের পরিমাণ বাড়বে এবং একই সঙ্গে আপনার সালাদও কুড়কুড়ে হয়ে যাবে। আপনার দুপুরের খাবারের জন্য ডুমুর সালাদ একটি দুর্দান্ত বিকল্প। এটি আপনাকে প্রচুর পুষ্টিও দেবে।

=======================

আদার রস::---

গাঁটের ব্যথা নিমেষে সারায় ১০ টাকা দামের এই রস, দিনে দু'বেলা খেলেই হবে

প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধেয় ৫ গ্রাম পর্যন্ত আদার রসখেতে পারেন। বেশি খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। এক চামচ পুদিনার রস, লেবুর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আরও কার্যকর হবে। এক গ্লাস জলে এগুলি মিশিয়ে পান করুন।

 গাঁটের ব্যথা নিমেষে সারায় ১০ টাকা দামের এই রস, দিনে দু'বেলা খেলেই হবে


Uric Acid Easy Remedy: বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ গাঁটে ব্যথা, বাত বা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স বাড়া, খারাপ খাদ্যাভ্যাস এবং বসে থাকার জীবনযাপন এর অন্যতম কারণ। তবে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধিও এই সমস্যার একটি বড় কারণ। ইউরিক অ্যাসিড রক্তে পাওয়া একটি খারাপ পদার্থ। পিউরিন ভেঙ্গে গেলে শরীর ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে।


বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ গাঁটে ব্যথা (Arthritis), বাত (Joint Pain) বা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স বাড়া, খারাপ খাদ্যাভ্যাস এবং বসে থাকার জীবনযাপন এর অন্যতম কারণ। তবে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের (Uric Acid) মাত্রা বৃদ্ধিও এই সমস্যার একটি বড় কারণ। ইউরিক অ্যাসিড রক্তে পাওয়া একটি খারাপ পদার্থ। পিউরিন ভেঙ্গে গেলে শরীর ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে।


বাত কেন হয়?

রক্তে উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিড দীর্ঘ সময় থাকলে, তা নিয়ন্ত্রণ না করলে ইউরেট স্ফটিক তৈরি হতে পারে। ফলে গাঁটের জয়েন্টগুলোতে তীব্র ব্যথা হয়, যা হাঁটু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ব্যথা হয়। এছাড়াও, গোড়ালি, হাঁটু, কনুই, কব্জি এবং আঙ্গুলেও ব্যথা হতে পারে।


ব্যথা ১২ ঘণ্টা থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়

মায়ো ক্লিনিকের মতে, ব্যথা শুরু হওয়ার পরে প্রথম চার থেকে  ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে তীব্র হতে পারে। সবচেয়ে তীব্র ব্যথা কমে যাওয়ার পর জয়েন্টের অস্বস্তি কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।



এই দেশীয় ভেষজটি ব্যথা উপশম করবে এবং ইউরিক অ্যাসিড দূর করবে

এনএইচএস-এর মতে, গেঁটেবাত আক্রমণ সাধারণত আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা করা হয়, তবে এই ওষুধগুলি দীর্ঘ দিন খেলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। হার্টের রোগ হতে পারে। সেজন্য ইউরিক অ্যাসিডকে মূল থেকেও দূর করতে একটি বিশ্বস্ত প্রতিকারগুলির মধ্যে একটি হল আদা-জল।


ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনোলজিকাল রিসার্চে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস বাতের ব্যথা উপশমের পাশাপাশি ইউরিক অ্যাসিড কমাতে পারে। এই গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিড (হাইপারুরিসেমিয়া) হলে আদার রস সিরাম ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমায়।



আদার মধ্যে জিঞ্জেরোল এবং শোগাওল সহ বিভিন্ন ব্যথা বিরোধী উপাদান রয়েছে, যা মূল থেকে ইউরিক অ্যাসিড দূর করে, বাতের ব্যথা উপশম করে।


কখন এবং কতটা আদার রস পান করবেন?

প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধেয় ৫ গ্রাম পর্যন্ত আদার রসখেতে পারেন। বেশি খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। এক চামচ পুদিনার রস, লেবুর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আরও কার্যকর হবে। এক গ্লাস জলে এগুলি মিশিয়ে পান করুন।

=========================


ইসবগুল::---

 

কোলেস্টেরলে ভুগলে ঘরোয়া প্রতিকারেই মিলবে আরাম।

কোলেস্টেরলর কমাতে ইসবগুল কীভাবে খাবেন? 


কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয় ইসবগুল।

সকালে টয়লেটে বসেই বেরিয়ে যায়।

কোলেস্টেরল সারা বিশ্বে ক্রমবর্ধমান। সে জন্য এই রোগ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। কর্মব্যস্ত জীবনে খাওয়াদাওয়ায় বেনিয়মের কারণে বাড়ছে কোলেস্টেরল। একবার কোলেস্টেরল হলে খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার পরিবর্তন করা দরকার। এমন অনেক জিনিস আছে, যা খেলে শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর হয়ে যায়। কোলেস্টেরল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরি। কারণ কোলেস্টেরল থেকে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। কোলেস্টেরলে ভুগলে ঘরোয়া প্রতিকারেই মিলবে আরাম।


খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর জন্য নানা ধরনের ওষুধ, খাবারের সাহায্য নেন অনেকে। তবে তাতে তেমন ফল হয় না। কোলেস্টেরল কমানোর মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে ইসবগুল। ওষুধ লাগবে না। তার চেয়েও তাড়াতাড়ি কমবে কোলেস্টেরল।  ইসবগুল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। কয়েকটি গবেষণা অনুসারে,ইসবগুল অন্ত্রে একটি পাতলা স্তর তৈরি করে। যাতে খারাপ কোলেস্টেরল শোষিত হয় না, মলের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।


ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুসারে,১২ সপ্তাহের চিকিৎসার পর কোলেস্টেরলের মাত্রা ০.৪২ mmol/l (৮.৭%) কমেছে। ৮ সপ্তাহের ডায়েট প্ল্যানে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন দেওয়া হয়েছিল ৭ গ্রাম ইসবগুল। আর একদল অংশগ্রহণকারীকে দেওয়া হয়েছিল ১০.৫ গ্রাম ইসবগুল। তা এলডিএল কোলেস্টেরল ০.৪৮ mmol/l (৯.৭%) কমিয়ে দিয়েছিল। ইসবগুল ও ডায়েটে ৬ মাস সময়ের মধ্যে LDL কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭-৮.৯% কমিয়েছে।


কোলেস্টেরলর কমাতে ইসবগুল কীভাবে খাবেন? 


কোলেস্টেরল কমাতে ইসবগুল ঘরোয়া প্রতিকার। ইসবগুল প্রতিদিন খাওয়া যায়। প্রতিদিন এক চা চামচ ইসবগুল এক গ্লাস গরম জলের সঙ্গে খান। কোলেস্টেরল রোগীরা সন্ধ্যায় ইসবগুল খেলে লাভ পাবেন। এর সঙ্গে কমপক্ষে এক গ্লাস জল পান করা উচিত। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন এটি খান। রিপোর্ট অনুসারে, কেউ কোলেস্টেরল কমাতে ১ গ্লাস জলের সঙ্গে প্রতিদিন ১০-২০ গ্রাম ইসবগুল খেতে পারেন। প্রতিদিন ২০ গ্রাম ইসবগুল কোষ্ঠকাঠিন্যর প্রতিকার করে। 



ইসবগুলের উপকারিতা 


কোষ্ঠকাঠিন্যে উপশম

ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে

হজমে উন্নতি

শরীরকে ডিটক্স করে


যা মাথায় রাখবেন 


এলডিএলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ইসবগুল ঘরোয়া প্রতিকার। যদি আপনার ডাক্তার খারাপ কোলেস্টেরলের ওষুধ লিখে থাকেন, তাহলে সেগুলি খাওয়া বন্ধ করবেন না। ইসবগুল খাওয়ার পর পেটে ব্যথা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা অন্য কোনো সমস্যা অনুভব করলে বন্ধ করুন।

==========================








 


No comments:

Post a Comment