Wednesday, August 11, 2021

19>|| একটু হাসি ==সংগ্রহ।( 46--52)

 19>|| একটু হাসি -সংগ্রহ ,(46--52)


46>*একজন ৮০ বছর বয়সের

47>এবার একটু হাসুন--(শিবরাম চক্রবর্তী)

48>হাসলে শরীর মন ভালো থাকে 

 49>একটু হাসি---হঠাৎ এক সাধু এসে হাজির

50>এক মহিলার অভ্যাস ছিল 

51>একটু হাসির জন্য:-|| পতিনিন্দা উচিত নয় ||

52>দি গ্রেট  *তারাপদ রায়ের* এক দুই তিন::

=====================

একটু হাসি ==সংগ্রহ।--(1--6)

1>*একজন ৮০ বছর বয়সের ভদ্রলোক ডাক্তার এর কাছে গেছে জেনারেল চেকআপ এর জন্য। ডাক্তার ওনার শরীরের অবস্থা দেখে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন...*

ডাক্তার: "আপনার এত সুন্দর স্বাস্থ‍্যের রহস্যটা কী? নিশ্চই খুব স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করেন? ব্যায়াম করেন, খাওয়া দাওয়া কন্ট্রোল করেন?"

ভদ্রলোক: _"আমি দুবেলা ভরপেট খাই । রাতে দু থেকে তিন পেগ রাম খাই । দিনে এক প্যাকেট সিগারেট খাই । সূর্য ওঠার অন্তত দুঘন্টা পরে উঠি । কোনরকম ব্যায়াম ট্যায়ামের ঝামেলায় যাই না । হতে পারে এইরকম আনন্দে বাঁচাটাই আমার সুন্দর স্বাস্থ্যের রহস্য।"_

ডাক্তার: "আপনার বাবা যখন মারা যান তখন ওনার বয়স কত ছিল?"

ভদ্রলোক: _"আমার বাবা মারা গেছে?  আপনাকে কে বললো?"_

ডাক্তার: "আপনার ৮০ বছর বয়স আর আপনার বাবা এখনো বেঁচে আছেন, তা হলে ওনার বয়স কত?"

ভদ্রলোক: _"ওনার বয়স *১০২* বছর, উনিও রোজ  আমার সাথে বসে  দু'তিন পেগ রাম খান। কাল রাতেও খেয়েছেন।"_

ডাক্তার: "এতো খুব ভালো কথা, আপনাদের পরিবারের সবাই দীর্ঘদিন বাঁচে । আপনার ঠাকুরদাদা যখন মারা যান, ওনার বয়স কত ছিল?"

ভদ্রলোক: _"আমার ঠাকুরদা মারা যাবেন কেন, উনি বহাল তবিয়তেই আছেন, ওনার বয়স এখন  *১২৩*।"_

ডাক্তার: "ঠাকুর দাদাও ! উনিও কি কাল রাম খেয়েছিলেন?"

ভদ্রলোক (দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে): _"নাঃ, কাল উনি খেতে পারেননি, ওনার কাল ফুলশয্যা ছিল।"_

ডাক্তার: "এই বয়সে ওনার বিয়ে করতে ইচ্ছে হোল?"

ভদ্রলোক: _"ইচ্ছে নয়, উনি বাধ্য হয়েছেন কারণ মেয়েটি *অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল*।"_

ডাক্তার বাবু সেইদিন থেকে রোজ রাম খাচ্ছেন, ক্লিনিক বন্ধ।

(হোয়াটস আ্যপের বন্ধুর সৌজন্যে)

==============================



2>এবার একটু হাসুন---

   (শিবরাম চক্রবর্তী)


একবার শিব্রাম ঠিক করলেন বাঘ শিকার করতে যাবেন। 


বোন বিনিকে বললেন - একটা লিস্ট কর, আমি কি কি সঙ্গে নিয়ে যাব। 


বিনি কাগজ কলম নিয়ে এসে বলল  -  'বলো'।


শিবরাম বললেন - প্রথমেই লেখ এক ডজন আন্ডারওয়্যার। 


বিনি বলল - সেকি ! এতো আন্ডারওয়্যার দিয়ে কি হবে !!! 


শিবরাম বললেন - আরে বাবা, বাঘ কি একবারই ডাকবে ?


😜😉😝😛🤪🤣🙄😂🤣



😂😂



3>হাসলে শরীর মন ভালো থাকে 


একজন লেখক বিহারে রাতের ট্রেনে ভ্রমণ করছিলেন। রাত বাড়তে পাশে বসা সহযাত্রীরা ক্রমশ কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে লাগলেন। লেখকের ট্রেনযাত্রায় ঘুম আসে না। তিনি একটি বই খুলে পড়তে শুরু করলেন। উল্টোদিকের সিটে বসা ৫-৬ জনের মাঝখান থেকে এক যাত্রী লেখককে উদ্দেশ্য করে বললেন, "আপনি ঘুমোবেন না?"

     "না ট্রেনের দুলুনিতে ঘুম আসে না। বই পড়ে রাত কাটিয়ে দেব।"

     "তাহলে আমার একটা উপকার করতে হবে।"

     "কী?"

     "রাত আড়াইটায় আমাকে ঘুম থেকে তুলে দিতে হবে। তার পরেই আমার স্টেশন এসে যাবে।"

     লেখক সম্মত হলেন। যাত্রীটি অন্যদের মতোই কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। 


     শীতের শেষ রাতে লেখকেরও চোখের পাতা জড়িয়ে এল। হঠাৎ সহযাত্রীর চিৎকারে সচকিত হলেন। চোখ খুলে দেখেন, সেই সহযাত্রী তাঁরই সামনে দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে কামরা মাথায় তুলেছেন। অন্য যাত্রীরাও জেগে গিয়েছেন। জানালার ওপাশে হালকা ভোরের আলো ফুটেছে। সময়মতো জাগিয়ে না দেবার জন্য ও নির্দিষ্ট স্টেশন পার হয়ে যাবার জন্য লোকটি লেখককে তুমুল গালাগালি  দিতে লাগল। লেখক ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে নীরবে তিরস্কার হজম করতে লাগলেন। কামরার অন্য যাত্রীরা বরং তাঁর পক্ষ নিয়ে এগিয়ে এল। ওই যাত্রীকে থামিয়ে বলল, "অনুরোধ না রাখতে পারা এমন কোনো অপরাধ নয় যে, ওই ভদ্র সন্তানকে এত গালাগালি শুনতে হবে। যাকে মাঝরাত পার করে নামতে হবে, জেগে থাকার দায় তারই। লোকটিকে কোনোমতে থামিয়ে অন্য সহযাত্রীরা  লেখককে বললেন, "আপনিই বা কেন নীরবে এত তিরস্কার হজম করছেন? আমরা আপনার হয়ে কথা বলছি, অথচ আপনি আগাগোড়া চুপ, আশ্চর্য তো!"

     লেখক শান্তভাবে বললেন, "যে লোকটাকে কম্বল মুড়ি দেওয়া অবস্থায় প্রায় জোর করে তুলে দিয়ে অন্ধকার স্টেশনে নামিয়ে দিলাম, সে না জানি কত গালাগালি করছে! তার কথা ভেবে এনার কথায় চুপ করে আছি।"


--------- শিবরাম চক্কত্তি !!

             ( সংগ্রহ)

==========================



     4>একটু হাসি----


হঠাৎ এক সাধু এসে হাজির

বাড়ির গেটের সামনেই ছিলেন 

এক দাদু---

সাধু বাবা দাদুকে বললেন


সাধুবাবা -- দাদুকে


- বাবা, সাধুকে কিছু দান করুন, 

দান করলেই পরকালে স্বর্গে স্থান পাবেন।


দাদু - তা সাধুবাবা বেশ বেশ; যাও বাবা আমি তোমাকে জামশেদপুরটা দান করে দিলাম।


সাধু - আরে জামশেদপুরটা কি তোমার সম্পত্তি নাকি যে দান করে দেবে?


দাদু - স্বর্গটা কি তোমার বাবার জমিদারি নাকি যে ওখানে আমাকে প্লট দিচ্ছ?


         (সংগৃহীত)

"=========================

        5>এক মহিলার অভ্যাস ছিল স্থান কাল পাত্র অগ্রাহ্য করে স্বামীর সব কথাতেই বিরোধীতা করার। স্পষ্ট বক্তা বলে আত্মশ্লাঘা অনুভব করতেন । 


একবার ঐ মহিলা স্বামী ও চার পুত্র সহ পুরী যাচ্ছেন । ট্রেনে একজনের সঙ্গে আলাপ হলো । প্রাথমিক পরিচয় পর্ব চলছে । সেই ভদ্রলোক এই ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলেন,


- আপনার ছেলে মেয়ে ক'টি ?

-

- আমার চার ছেলে ।

- মেয়ে ?

-

- মেয়ে নেই ।

- আপনি তো কৃতি পুরুষ মশাই । একেবারে চার চারটে ছেলে!


- হ্যাঁ , মানে ঐ আর কি ! সবই ওপরওয়ালার ইচ্ছে । তবে আমাকেও খেজুর , বাদাম এসব খেতে হয়েছে।


ভদ্রমহিলার আর সহ্য হলো না ! সব ক্রেডিট স্বামী নিয়ে যাবে ! এ হতে দেওয়া যায় না !ভদ্রমহিলা বলে উঠলেন, 


- তুমি আর মুখ নেড়ো না । তোমার ভরষায় বসে থাকলে একটাও হতো না ।

       (সংগৃহীত)

===========================


   

6>একটু হাসির জন্য:--


|| পতিনিন্দা উচিত নয় ||


সেদিন বাসে যেতে যেতে শুনতে পেলাম

এক মহিলা তার বান্ধবীকে  বলছে, "আমি জানিনা রে, মেয়েরা যে কেমন করে সবার সামনে বিচ্ছিরি ভাবে তাদের স্বামী‌দের নিন্দে করে। দেখ না, তোদের তাপসদা মানে আমার বর দেখতে ঠিক কালো মোষের মতো, সারা গায়ে ভাল্লুকের মতো লোম। মুখটা দেখে মনে হয় জলদাপাড়ার গণ্ডার। কিন্তু বল দেখি আমি কি কোনদিন বলেছি যে ও কুৎসিত দেখতে ? এক দিনও বলিনি।

 টাকা নেই, পকেট ফাঁকা ফকির দি গ্রেট। কেরানির চাকরি করে, অপদার্থ একটা চুরিও করতে পারে না। ওর অফিসের বাকি সবাই টেবিলের নীচ দিয়ে ঘুষ খায় কিন্তু আমার ছাগলটা সেই ছাগলই রয়ে গেল। তাও কি আমি কোনও দিন কিছু বলেছি ওকে  বল? 

কেননা আমি না সততা খুব ভালবাসি।

কে জানে কোন এক এঁদো টাউনে বড় হয়েছে। কি শব্দ করে যে চা খায়, বাপরে বাপ! বিস্কুট খেলে মনে হয়, মাংসের হাড় চিবোচ্ছে। তাও আমায় কোনদিন কিছু অভিযোগ করতে শুনেছিস? ঘড় ঘড় শব্দ করে নাক ডাকে সারারাত। মনে হয়, দিই আধা লিটার কেরোসিন ঢেলে সব কিছু শেষ করে। কিন্তু করিনি তার একটাই কারণ, আমি ওকে খুব ভালবাসি। 

বুঝলি, আমার বর আমার সাক্ষাৎ দেবতা। সত্যিই বুঝতে পারি না, মহিলারা যে কি করে নির্লজ্জ ভাবে ওদের বরগুলোর নিন্দে করে! ছিঃ ছিঃ ছিঃ !!! নরকেও ওদের স্থান হবে না দেখিস।"

             ( সংগৃহিত )

      একটু হাসির জন্য:--

          <--আদ্যনাথ-->

===========================

7>দি গ্রেট  *তারাপদ রায়ের* এক দুই তিন::


*০১৷* এক ভদ্রমহিলা স্বামীর মৃত্যুর পর দেওরকে বিয়ে করেছেন। এক স্বল্প পরিচিত মানুষ এলেন সেই ভদ্রমহিলার বাড়ি। দেওয়ালে ভদ্রমহিলার মৃত স্বামীর ছবি দেখে জিজ্ঞেস করলেন, "ইনি কে?"

 ভদ্রমহিলার সবিনয় উত্তর

*"আমার ভাসুর।"*


*০২৷* নন্দীঃ প্রভু, আপনার আর দেবদাস-এর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

মহাদেবঃ *আমি পার্বতীর সাথে ঘর করছি বলে নেশা করি আর দেবদাস পার্বতীকে পায়নি বলে নেশা করে।*


*০৩৷* বাড়ির কুকুরকে  ট্রেনিং দিচ্ছিল স্ত্রী।

স্বামীঃ এভাবে  হবে না, পারবে না।

স্ত্রীঃ *চুপ করো, প্রথম প্রথম তুমিও কি শুনতে?*


***আমার ভাবনা-----

তারাপদ রায়ের এক দুই তিন

বাংলার ঘরে ঘরে প্রতিদিন।

মেনে নিতে পারলে খুবই ভাল

না মানতে পারলে তিন নম্বরটিতে

গভীর মনে মনযোগ দিন।

===========================

একটু হাসি::----


1>एकदम शिबलोक में नन्दीने बोले::-- 

प्रभु मै अभी तक समझने नेही पाये की आप और मर्त लोक के देबदास दोनों में फराक केंया हैं।

महादेब उत्तर दिये::--

मै इसलिए नशामें गंजा भांग खाते हैं किउंकि मै लाचार हूँ, हमको पार्वती की साथ घर करने पड़ते हैं।

और देबदास इसलिए दारू की निशामें बिभोर रहते हैं किउंकि उनको पार्वती नेही मिला।

                 "अनुवाद"

=======================


2>एक मोर्डन स्त्री उनकी प्यारेसे कुत्ता को ट्रेनिंग दे रहे थे तब उनकी हस्बेंट ने बोला नेही नेही ऐसे नेही हींग,

तब स्त्री ने बोली चुप चुप एकदम चुप रहो

तुमभी पोहेले पहेले बात नेही मानतेथे।

                     "अनुवाद"

=========================