Monday, March 25, 2019

17>||-ওঁ-কার तत्व चिंतन +11/6,,12/23|



17>||-ওঁ-কার =ऊँ= ||++(12/23++11/6)

<---©-আদ্যনাথ--->

""ওঁ অসতো মা সদ্গময়।
তমসো মা জ্যোতির্গময়।
মৃত্যোর্মামৃতং গময়।
আবিরাবীর্ম এধি।।
রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং,
তেন মাং পাহি নিত্যম্।''"


‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----

ওঁ-কার ত্র্যক্ষর,কারণ 
"ওঁ "শব্দ অ ,উ ,ম, তিনটি অক্ষর।

এহেন 
ত্র্যক্ষর ভাবতে বাধ্য করে কতো শক্তি লুকিয়ের আছে
এই "ওঁ " শব্দের অন্তরে।

"ওঁ" আমাদের ধর্মের প্রতীক
"ওঁ" এর অনেক মান্যতা ।
অসংখ শব্দ ও চিহ্নে থাকতে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ  তার কেন এত মান্যতা,
এই টুকুইতো ভাবনা।

‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র।
ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— 
সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য  
তিন দেবতার সৃষ্টি।
এঁরাই হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।

তাই ওঁ- অ, উ, ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।
অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।


ওঁ উচ্চারণে হয় শক্তির সৃষ্টি, সেই শক্তিতেই হয় শারীরিক ও মানসিক শক্তির বৃদ্ধি,
মনের একাগ্রতার হয় সৃষ্টি।
ওঁ বা ওঁ-কার বা ওঙ্কার, অ + উ +ম্।
‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ
         প্রারম্ভের প্রতীক বা সৃষ্টির সূচক।
‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক,
         বা স্থিতির সূচক।
‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ 
         লয়ের প্রতীক, বিনাশের সূচক।


আমাদের সাধক এবং তপস্বী গনের অনুভব
নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে  "ওঁ " এর উচ্চারণে
মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে।
এবং নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে
শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে
শরীর মন শুদ্ধ হয়।
সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়।
কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি
যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয়
সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।

 এই ধ্বনি উচ্চারনের
ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন
প্রভাবিত করে পরিবেশ প্রকৃতির।
ফলে সেই স্থানের
সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি
বা তাদ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের
কু প্রভাব নির্মূল হয়।

 "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন 
এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে
তা আমাদের কল্পনার অতীত। 
মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন 
তথা কম্পন,
শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে।
সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয়,
ভারতের অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনে ও
এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ 
জপ ও উপাসনাতে বিশেষ মহত্ব 
লাভ করেছে।

জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের 
বর্ননা পাওয়াযায়। 

শব্দই ব্রহ্ম।
সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।
সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে 
যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন
ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।


আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড 
সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি।
ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির 
লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন 
তথা কম্পনে উৎপন্ন হয়ে 
সমগ্র ব্রহ্মান্ডকে প্রভাবিত করেছিল,
সেই শব্দই "ওঁ " শব্দ।
শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজীবন।
তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই 
ওই "ওঁ " শব্দের চিৎকারে সকল কে 
জানিয়ে দেয় তার আগমনী বার্তা।
এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে 
তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,চলতে থাকে
নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে তাঁর অন্তরে বাহিরে 
প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ।

এই "ওঁ "শব্দ একটি মাত্র শব্দ 
যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়। 
এবং শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে 
চলতে থাকে এই "ওঁ "শব্দ ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি।
তপস্বী ,ধ্যানী ,যোগী গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি 
 শ্রবনে সক্ষম।

আমরা সাধারণ মানুষ 
এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা।
এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি সম্পন্ন ধ্বনি 
শ্রবণ করবার মত ক্ষমতা আমাদের 
সাধারণ মানুষের নাই
।।-©➽-ANRC----02/03/2017-----
||=========================|

||-ওঁ-কার তত্ত্ব চিন্তা ---||
<---©-আদ্যনাথ--->

‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----
"ওঁ"- নিয়ে করবো চিন্তা, সাধ্য কি আমার,
তবুও মণ চাইলো তাই লিখলাম একটু এবার।

ওঁ-কার ধর্মীয় চিহ্ন হলেও ব্যবহারিক জীবনে ওঁ-কারের প্রয়োগ আরও ব্যাপক।
প্রত্যেকটি মন্ত্র ওঁ-কার দিয়ে ই হয় শুরু।

খ্রিস্টধর্মের প্রতীক ক্রুশ ও বেল।
ক্রুশ হলো পবিত্রতার প্রতীক।
যার অর্থ মানবজাতির পরিত্রাণ।
বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি অতি পবিত্র।
এই ঘণ্টার আওয়জ যতদূর যায়
ততদূর পবিত্র থাকে।
এই ঘণ্টার শব্দের দ্বারা পরমপিতাকে
আহ্বান করা হয়।
এ জন্য গির্জায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজে।
এই ঘণ্টার মধুর আওয়াজ এর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর অনুরাগীদেরও আহ্বান করা হয়।

সনাতন ধর্মে দু’রকমের প্রতীক আছে,
শব্দ প্রতীক ও সাকার প্রতীক।
শব্দের মধ্য দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়।
ওঁ-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়,
কারণ ওঁ তিনটি মাত্রাযুক্ত ।

‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র। ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য তিন দেবতার সৃষ্টি করেছেন।
এঁরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।
তাই ওঁ- অ উ ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।


অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।

ওঁ উচ্চারণ করলে শারীরিক ও মানসিক শক্তির সৃষ্টি হয়। মনে একাগ্রতা আসে।

ওঁ বা ওঁ-কার (অপর বানানে ওঙ্কার)
সংস্কৃত, অ + উ +ম্।

‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক।
‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক। ‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক।


এটি হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।
” রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবার কথামতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন, যা একাধারে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযোজ্য। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী ওঁ-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, অমঙ্গল থেকে রক্ষাকর্তা, ভক্তবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা।
কারুর মতে ওঁ-কার সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।


পতঞ্জলির যোগসূত্র-এ ওঁ-কারকে ঈশ্বরের প্রতীক বলে বর্ণিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ওঁ-কারের স্মরণ ও উচ্চারণে সমাধি লাভ করা যায়।


মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও ওঁ-কার ব্যবহৃত হয়।


কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।
মুণ্ডক উপনিষদে ওঁ-কার অবলম্বনে ঈশ্বরোপাসনার কথা বলা হয়েছে।


শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, তিনি সকল
অক্ষরের মধ্যে ওঁ-কার।
গীতায় (৭ অধ্যায় /৮ নং শ্লোক) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
“আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের কিরণ, বেদের ওঁ(প্রণব), আকাশে শব্দ ও মানুষের মধ্য পুরুষত্ব রূপে বিরাজ করি।”


ওঁ-কারের বারংবার উচ্চারণে মানুষ তার পাশব প্রবৃত্তি জয় করতে সমর্থ হয়।


মৃত্যুকালে ওঁ-কারের উচ্চারণে
পরম সত্য লাভ হয়।


ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের
প্রতিনিধিস্বরূপ ও তাঁর শ্রেষ্ঠ নাম।বেদ, উপনিষদ, গীতা ও অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রে সর্বত্রই ওঁ-কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।


ওঁ-কার প্রণব,যার আক্ষরিক অর্থ, ‘যা উচ্চারণ করে স্তব করা হয়’।
প্রণব বা ত্র্যক্ষর হিন্দুধর্মেরপবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক।
এর অপর অর্থ, ‘যা চিরনূতন’।


রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে
‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ -প্রণব(ব্রহ্ম), তৎ-জীব, সৎ-জগৎ।
ব্রহ্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ বেদ।
জীবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ব্রহ্মজ্ঞ।
জগত কর্মময়।
কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ যজ্ঞ।
সুতরাং, “ওঁ তৎ সৎ” মন্ত্রে
বেদ, ব্রহ্মজ্ঞ ও যজ্ঞকে বোঝায়।
সেই কারনে সকল কাজের শুভ ফল লাভের জন্য কাজের শুরুতেই------
“ওঁ তৎ সৎ ”
উচ্চারণ করে শুরু করা উচিৎ।


ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।
নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব।
এই সক্রিয় ভাব হতেই সৃষ্টির বিকাশ।


ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে পার্থক্য কি?
পার্থক্য শুধু বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়।
ওঁ- কার বাংলায় এবং ঔঁ-কার সংস্কৃতিতে।
শ্রী শ্রী স্বামী স্বরুপানন্দ পরমহংসদেব বলেছেন- “ওঁ, ওম, ঔং, অউম, ঔঁ” এই পাঁচ প্রকার উচ্চারণের মধ্য বস্তুগত বা অর্থগত কোনো পার্থক্য নেই।


আমাদের সনাতন ধর্মে ওঁ-কার কে বলা হয় পবিত্রতা ও মঙ্গলতার প্রতীক। প্রণব বা ওঁ-কারই বেদের নির্যাস ও ব্রহ্মবস্তু।


ওঁ বা প্রণব হচ্ছে মন্ত্রের প্রাণ। পূজা বা ধ্যানের সময় মন্ত্র উচ্চারণে “প্রণব” না থাকলে মন্ত্রের ক্রিয়া হয় না, প্রাণশক্তি নেই বলে।


<---©-আদ্যনাথ--->
【--anrc--24/03/2019--】
【=রাত্রি:08:10:11=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】


=============================






|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||02/03/2017----------------------( N )




अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।


हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।




"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।




ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है।चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं।सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।
बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।


गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।


इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।


यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।


||-©➽-ANRC--02/03/2017-------------------||


||===========================||


||-ॐ-कार तत्व चिंतन -||
<---©-आद्यनाथ--->


ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


सृष्टि के प्रारम्भ में
सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही उत्पन्न हुआ।
इस ओं-कार प्रोकितिके पंचतत्व के साथ






============================
ओम् हिंदी में om
गुरुमुखी में 'एक ओंकार'








ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।


यह ईश्वर का वाचक है।


ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।


संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।


सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।


तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।


ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।






कठोपनिषद में लिखा है
आत्मा को अधर अरणि और ओंकार को उत्तर अरणि बनाकर मंथन रूप अभ्यास करने से दिव्य ज्ञानरूप ज्योति का आविर्भाव होता है।






श्रीमद्भगवद्गीता में भी ओंकार को एकाक्षर ब्रह्म कहा है।


मांडूक्योपनिषत् में भूत, भवत् या वर्तमान और भविष्य–त्रिकाल–ओंकारात्मक ही कहा गया है।


यहाँ त्रिकाल से अतीत तत्व भी ओंकार ही कहा गया है।


आत्मा अक्षर की दृष्टि से ओंकार है और मात्रा की दृष्टि से अ, उ और म रूप है।


चतुर्थ पाद में मात्रा नहीं है एवं वह व्यवहार से अतीत तथा प्रपंचशून्य अद्वैत है।


इसका अभिप्राय यह है कि ओंकारात्मक शब्द ब्रह्म और उससे अतीत परब्रह्म दोनों ही अभिन्न तत्व हैं।


वैदिक वाङमय के सदृश धर्मशास्त्र, पुराण तथा आगम साहित्य में भी ओंकार की महिमा सर्वत्र पाई जाती है।


इसी प्रकार बौद्ध तथा जैन संप्रदाय में भी सर्वत्र ओंकार के प्रति श्रद्धा की अभिव्यक्ति देखी जाती है।


प्रणव शब्द का अर्थ है– प्रकर्षेणनूयते स्तूयते अनेन इति, नौति स्तौति इति वा प्रणव:।


प्रणव का बोध कराने के लिए उसका विश्लेषण आवश्यक है।
यहाँ प्रसिद्ध आगमों की प्रक्रिया के अनुसार विश्लेषण क्रिया का कुछ दिग्दर्शन कराया के का है।


ओंकार के अवयवों का नाम है–अ, उ, म, बिन्दु, अर्धचंद्र रोधिनी, नाद, नादांत, शक्ति, व्यापिनी या महाशून्य, समना तथा उन्मना।


इनमें से अकार, उकार और मकार ये तीन सृष्टि, स्थिति और ‍ तथा दीर्घ मात्राओं का स्थितिकाल क्रमश: संक्षिप्त होकर अंत में एक मात्रा में पर्यवसित हो जाता है।
यह ह्रस्व स्वर का उच्चारण काल माना जाता है।


इसी एक मात्रा पर समग्र विश्व प्रतिष्ठित है।


विक्षिप्त भूमि से एकाग्र भूमि में पहुँचने पर प्रणव की इसी एक मात्रा में स्थिति होती है।


एकाग्र से निरोध अवस्था में जाने के लिए इस एम मात्रा का भी भेद कर अर्धमात्रा में प्रविष्ट हुआ जाता है।


तदुपरांत क्रमश: सूक्ष्म और सूक्ष्मतर मात्राओं का भेद करना पड़ता है।


बिन्दु अर्धमात्रा है।


उसके अनंतर प्रत्येक स्तर में मात्राओं का विभाग है।


समना भूमि में जाने के बाद मात्राएँ इतनी सूक्ष्म हो जाती हैं कि किसी योगी अथवा योगीश्वरों के लिए उसके आगे बढ़वा संभव नहीं होता, अर्थात् वहाँ की मात्रा वास्तव में अविभाज्य हो जाती है।


आचार्यो का उपदेश है कि इसी स्थान में मात्राओं को समर्पित कर अमात्र भूमि में प्रवेश करना चाहिए।


इसका थोड़ा सा आभास मांडूक्य उपनिषद् में मिलता है।


बिन्दु मन का ही रूप है। मात्राविभाग के साथ-साथ मन अधिकाधिक सूक्ष्म होता जाता है।


अमात्र भूमि में मन, काल, कलना, देवता और प्रपंच, ये कुछ भी नहीं रहते।


इसी को उन्मनी स्थिति कहते हैं।


वहाँ स्वयंप्रकाश ब्रह्म निरंतर प्रकाशमान रहता है।


योगी संप्रदाय में स्वच्छंद तंत्र के अनुसार ओंकारसाधना का एक क्रम प्रचलित है।


उसके अनुसार "अ" समग्र स्थूल जगत् का द्योतक है और उसके ऊपर स्थित कारणजगत् का वाचक है मकार।


कारण सलिल में विधृत, स्थूल आदि तीन जगतों के प्रतीक अ, उ और म हैं।


ऊर्ध्व गति के प्रभाव से शब्दमात्राओं का मकार में लय हो जाता है।


तदनंतर मात्रातीत की ओर गति होती है।


म पर्यत गति को अनुस्वार गति कहते हैं।


अनुस्वार की प्रतिष्ठा अर्धमात्रा में विसर्गरूप में होती है।


इतना होने पर मात्रातीत में जाने के लिए द्वार खुल जाता है।


वस्तुत: अमात्र की गति बिंदु से ही प्रारंभ हो जाती है।


तंत्र शास्त्र में इस प्रकार का मात्राविभाग नौ नादों की सूक्ष्म योगभूमियां के नाम से प्रसिद्ध है।


इस प्रसंग में यह स्मरणीय है कि बिंदु अशेष वेद्यों के अभेद ज्ञान का ही नाम है और नाद अशेष वाचकों के विमर्शन का नाम है।


इसका तात्पर्य यह है कि अ, उ और म प्रणव के इन तीन अवयवों का अतिक्रमण करने पर अर्थतत्व का अवश्य ही भेद हो जाता है।


उसका कारण यह है कि यहाँ योगी को सब पदार्थो के ज्ञान के लिए सर्वज्ञत्व प्राप्त हो जाता है एवं उसके बाद बिंदुभेद करने पर वह उस ज्ञान का भी अतिक्रमण कर लेता है।


अर्थ और ज्ञान इन दोनों के ऊपर केवल नाद ही अवशिष्ट रहता है एवं नाद की नादांत तक की गति में नाद का भी भेद हो जाता है।


उस समय केवल कला या शक्ति ही विद्यमान रहती है। जहाँ शक्ति या चित् शक्ति प्राप्त हो गई वहाँ ब्रह्म का प्रकाशमान होना स्वत: ही सिद्ध है।


इस प्रकार प्रणव के सूक्ष्म उच्चारण द्वारा विश्व का भेद होने पर विश्वातीत तक सत्ता की प्राप्ति हो जाती है।


स्वच्छंद तंत्र में यह दिखाया गया है कि ऊर्ध्व गति में किस प्रकार कारणों का परित्याग होते होते अखंड पूर्णतत्व में स्थिति हो जाती है।


"अ" ब्रह्मा का वाचक है; उच्चारण द्वारा हृदय में उसका त्याग होता है।


"उ" विष्णु का वाचक हैं; उसका त्याग कंठ में होता है तथा "म" रुद्र का वाचक है ओर उसका त्याग तालुमध्य में होता है।


इसी प्रणाली से ब्रह्मग्रंथि, विष्णुग्रंथि तथा रुद्रग्रंथि का छेदन हो जाता है।


तदनंतर बिंदु है, जो स्वयं ईश्वर रूप है अर्थात् बिंदु से क्रमश: ऊपर की ओर वाच्यवाचक का भेद नहीं रहता।


भ्रूमध्य में बिंदु का त्याग होता है।


नाद सदाशिवरूपी है।


ललाट से मूर्धा तक के स्थान में उसका त्याग करना पड़ता है।


यहाँ तक का अनुभव स्थूल है।


इसके आगे शक्ति का व्यापिनी तथा समना भूमियों में सूक्ष्म अनुभव होने लगता है।


इस भूमि के वाच्य शिव हैं, जो सदाशिव से ऊपर तथा परमशिव से नीचे रहते हैं।


मूर्धा के ऊपर स्पर्शनुभूति के अनंतर शक्ति का भी त्याग हो जाता है एवं उसके ऊपर व्यापिनी का भी त्याग हो जाता है।


उस समय केवल मनन मात्र रूप का अनुभव होता है। यह समना भूमि का परिचय है।


इसके बाद ही मनन का त्याग हो जाता है।


इसके उपरांत कुछ समय तक मन के अतीत विशुद्ध आत्मस्वरूप की झलक दीख पड़ती है।


इसके अनंतर ही परमानुग्रहप्राप्त योगी का उन्मना शक्ति में प्रवेश होता है।


इसी को परमपद या परमशिव की प्राप्ति समझना चाहिए और इसी को एक प्रकार से उन्मना का त्याग भी माना जा सकता है।


इस प्रकार ब्रह्मा से शिवपर्यन्त छह कारणों का उल्लंघन हो जाने पर अखंड परिपूर्ण सत्ता में स्थिति हो जाती है।






गुरु नानक जी का शब्द एक ओंकार सतनाम बहुत प्रचलित तथा शत्प्रतिशत सत्य है।


एक ओंकार ही सत्य नाम है।


राम, कृष्ण सब फलदायी नाम ओंकार पर निहित हैं तथा ओंकार के कारण ही इनका महत्व है।


बाँकी नामों को तो हमने बनाया है परंतु ओंकार ही है जो स्वयंभू है तथा हर शब्द इससे ही बना है।


हर ध्वनि में ओउ्म शब्द होता है।






ओउ्म तीन शब्द 'अ' 'उ' 'म' से मिलकर बना है जो त्रिदेव ब्रह्मा, विष्णु और महेश तथा त्रिलोक भूर्भुव: स्व: भूलोक भुव: लोक तथा स्वर्ग लोक का प्रतीक है।






पद्माशन में बैठ कर इसका जप करने से मन को शांति तथा एकाग्रता की प्राप्ति होती है, वैज्ञानिकों तथा ज्योतिषियों को कहना है कि ओउ्म तथा एकाक्षरी मंत्र


का पाठ करने में दाँत, नाक, जीभ सब का उपयोग होता है जिससे हार्मोनल स्राव कम होता है तथा ग्रंथि स्राव को कम करके यह शब्द कई बीमारियों से रक्षा तथा शरीर के सात चक्र (कुंडलिनी) को जागृत करता है।


तस्य वाचकः प्रणवःउस ईश्वर का वाचक प्रणव 'ॐ' है।


अक्षरका अर्थ जिसका कभी क्षरण न हो।


ऐसे तीन अक्षरों— अ उ और म से मिलकर बना है ॐ।


माना जाता है कि सम्पूर्ण ब्रह्माण्डसे सदा ॐ की ध्वनी निसृत होती रहती है।


हमारी और आपके हर श्वास से ॐ की ही ध्वनि निकलती है।


यही हमारे-आपके श्वास की गति को नियंत्रित करता है।


माना गया है कि अत्यन्त पवित्र और शक्तिशाली है ॐ।


किसी भी मंत्र से पहले यदि ॐ जोड़ दिया जाए तो वह पूर्णतया शुद्ध और शक्ति-सम्पन्न हो जाता है।


किसी देवी-देवता, ग्रह या ईश्वर के मंत्रों के पहले ॐ लगाना आवश्यक होता है,






कहा जाता है कि ॐ से रहित कोई मंत्र फलदायी नहीं होता,


चाहे उसका कितना भी जाप हो।


मंत्र के रूप में मात्र ॐ भी पर्याप्त है।


माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।


ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।


"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।


इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।


ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।




ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।


मात्र ॐ का जप कर कई साधकों ने अपने उद्देश्य की प्राप्ति कर ली।


कोशीतकी ऋषि निस्संतान थे, संतान प्राप्तिके लिए उन्होंने सूर्यका ध्यान कर ॐ का जाप किया तो उन्हे पुत्र प्राप्ति हो गई।


गोपथ ब्राह्मण ग्रन्थ में उल्लेख है कि जो "कुश" के आसन पर पूर्व की ओर मुख कर एक हज़ार बार ॐ रूपी मंत्र का जाप करता है, उसके सब कार्य सिद्ध हो जाते हैं।


श्रीमद्मागवत् में ॐ के महत्व को कई बार रेखांकित किया गया है।


श्री गीता जी के आठवें अध्याय में उल्लेख मिलता है कि जो ॐ अक्षर रूपी ब्रह्म का उच्चारण करता हुआ शरीर त्याग करता है, वह परम गति प्राप्त करता है।


ॐ अर्थात् ओउम् तीन अक्षरों से बना है, जो सर्व विदित है।


अ उ म्।


"अ" का अर्थ है आर्विभाव या उत्पन्न होना,
"उ" का तात्पर्य है उठना, उड़ना अर्थात् विकास, "म" का मतलब है मौन हो जाना अर्थात् "ब्रह्मलीन" हो जाना।


ॐ सम्पूर्ण ब्रह्माण्ड की उत्पत्ति और पूरी सृष्टि का द्योतक है।


ॐ में प्रयुक्त "अ" तो सृष्टि के जन्म की ओर इंगित करता है, वहीं "उ" उड़ने का अर्थ देता है, जिसका मतलब है "ऊर्जा" सम्पन्न होना।


शं किसी ऊर्जावान मंदिर या तीर्थस्थल जाने पर वहाँ की अगाध ऊर्जा ग्रहण करने के बाद व्यक्ति स्वप्न में स्वयं को आकाश में उड़ता हुआ देखता है।


मौन का महत्व ज्ञानियों ने बताया ही है। अंग्रजी में एक उक्ति है — "साइलेंस इज़ सिल्वर ऍण्ड ऍब्सल्यूट साइलेंस इज़ गोल्ड"।


श्री गीता जी में परमेश्वर श्रीकृष्ण ने मौन के महत्व को प्रतिपादित करते हुए स्वयं को मौनका ही पर्याय बताया है —


"ध्यान बिन्दुपनिषद्" के अनुसार ॐ मन्त्र की विशेषता यह है कि पवित्र या अपवित्र सभी स्थितियों में जो इसका जप करता है, उसे लक्ष्य की प्राप्ति अवश्य होती है। जिस तरह कमल-पत्र पर जल नहीं ठहरता है, ठीक उसी तरह जप-कर्ता पर कोई कलुष नहीं लगता।


अर्थातः- ॐ ही ब्रह्म है।
ॐ ही यह प्रत्यक्ष जगत् है।
ॐ ही इसकी (जगत की) अनुकृति है।
हे आचार्य! ॐ के विषय में और भी सुनाएँ।
आचार्य सुनाते हैं।
ॐ से प्रारम्भ करके साम गायक सामगान करते हैं। ॐ-ॐ कहते हुए ही शस्त्र रूप मन्त्र पढ़े जाते हैं।
ॐ से ही अध्वर्यु प्रतिगर मन्त्रों का उच्चारण करता है।
ॐ कहकर ही अग्निहोत्र प्रारम्भ किया जाता है।


अध्ययन के समय ब्राह्मण ॐ कहकर ही ब्रह्म को प्राप्त करने की बात करता है।


ॐ के द्वारा ही वह ब्रह्म को प्राप्त करता है।
, समस्त तपों को जिसकी प्राप्ति के साधक कहते हैं


, जिसकी इक्षा से (मुमुक्षुजन) ब्रह्मचर्य का पालन करते है,


उस पद को मैं तुमसे संक्षेप में कहता हूँ।


ॐ यही वह पद है।




अर्थातः- साधक ऋग्वेद द्वारा इस लोक को,


यजुर्वेद द्वारा आन्तरिक्ष को


और सामवेद द्वारा उस लोक को प्राप्त होता है


जिसे विद्वजन जानते हैं।


तथा उस ओंंकाररूप आलम्बन के द्वारा ही विद्वान् उस लोक को प्राप्त होता है जो शान्त, अजर, अमर, अभय एवं सबसे पर (श्रेष्ठ) है।




अर्थातः- प्रणव धनुषहै, (सोपाधिक) आत्मा बाण है और ब्रह्म उसका लक्ष्य कहा जाता है।


उसका सावधानी पूर्वक बेधन करना चाहिए और बाण के समान तन्मय हो जाना चाहिए




अर्थातः-ॐ यह अक्षर ही सब कुछ है।


यह जो कुछ भूत, भविष्यत् और वर्तमान है उसी की व्याख्या है;


इसलिये यह सब ओंकार ही है।


इसके सिवा जो अन्य त्रिकालातीत वस्तु है वह भी ओंकार ही है।


वह यह आत्मा ही अक्षर दृष्टि से ओंंकार है;


वह मात्राओं का विषय करके स्थित है।


पाद ही मात्रा है और मात्रा ही पाद है; वे मात्रा अकार, उकार और मकार हैं।


सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ॐ को महत्व प्राप्त है।


बौद्ध-दर्शन में "मणिपद्मेहुम" का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है।


इस मंत्र के अनुसार ॐ को "मणिपुर" चक्र में अवस्थित माना जाता है।


यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है।


जैन दर्शन में भी ॐ के महत्व को दर्शाया गया है।


महात्मा कबीर र्निगुण सन्त एवं कवि थे।


उन्होंने भी ॐ के महत्व को स्वीकारा और इस पर "साखियाँ" भी लि




ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


==========================
















||-ওঁ-কার =ऊँ= ||


<---©-আদ্যনাথ--->


""ওঁ অসতো মা সদ্গময়।
তমসো মা জ্যোতির্গময়।
মৃত্যোর্মামৃতং গময়।
আবিরাবীর্ম এধি।।
রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং,
তেন মাং পাহি নিত্যম্।''"


‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----


ওঁ-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়,
কারণ "ওঁ "শব্দ তিনটি অক্ষর অ ,উ ,ম,
মিলিত শব্দ।
যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে
কতো শক্তি লুকিয়ের আছে
এই "ওঁ " শব্দের অন্তরে।


"ওঁ" আমাদের ধর্মের প্রতীক
"ওঁ" এর মান্যতা অনেক।
অসংখ শব্দ ও চিহ্নে থাকতে
কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ
তার কেন এত মান্যতা।


‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র।
ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য তিন দেবতার সৃষ্টি করেছেন।
এঁরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।


তাই ওঁ- অ, উ, ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।
অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।


ওঁ উচ্চারণে হয় শক্তির সৃষ্টি,
সেই শক্তিতেই হয়
শারীরিক ও মানসিক শক্তির বৃদ্ধি,
মনের একাগ্রতার হয় সৃষ্টি।
ওঁ বা ওঁ-কার বা ওঙ্কার,
অ + উ +ম্।
‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।


‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ
প্রারম্ভের প্রতীক বা সৃষ্টির সূচক।


‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক,
বা স্থিতির সূচক।


‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের
প্রতীক, বিনাশের সূচক।


একটু দেখা যাক এই ওম উচ্চারনে কি পরিবর্তন হয়।


আমাদের সাধক গন এবং তপস্বী গনের অনুভব
নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে
"ওঁ " এর উচ্চারণে
মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে।
এবং নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে
শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে
শরীর মন শুদ্ধ হয়।
সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়।
কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি
যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয়
সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।


কারণ এই ধ্বনি উচ্চারনের
ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন
প্রভাবিত করে পরিবেশ প্রকৃতির।
ফলে সেই স্থানের
সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি
বা তাদ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের
কু প্রভাব নির্মূল হয়।


কারণ "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে
তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন
শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে।
সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয়
ভারতের অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনে ও
এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।


বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ জপ ও উপাসনাতে বিশেষ ভাবে মহত্ব লাভ করেছে।


জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।
শব্দই ব্রহ্ম।
সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।
সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন
ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।


আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি।
ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন তথা কম্পনে
উৎপন্ন হয়ে সমগ্র ব্রহ্মান্ডকে প্রভাবিত করেছিল,
সেই শব্দই "ওঁ " শব্দ।
শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।


সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজীবন।
তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই ওই "ওঁ " শব্দের চিৎকারে সকল কে জানিয়ে দেয় তার আগমনী বার্তা।
এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,চলতে থাকে
নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে তাঁর অন্তরে বাহিরে প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ।


এই "ওঁ "শব্দ একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়ে শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে।
এই "ওঁ "শব্দ ই ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি।
তপস্বী ,ধ্যানী ,যোগী গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবনে সক্ষম।


আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা।
কারণ এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি
সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের নাই


।।-©➽-ANRC----02/03/2017-----


||=========================|


||-ওঁ-কার তত্ত্ব চিন্তা ---||
<---©-আদ্যনাথ--->


‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----
"ওঁ"- নিয়ে করবো চিন্তা, সাধ্য কি আমার,
তবুও মণ চাইলো তাই লিখলাম একটু এবার।


ওঁ-কার ধর্মীয় চিহ্ন হলেও ব্যবহারিক জীবনে ওঁ-কারের প্রয়োগ আরও ব্যাপক।
প্রত্যেকটি মন্ত্র ওঁ-কার দিয়ে ই হয় শুরু।


খ্রিস্টধর্মের প্রতীক ক্রুশ ও বেল।
ক্রুশ হলো পবিত্রতার প্রতীক।
যার অর্থ মানবজাতির পরিত্রাণ।
বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি অতি পবিত্র।
এই ঘণ্টার আওয়জ যতদূর যায়
ততদূর পবিত্র থাকে।
এই ঘণ্টার শব্দের দ্বারা পরমপিতাকে
আহ্বান করা হয়।
এ জন্য গির্জায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজে।
এই ঘণ্টার মধুর আওয়াজ এর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর অনুরাগীদেরও আহ্বান করা হয়।


সনাতন ধর্মে দু’রকমের প্রতীক আছে,
শব্দ প্রতীক ও সাকার প্রতীক।
শব্দের মধ্য দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়।
ওঁ-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়,
কারণ ওঁ তিনটি মাত্রাযুক্ত ।


‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র। ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য তিন দেবতার সৃষ্টি করেছেন।
এঁরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।
তাই ওঁ- অ উ ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।


অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।


ওঁ উচ্চারণ করলে শারীরিক ও মানসিক শক্তির সৃষ্টি হয়। মনে একাগ্রতা আসে।


ওঁ বা ওঁ-কার (অপর বানানে ওঙ্কার)
সংস্কৃত, অ + উ +ম্।


‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক।
‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক। ‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক।


এটি হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।
” রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবার কথামতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন, যা একাধারে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযোজ্য। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী ওঁ-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, অমঙ্গল থেকে রক্ষাকর্তা, ভক্তবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা।
কারুর মতে ওঁ-কার সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।


পতঞ্জলির যোগসূত্র-এ ওঁ-কারকে ঈশ্বরের প্রতীক বলে বর্ণিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ওঁ-কারের স্মরণ ও উচ্চারণে সমাধি লাভ করা যায়।


মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও ওঁ-কার ব্যবহৃত হয়।


কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।
মুণ্ডক উপনিষদে ওঁ-কার অবলম্বনে ঈশ্বরোপাসনার কথা বলা হয়েছে।


শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, তিনি সকল
অক্ষরের মধ্যে ওঁ-কার।
গীতায় (৭ অধ্যায় /৮ নং শ্লোক) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
“আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের কিরণ, বেদের ওঁ(প্রণব), আকাশে শব্দ ও মানুষের মধ্য পুরুষত্ব রূপে বিরাজ করি।”


ওঁ-কারের বারংবার উচ্চারণে মানুষ তার পাশব প্রবৃত্তি জয় করতে সমর্থ হয়।


মৃত্যুকালে ওঁ-কারের উচ্চারণে
পরম সত্য লাভ হয়।


ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের
প্রতিনিধিস্বরূপ ও তাঁর শ্রেষ্ঠ নাম।বেদ, উপনিষদ, গীতা ও অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রে সর্বত্রই ওঁ-কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।


ওঁ-কার প্রণব,যার আক্ষরিক অর্থ, ‘যা উচ্চারণ করে স্তব করা হয়’।
প্রণব বা ত্র্যক্ষর হিন্দুধর্মেরপবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক।
এর অপর অর্থ, ‘যা চিরনূতন’।


রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে
‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ -প্রণব(ব্রহ্ম), তৎ-জীব, সৎ-জগৎ।
ব্রহ্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ বেদ।
জীবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ব্রহ্মজ্ঞ।
জগত কর্মময়।
কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ যজ্ঞ।
সুতরাং, “ওঁ তৎ সৎ” মন্ত্রে
বেদ, ব্রহ্মজ্ঞ ও যজ্ঞকে বোঝায়।
সেই কারনে সকল কাজের শুভ ফল লাভের জন্য কাজের শুরুতেই------
“ওঁ তৎ সৎ ”
উচ্চারণ করে শুরু করা উচিৎ।


ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।
নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব।
এই সক্রিয় ভাব হতেই সৃষ্টির বিকাশ।


ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে পার্থক্য কি?
পার্থক্য শুধু বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়।
ওঁ- কার বাংলায় এবং ঔঁ-কার সংস্কৃতিতে।
শ্রী শ্রী স্বামী স্বরুপানন্দ পরমহংসদেব বলেছেন- “ওঁ, ওম, ঔং, অউম, ঔঁ” এই পাঁচ প্রকার উচ্চারণের মধ্য বস্তুগত বা অর্থগত কোনো পার্থক্য নেই।


আমাদের সনাতন ধর্মে ওঁ-কার কে বলা হয় পবিত্রতা ও মঙ্গলতার প্রতীক। প্রণব বা ওঁ-কারই বেদের নির্যাস ও ব্রহ্মবস্তু।


ওঁ বা প্রণব হচ্ছে মন্ত্রের প্রাণ। পূজা বা ধ্যানের সময় মন্ত্র উচ্চারণে “প্রণব” না থাকলে মন্ত্রের ক্রিয়া হয় না, প্রাণশক্তি নেই বলে।


<---©-আদ্যনাথ--->
【--anrc--24/03/2019--】
【=রাত্রি:08:10:11=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】


=============================






|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||02/03/2017----------------------( N )




अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।


हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।




"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।




ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है।चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं।सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।
बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।


गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।


इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।


यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।


||-©➽-ANRC--02/03/2017-------------------||


||===========================||


||-ॐ-कार तत्व चिंतन -||
<---©-आद्यनाथ--->


ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


सृष्टि के प्रारम्भ में
सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही उत्पन्न हुआ।
इस ओं-कार प्रोकितिके पंचतत्व के साथ






============================
ओम् हिंदी में om
गुरुमुखी में 'एक ओंकार'








ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।


यह ईश्वर का वाचक है।


ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।


संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।


सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।


तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।


ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।






कठोपनिषद में लिखा है
आत्मा को अधर अरणि और ओंकार को उत्तर अरणि बनाकर मंथन रूप अभ्यास करने से दिव्य ज्ञानरूप ज्योति का आविर्भाव होता है।






श्रीमद्भगवद्गीता में भी ओंकार को एकाक्षर ब्रह्म कहा है।


मांडूक्योपनिषत् में भूत, भवत् या वर्तमान और भविष्य–त्रिकाल–ओंकारात्मक ही कहा गया है।


यहाँ त्रिकाल से अतीत तत्व भी ओंकार ही कहा गया है।


आत्मा अक्षर की दृष्टि से ओंकार है और मात्रा की दृष्टि से अ, उ और म रूप है।


चतुर्थ पाद में मात्रा नहीं है एवं वह व्यवहार से अतीत तथा प्रपंचशून्य अद्वैत है।


इसका अभिप्राय यह है कि ओंकारात्मक शब्द ब्रह्म और उससे अतीत परब्रह्म दोनों ही अभिन्न तत्व हैं।


वैदिक वाङमय के सदृश धर्मशास्त्र, पुराण तथा आगम साहित्य में भी ओंकार की महिमा सर्वत्र पाई जाती है।


इसी प्रकार बौद्ध तथा जैन संप्रदाय में भी सर्वत्र ओंकार के प्रति श्रद्धा की अभिव्यक्ति देखी जाती है।


प्रणव शब्द का अर्थ है– प्रकर्षेणनूयते स्तूयते अनेन इति, नौति स्तौति इति वा प्रणव:।


प्रणव का बोध कराने के लिए उसका विश्लेषण आवश्यक है।
यहाँ प्रसिद्ध आगमों की प्रक्रिया के अनुसार विश्लेषण क्रिया का कुछ दिग्दर्शन कराया के का है।


ओंकार के अवयवों का नाम है–अ, उ, म, बिन्दु, अर्धचंद्र रोधिनी, नाद, नादांत, शक्ति, व्यापिनी या महाशून्य, समना तथा उन्मना।


इनमें से अकार, उकार और मकार ये तीन सृष्टि, स्थिति और ‍ तथा दीर्घ मात्राओं का स्थितिकाल क्रमश: संक्षिप्त होकर अंत में एक मात्रा में पर्यवसित हो जाता है।
यह ह्रस्व स्वर का उच्चारण काल माना जाता है।


इसी एक मात्रा पर समग्र विश्व प्रतिष्ठित है।


विक्षिप्त भूमि से एकाग्र भूमि में पहुँचने पर प्रणव की इसी एक मात्रा में स्थिति होती है।


एकाग्र से निरोध अवस्था में जाने के लिए इस एम मात्रा का भी भेद कर अर्धमात्रा में प्रविष्ट हुआ जाता है।


तदुपरांत क्रमश: सूक्ष्म और सूक्ष्मतर मात्राओं का भेद करना पड़ता है।


बिन्दु अर्धमात्रा है।


उसके अनंतर प्रत्येक स्तर में मात्राओं का विभाग है।


समना भूमि में जाने के बाद मात्राएँ इतनी सूक्ष्म हो जाती हैं कि किसी योगी अथवा योगीश्वरों के लिए उसके आगे बढ़वा संभव नहीं होता, अर्थात् वहाँ की मात्रा वास्तव में अविभाज्य हो जाती है।


आचार्यो का उपदेश है कि इसी स्थान में मात्राओं को समर्पित कर अमात्र भूमि में प्रवेश करना चाहिए।


इसका थोड़ा सा आभास मांडूक्य उपनिषद् में मिलता है।


बिन्दु मन का ही रूप है। मात्राविभाग के साथ-साथ मन अधिकाधिक सूक्ष्म होता जाता है।


अमात्र भूमि में मन, काल, कलना, देवता और प्रपंच, ये कुछ भी नहीं रहते।


इसी को उन्मनी स्थिति कहते हैं।


वहाँ स्वयंप्रकाश ब्रह्म निरंतर प्रकाशमान रहता है।


योगी संप्रदाय में स्वच्छंद तंत्र के अनुसार ओंकारसाधना का एक क्रम प्रचलित है।


उसके अनुसार "अ" समग्र स्थूल जगत् का द्योतक है और उसके ऊपर स्थित कारणजगत् का वाचक है मकार।


कारण सलिल में विधृत, स्थूल आदि तीन जगतों के प्रतीक अ, उ और म हैं।


ऊर्ध्व गति के प्रभाव से शब्दमात्राओं का मकार में लय हो जाता है।


तदनंतर मात्रातीत की ओर गति होती है।


म पर्यत गति को अनुस्वार गति कहते हैं।


अनुस्वार की प्रतिष्ठा अर्धमात्रा में विसर्गरूप में होती है।


इतना होने पर मात्रातीत में जाने के लिए द्वार खुल जाता है।


वस्तुत: अमात्र की गति बिंदु से ही प्रारंभ हो जाती है।


तंत्र शास्त्र में इस प्रकार का मात्राविभाग नौ नादों की सूक्ष्म योगभूमियां के नाम से प्रसिद्ध है।


इस प्रसंग में यह स्मरणीय है कि बिंदु अशेष वेद्यों के अभेद ज्ञान का ही नाम है और नाद अशेष वाचकों के विमर्शन का नाम है।


इसका तात्पर्य यह है कि अ, उ और म प्रणव के इन तीन अवयवों का अतिक्रमण करने पर अर्थतत्व का अवश्य ही भेद हो जाता है।


उसका कारण यह है कि यहाँ योगी को सब पदार्थो के ज्ञान के लिए सर्वज्ञत्व प्राप्त हो जाता है एवं उसके बाद बिंदुभेद करने पर वह उस ज्ञान का भी अतिक्रमण कर लेता है।


अर्थ और ज्ञान इन दोनों के ऊपर केवल नाद ही अवशिष्ट रहता है एवं नाद की नादांत तक की गति में नाद का भी भेद हो जाता है।


उस समय केवल कला या शक्ति ही विद्यमान रहती है। जहाँ शक्ति या चित् शक्ति प्राप्त हो गई वहाँ ब्रह्म का प्रकाशमान होना स्वत: ही सिद्ध है।


इस प्रकार प्रणव के सूक्ष्म उच्चारण द्वारा विश्व का भेद होने पर विश्वातीत तक सत्ता की प्राप्ति हो जाती है।


स्वच्छंद तंत्र में यह दिखाया गया है कि ऊर्ध्व गति में किस प्रकार कारणों का परित्याग होते होते अखंड पूर्णतत्व में स्थिति हो जाती है।


"अ" ब्रह्मा का वाचक है; उच्चारण द्वारा हृदय में उसका त्याग होता है।


"उ" विष्णु का वाचक हैं; उसका त्याग कंठ में होता है तथा "म" रुद्र का वाचक है ओर उसका त्याग तालुमध्य में होता है।


इसी प्रणाली से ब्रह्मग्रंथि, विष्णुग्रंथि तथा रुद्रग्रंथि का छेदन हो जाता है।


तदनंतर बिंदु है, जो स्वयं ईश्वर रूप है अर्थात् बिंदु से क्रमश: ऊपर की ओर वाच्यवाचक का भेद नहीं रहता।


भ्रूमध्य में बिंदु का त्याग होता है।


नाद सदाशिवरूपी है।


ललाट से मूर्धा तक के स्थान में उसका त्याग करना पड़ता है।


यहाँ तक का अनुभव स्थूल है।


इसके आगे शक्ति का व्यापिनी तथा समना भूमियों में सूक्ष्म अनुभव होने लगता है।


इस भूमि के वाच्य शिव हैं, जो सदाशिव से ऊपर तथा परमशिव से नीचे रहते हैं।


मूर्धा के ऊपर स्पर्शनुभूति के अनंतर शक्ति का भी त्याग हो जाता है एवं उसके ऊपर व्यापिनी का भी त्याग हो जाता है।


उस समय केवल मनन मात्र रूप का अनुभव होता है। यह समना भूमि का परिचय है।


इसके बाद ही मनन का त्याग हो जाता है।


इसके उपरांत कुछ समय तक मन के अतीत विशुद्ध आत्मस्वरूप की झलक दीख पड़ती है।


इसके अनंतर ही परमानुग्रहप्राप्त योगी का उन्मना शक्ति में प्रवेश होता है।


इसी को परमपद या परमशिव की प्राप्ति समझना चाहिए और इसी को एक प्रकार से उन्मना का त्याग भी माना जा सकता है।


इस प्रकार ब्रह्मा से शिवपर्यन्त छह कारणों का उल्लंघन हो जाने पर अखंड परिपूर्ण सत्ता में स्थिति हो जाती है।






गुरु नानक जी का शब्द एक ओंकार सतनाम बहुत प्रचलित तथा शत्प्रतिशत सत्य है।


एक ओंकार ही सत्य नाम है।


राम, कृष्ण सब फलदायी नाम ओंकार पर निहित हैं तथा ओंकार के कारण ही इनका महत्व है।


बाँकी नामों को तो हमने बनाया है परंतु ओंकार ही है जो स्वयंभू है तथा हर शब्द इससे ही बना है।


हर ध्वनि में ओउ्म शब्द होता है।






ओउ्म तीन शब्द 'अ' 'उ' 'म' से मिलकर बना है जो त्रिदेव ब्रह्मा, विष्णु और महेश तथा त्रिलोक भूर्भुव: स्व: भूलोक भुव: लोक तथा स्वर्ग लोक का प्रतीक है।






पद्माशन में बैठ कर इसका जप करने से मन को शांति तथा एकाग्रता की प्राप्ति होती है, वैज्ञानिकों तथा ज्योतिषियों को कहना है कि ओउ्म तथा एकाक्षरी मंत्र


का पाठ करने में दाँत, नाक, जीभ सब का उपयोग होता है जिससे हार्मोनल स्राव कम होता है तथा ग्रंथि स्राव को कम करके यह शब्द कई बीमारियों से रक्षा तथा शरीर के सात चक्र (कुंडलिनी) को जागृत करता है।


तस्य वाचकः प्रणवःउस ईश्वर का वाचक प्रणव 'ॐ' है।


अक्षरका अर्थ जिसका कभी क्षरण न हो।


ऐसे तीन अक्षरों— अ उ और म से मिलकर बना है ॐ।


माना जाता है कि सम्पूर्ण ब्रह्माण्डसे सदा ॐ की ध्वनी निसृत होती रहती है।


हमारी और आपके हर श्वास से ॐ की ही ध्वनि निकलती है।


यही हमारे-आपके श्वास की गति को नियंत्रित करता है।


माना गया है कि अत्यन्त पवित्र और शक्तिशाली है ॐ।


किसी भी मंत्र से पहले यदि ॐ जोड़ दिया जाए तो वह पूर्णतया शुद्ध और शक्ति-सम्पन्न हो जाता है।


किसी देवी-देवता, ग्रह या ईश्वर के मंत्रों के पहले ॐ लगाना आवश्यक होता है,






कहा जाता है कि ॐ से रहित कोई मंत्र फलदायी नहीं होता,


चाहे उसका कितना भी जाप हो।


मंत्र के रूप में मात्र ॐ भी पर्याप्त है।


माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।


ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।


"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।


इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।


ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।




ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।


मात्र ॐ का जप कर कई साधकों ने अपने उद्देश्य की प्राप्ति कर ली।


कोशीतकी ऋषि निस्संतान थे, संतान प्राप्तिके लिए उन्होंने सूर्यका ध्यान कर ॐ का जाप किया तो उन्हे पुत्र प्राप्ति हो गई।


गोपथ ब्राह्मण ग्रन्थ में उल्लेख है कि जो "कुश" के आसन पर पूर्व की ओर मुख कर एक हज़ार बार ॐ रूपी मंत्र का जाप करता है, उसके सब कार्य सिद्ध हो जाते हैं।


श्रीमद्मागवत् में ॐ के महत्व को कई बार रेखांकित किया गया है।


श्री गीता जी के आठवें अध्याय में उल्लेख मिलता है कि जो ॐ अक्षर रूपी ब्रह्म का उच्चारण करता हुआ शरीर त्याग करता है, वह परम गति प्राप्त करता है।


ॐ अर्थात् ओउम् तीन अक्षरों से बना है, जो सर्व विदित है।


अ उ म्।


"अ" का अर्थ है आर्विभाव या उत्पन्न होना,
"उ" का तात्पर्य है उठना, उड़ना अर्थात् विकास, "म" का मतलब है मौन हो जाना अर्थात् "ब्रह्मलीन" हो जाना।


ॐ सम्पूर्ण ब्रह्माण्ड की उत्पत्ति और पूरी सृष्टि का द्योतक है।


ॐ में प्रयुक्त "अ" तो सृष्टि के जन्म की ओर इंगित करता है, वहीं "उ" उड़ने का अर्थ देता है, जिसका मतलब है "ऊर्जा" सम्पन्न होना।


शं किसी ऊर्जावान मंदिर या तीर्थस्थल जाने पर वहाँ की अगाध ऊर्जा ग्रहण करने के बाद व्यक्ति स्वप्न में स्वयं को आकाश में उड़ता हुआ देखता है।


मौन का महत्व ज्ञानियों ने बताया ही है। अंग्रजी में एक उक्ति है — "साइलेंस इज़ सिल्वर ऍण्ड ऍब्सल्यूट साइलेंस इज़ गोल्ड"।


श्री गीता जी में परमेश्वर श्रीकृष्ण ने मौन के महत्व को प्रतिपादित करते हुए स्वयं को मौनका ही पर्याय बताया है —


"ध्यान बिन्दुपनिषद्" के अनुसार ॐ मन्त्र की विशेषता यह है कि पवित्र या अपवित्र सभी स्थितियों में जो इसका जप करता है, उसे लक्ष्य की प्राप्ति अवश्य होती है। जिस तरह कमल-पत्र पर जल नहीं ठहरता है, ठीक उसी तरह जप-कर्ता पर कोई कलुष नहीं लगता।


अर्थातः- ॐ ही ब्रह्म है।
ॐ ही यह प्रत्यक्ष जगत् है।
ॐ ही इसकी (जगत की) अनुकृति है।
हे आचार्य! ॐ के विषय में और भी सुनाएँ।
आचार्य सुनाते हैं।
ॐ से प्रारम्भ करके साम गायक सामगान करते हैं। ॐ-ॐ कहते हुए ही शस्त्र रूप मन्त्र पढ़े जाते हैं।
ॐ से ही अध्वर्यु प्रतिगर मन्त्रों का उच्चारण करता है।
ॐ कहकर ही अग्निहोत्र प्रारम्भ किया जाता है।


अध्ययन के समय ब्राह्मण ॐ कहकर ही ब्रह्म को प्राप्त करने की बात करता है।


ॐ के द्वारा ही वह ब्रह्म को प्राप्त करता है।
, समस्त तपों को जिसकी प्राप्ति के साधक कहते हैं


, जिसकी इक्षा से (मुमुक्षुजन) ब्रह्मचर्य का पालन करते है,


उस पद को मैं तुमसे संक्षेप में कहता हूँ।


ॐ यही वह पद है।




अर्थातः- साधक ऋग्वेद द्वारा इस लोक को,


यजुर्वेद द्वारा आन्तरिक्ष को


और सामवेद द्वारा उस लोक को प्राप्त होता है


जिसे विद्वजन जानते हैं।


तथा उस ओंंकाररूप आलम्बन के द्वारा ही विद्वान् उस लोक को प्राप्त होता है जो शान्त, अजर, अमर, अभय एवं सबसे पर (श्रेष्ठ) है।




अर्थातः- प्रणव धनुषहै, (सोपाधिक) आत्मा बाण है और ब्रह्म उसका लक्ष्य कहा जाता है।


उसका सावधानी पूर्वक बेधन करना चाहिए और बाण के समान तन्मय हो जाना चाहिए




अर्थातः-ॐ यह अक्षर ही सब कुछ है।


यह जो कुछ भूत, भविष्यत् और वर्तमान है उसी की व्याख्या है;


इसलिये यह सब ओंकार ही है।


इसके सिवा जो अन्य त्रिकालातीत वस्तु है वह भी ओंकार ही है।


वह यह आत्मा ही अक्षर दृष्टि से ओंंकार है;


वह मात्राओं का विषय करके स्थित है।


पाद ही मात्रा है और मात्रा ही पाद है; वे मात्रा अकार, उकार और मकार हैं।


सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ॐ को महत्व प्राप्त है।


बौद्ध-दर्शन में "मणिपद्मेहुम" का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है।


इस मंत्र के अनुसार ॐ को "मणिपुर" चक्र में अवस्थित माना जाता है।


यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है।


जैन दर्शन में भी ॐ के महत्व को दर्शाया गया है।


महात्मा कबीर र्निगुण सन्त एवं कवि थे।


उन्होंने भी ॐ के महत्व को स्वीकारा और इस पर "साखियाँ" भी लि




ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


==========================
















||-ॐ-कार तत्व चिंतन -||

<---©-आद्यनाथ--->









ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !










सृस्टि के प्रारम्भ में

ओंकाररूपी प्रणव ही हुंया उत्पन्न


इस ओंकार मिले प्रकिति के पंचतत्व के साथ

तव हुयां जीबन के सृस्टि।








**ओंकार के अवयवों का नाम है–अ, उ, म, बिन्दु, अर्धचंद्र रोधिनी, नाद, नादांत, शक्ति, व्यापिनी या महाशून्य, समना तथा उन्मना



















================================

गुरुमुखी में 'एक ओंकार'













ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।




यह ईश्वर का वाचक है।




ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।




संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।




सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।




तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।




ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।










कठोपनिषद में लिखा है

आत्मा को अधर अरणि और ओंकार को उत्तर अरणि बनाकर मंथन रूप अभ्यास करने से दिव्य ज्ञानरूप ज्योति का आविर्भाव होता है।










श्रीमद्भगवद्गीता में भी ओंकार को एकाक्षर ब्रह्म कहा है।




मांडूक्योपनिषत् में भूत, भवत् या वर्तमान और भविष्य–त्रिकाल–ओंकारात्मक ही कहा गया है।




यहाँ त्रिकाल से अतीत तत्व भी ओंकार ही कहा गया है।




आत्मा अक्षर की दृष्टि से ओंकार है और मात्रा की दृष्टि से अ, उ और म रूप है।




चतुर्थ पाद में मात्रा नहीं है एवं वह व्यवहार से अतीत तथा प्रपंचशून्य अद्वैत है।




इसका अभिप्राय यह है कि ओंकारात्मक शब्द ब्रह्म और उससे अतीत परब्रह्म दोनों ही अभिन्न तत्व हैं।




वैदिक वाङमय के सदृश धर्मशास्त्र, पुराण तथा आगम साहित्य में भी ओंकार की महिमा सर्वत्र पाई जाती है।




इसी प्रकार बौद्ध तथा जैन संप्रदाय में भी सर्वत्र ओंकार के प्रति श्रद्धा की अभिव्यक्ति देखी जाती है।




प्रणव शब्द का अर्थ है– प्रकर्षेणनूयते स्तूयते अनेन इति, नौति स्तौति इति वा प्रणव:।




प्रणव का बोध कराने के लिए उसका विश्लेषण आवश्यक है।

यहाँ प्रसिद्ध आगमों की प्रक्रिया के अनुसार विश्लेषण क्रिया का कुछ दिग्दर्शन कराया के का है।










इनमें से अकार, उकार और मकार ये तीन सृष्टि, स्थिति और ‍ तथा दीर्घ मात्राओं का स्थितिकाल क्रमश: संक्षिप्त होकर अंत में एक मात्रा में पर्यवसित हो जाता है।

यह ह्रस्व स्वर का उच्चारण काल माना जाता है।




इसी एक मात्रा पर समग्र विश्व प्रतिष्ठित है।




विक्षिप्त भूमि से एकाग्र भूमि में पहुँचने पर प्रणव की इसी एक मात्रा में स्थिति होती है।




एकाग्र से निरोध अवस्था में जाने के लिए इस एम मात्रा का भी भेद कर अर्धमात्रा में प्रविष्ट हुआ जाता है।




तदुपरांत क्रमश: सूक्ष्म और सूक्ष्मतर मात्राओं का भेद करना पड़ता है।




बिन्दु अर्धमात्रा है।




उसके अनंतर प्रत्येक स्तर में मात्राओं का विभाग है।




समना भूमि में जाने के बाद मात्राएँ इतनी सूक्ष्म हो जाती हैं कि किसी योगी अथवा योगीश्वरों के लिए उसके आगे बढ़वा संभव नहीं होता, अर्थात् वहाँ की मात्रा वास्तव में अविभाज्य हो जाती है।




आचार्यो का उपदेश है कि इसी स्थान में मात्राओं को समर्पित कर अमात्र भूमि में प्रवेश करना चाहिए।




इसका थोड़ा सा आभास मांडूक्य उपनिषद् में मिलता है।




बिन्दु मन का ही रूप है। मात्राविभाग के साथ-साथ मन अधिकाधिक सूक्ष्म होता जाता है।




अमात्र भूमि में मन, काल, कलना, देवता और प्रपंच, ये कुछ भी नहीं रहते।




इसी को उन्मनी स्थिति कहते हैं।




वहाँ स्वयंप्रकाश ब्रह्म निरंतर प्रकाशमान रहता है।




योगी संप्रदाय में स्वच्छंद तंत्र के अनुसार ओंकारसाधना का एक क्रम प्रचलित है।




उसके अनुसार "अ" समग्र स्थूल जगत् का द्योतक है और उसके ऊपर स्थित कारणजगत् का वाचक है मकार।




कारण सलिल में विधृत, स्थूल आदि तीन जगतों के प्रतीक अ, उ और म हैं।




ऊर्ध्व गति के प्रभाव से शब्दमात्राओं का मकार में लय हो जाता है।




तदनंतर मात्रातीत की ओर गति होती है।




म पर्यत गति को अनुस्वार गति कहते हैं।




अनुस्वार की प्रतिष्ठा अर्धमात्रा में विसर्गरूप में होती है।




इतना होने पर मात्रातीत में जाने के लिए द्वार खुल जाता है।




वस्तुत: अमात्र की गति बिंदु से ही प्रारंभ हो जाती है।




तंत्र शास्त्र में इस प्रकार का मात्राविभाग नौ नादों की सूक्ष्म योगभूमियां के नाम से प्रसिद्ध है।




इस प्रसंग में यह स्मरणीय है कि बिंदु अशेष वेद्यों के अभेद ज्ञान का ही नाम है और नाद अशेष वाचकों के विमर्शन का नाम है।




इसका तात्पर्य यह है कि अ, उ और म प्रणव के इन तीन अवयवों का अतिक्रमण करने पर अर्थतत्व का अवश्य ही भेद हो जाता है।




उसका कारण यह है कि यहाँ योगी को सब पदार्थो के ज्ञान के लिए सर्वज्ञत्व प्राप्त हो जाता है एवं उसके बाद बिंदुभेद करने पर वह उस ज्ञान का भी अतिक्रमण कर लेता है।




अर्थ और ज्ञान इन दोनों के ऊपर केवल नाद ही अवशिष्ट रहता है एवं नाद की नादांत तक की गति में नाद का भी भेद हो जाता है।




उस समय केवल कला या शक्ति ही विद्यमान रहती है। जहाँ शक्ति या चित् शक्ति प्राप्त हो गई वहाँ ब्रह्म का प्रकाशमान होना स्वत: ही सिद्ध है।




इस प्रकार प्रणव के सूक्ष्म उच्चारण द्वारा विश्व का भेद होने पर विश्वातीत तक सत्ता की प्राप्ति हो जाती है।




स्वच्छंद तंत्र में यह दिखाया गया है कि ऊर्ध्व गति में किस प्रकार कारणों का परित्याग होते होते अखंड पूर्णतत्व में स्थिति हो जाती है।




"अ" ब्रह्मा का वाचक है; उच्चारण द्वारा हृदय में उसका त्याग होता है।




"उ" विष्णु का वाचक हैं; उसका त्याग कंठ में होता है तथा "म" रुद्र का वाचक है ओर उसका त्याग तालुमध्य में होता है।




इसी प्रणाली से ब्रह्मग्रंथि, विष्णुग्रंथि तथा रुद्रग्रंथि का छेदन हो जाता है।




तदनंतर बिंदु है, जो स्वयं ईश्वर रूप है अर्थात् बिंदु से क्रमश: ऊपर की ओर वाच्यवाचक का भेद नहीं रहता।




भ्रूमध्य में बिंदु का त्याग होता है।




नाद सदाशिवरूपी है।




ललाट से मूर्धा तक के स्थान में उसका त्याग करना पड़ता है।




यहाँ तक का अनुभव स्थूल है।




इसके आगे शक्ति का व्यापिनी तथा समना भूमियों में सूक्ष्म अनुभव होने लगता है।




इस भूमि के वाच्य शिव हैं, जो सदाशिव से ऊपर तथा परमशिव से नीचे रहते हैं।




मूर्धा के ऊपर स्पर्शनुभूति के अनंतर शक्ति का भी त्याग हो जाता है एवं उसके ऊपर व्यापिनी का भी त्याग हो जाता है।




उस समय केवल मनन मात्र रूप का अनुभव होता है। यह समना भूमि का परिचय है।




इसके बाद ही मनन का त्याग हो जाता है।




इसके उपरांत कुछ समय तक मन के अतीत विशुद्ध आत्मस्वरूप की झलक दीख पड़ती है।




इसके अनंतर ही परमानुग्रहप्राप्त योगी का उन्मना शक्ति में प्रवेश होता है।




इसी को परमपद या परमशिव की प्राप्ति समझना चाहिए और इसी को एक प्रकार से उन्मना का त्याग भी माना जा सकता है।




इस प्रकार ब्रह्मा से शिवपर्यन्त छह कारणों का उल्लंघन हो जाने पर अखंड परिपूर्ण सत्ता में स्थिति हो जाती है।










गुरु नानक जी का शब्द एक ओंकार सतनाम बहुत प्रचलित तथा शत्प्रतिशत सत्य है।




एक ओंकार ही सत्य नाम है।




राम, कृष्ण सब फलदायी नाम ओंकार पर निहित हैं तथा ओंकार के कारण ही इनका महत्व है।




बाँकी नामों को तो हमने बनाया है परंतु ओंकार ही है जो स्वयंभू है तथा हर शब्द इससे ही बना है।




हर ध्वनि में ओउ्म शब्द होता है।










ओउ्म तीन शब्द 'अ' 'उ' 'म' से मिलकर बना है जो त्रिदेव ब्रह्मा, विष्णु और महेश तथा त्रिलोक भूर्भुव: स्व: भूलोक भुव: लोक तथा स्वर्ग लोक का प्रतीक है।










पद्माशन में बैठ कर इसका जप करने से मन को शांति तथा एकाग्रता की प्राप्ति होती है, वैज्ञानिकों तथा ज्योतिषियों को कहना है कि ओउ्म तथा एकाक्षरी मंत्र




का पाठ करने में दाँत, नाक, जीभ सब का उपयोग होता है जिससे हार्मोनल स्राव कम होता है तथा ग्रंथि स्राव को कम करके यह शब्द कई बीमारियों से रक्षा तथा शरीर के सात चक्र (कुंडलिनी) को जागृत करता है।




तस्य वाचकः प्रणवःउस ईश्वर का वाचक प्रणव 'ॐ' है।




अक्षरका अर्थ जिसका कभी क्षरण न हो।




ऐसे तीन अक्षरों— अ उ और म से मिलकर बना है ॐ।




माना जाता है कि सम्पूर्ण ब्रह्माण्डसे सदा ॐ की ध्वनी निसृत होती रहती है।




हमारी और आपके हर श्वास से ॐ की ही ध्वनि निकलती है।




यही हमारे-आपके श्वास की गति को नियंत्रित करता है।




माना गया है कि अत्यन्त पवित्र और शक्तिशाली है ॐ।




किसी भी मंत्र से पहले यदि ॐ जोड़ दिया जाए तो वह पूर्णतया शुद्ध और शक्ति-सम्पन्न हो जाता है।




किसी देवी-देवता, ग्रह या ईश्वर के मंत्रों के पहले ॐ लगाना आवश्यक होता है,










कहा जाता है कि ॐ से रहित कोई मंत्र फलदायी नहीं होता,




चाहे उसका कितना भी जाप हो।




मंत्र के रूप में मात्र ॐ भी पर्याप्त है।




माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।




ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।




"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।




इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।




ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।







ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।




मात्र ॐ का जप कर कई साधकों ने अपने उद्देश्य की प्राप्ति कर ली।




कोशीतकी ऋषि निस्संतान थे, संतान प्राप्तिके लिए उन्होंने सूर्यका ध्यान कर ॐ का जाप किया तो उन्हे पुत्र प्राप्ति हो गई।




गोपथ ब्राह्मण ग्रन्थ में उल्लेख है कि जो "कुश" के आसन पर पूर्व की ओर मुख कर एक हज़ार बार ॐ रूपी मंत्र का जाप करता है, उसके सब कार्य सिद्ध हो जाते हैं।




श्रीमद्मागवत् में ॐ के महत्व को कई बार रेखांकित किया गया है।




श्री गीता जी के आठवें अध्याय में उल्लेख मिलता है कि जो ॐ अक्षर रूपी ब्रह्म का उच्चारण करता हुआ शरीर त्याग करता है, वह परम गति प्राप्त करता है।




ॐ अर्थात् ओउम् तीन अक्षरों से बना है, जो सर्व विदित है।




अ उ म्।




"अ" का अर्थ है आर्विभाव या उत्पन्न होना,

"उ" का तात्पर्य है उठना, उड़ना अर्थात् विकास,

"म" का मतलब है मौन हो जाना अर्थात् "ब्रह्मलीन" हो जाना।




ॐ सम्पूर्ण ब्रह्माण्ड की उत्पत्ति और पूरी सृष्टि का द्योतक है।




ॐ में प्रयुक्त "अ" तो सृष्टि के जन्म की ओर इंगित करता है,

वहीं "उ" उड़ने का अर्थ देता है, जिसका मतलब है "ऊर्जा" सम्पन्न होना।




शं किसी ऊर्जावान मंदिर या तीर्थस्थल जाने पर वहाँ की अगाध ऊर्जा ग्रहण करने के बाद व्यक्ति स्वप्न में स्वयं को आकाश में उड़ता हुआ देखता है।




मौन का महत्व ज्ञानियों ने बताया ही है। अंग्रजी में एक उक्ति है — "साइलेंस इज़ सिल्वर ऍण्ड ऍब्सल्यूट साइलेंस इज़ गोल्ड"।




श्री गीता जी में परमेश्वर श्रीकृष्ण ने मौन के महत्व को प्रतिपादित करते हुए स्वयं को मौनका ही पर्याय बताया है —




"ध्यान बिन्दुपनिषद्" के अनुसार ॐ मन्त्र की विशेषता यह है कि पवित्र या अपवित्र सभी स्थितियों में जो इसका जप करता है, उसे लक्ष्य की प्राप्ति अवश्य होती है। जिस तरह कमल-पत्र पर जल नहीं ठहरता है, ठीक उसी तरह जप-कर्ता पर कोई कलुष नहीं लगता।




अर्थातः- ॐ ही ब्रह्म है।

ॐ ही यह प्रत्यक्ष जगत् है।

ॐ ही इसकी (जगत की) अनुकृति है।

ॐ के विषय में और भी सुनाएँ।

ॐ से प्रारम्भ करके साम गायक सामगान करते हैं।

ॐ-ॐ कहते हुए ही शस्त्र रूप मन्त्र पढ़े जाते हैं।

ॐ से ही अध्वर्यु प्रतिगर मन्त्रों का उच्चारण करता है।

ॐ कहकर ही अग्निहोत्र प्रारम्भ किया जाता है।

अध्ययन के समय ब्राह्मण ॐ कहकर ही ब्रह्म को प्राप्त करने की बात करता है।

ॐ के द्वारा ही वह ब्रह्म को प्राप्त करता है।

समस्त तपों को जिसकी प्राप्ति के साधक कहते हैं

जिसकी इक्षा से (मुमुक्षुजन) ब्रह्मचर्य का पालन करते है,

उस पद को मैं तुमसे संक्षेप में कहता हूँ।




ॐ यही वह पद है।







अर्थातः- साधक ऋग्वेद द्वारा इस लोक को,

यजुर्वेद द्वारा आन्तरिक्ष को

और सामवेद द्वारा उस लोक को प्राप्त होता है

जिसे विद्वजन जानते हैं।

तथा उस ओंंकाररूप आलम्बन के द्वारा ही विद्वान् उस लोक को प्राप्त होता है जो शान्त, अजर, अमर, अभय एवं सबसे पर (श्रेष्ठ) है।

अर्थातः- प्रणव धनुषहै, (सोपाधिक) आत्मा बाण है और ब्रह्म उसका लक्ष्य कहा जाता है।




उसका सावधानी पूर्वक बेधन करना चाहिए और बाण के समान तन्मय हो जाना चाहिए







अर्थातः-ॐ यह अक्षर ही सब कुछ है।




यह जो कुछ भूत, भविष्यत् और वर्तमान है उसी की व्याख्या है;




इसलिये यह सब ओंकार ही है।




इसके सिवा जो अन्य त्रिकालातीत वस्तु है वह भी ओंकार ही है।




वह यह आत्मा ही अक्षर दृष्टि से ओंंकार है;




वह मात्राओं का विषय करके स्थित है।




पाद ही मात्रा है और मात्रा ही पाद है; वे मात्रा अकार, उकार और मकार हैं।




सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ॐ को महत्व प्राप्त है।




बौद्ध-दर्शन में "मणिपद्मेहुम" का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है।




इस मंत्र के अनुसार ॐ को "मणिपुर" चक्र में अवस्थित माना जाता है।




यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है।




जैन दर्शन में भी ॐ के महत्व को दर्शाया गया है।




महात्मा कबीर र्निगुण सन्त एवं कवि थे।




उन्होंने भी ॐ के महत्व को स्वीकारा और इस पर "साखियाँ" भी लि







ॐ असतो मा सद्ग्मय ।

तमसो मा ज्योतिर्गमय ।

मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।

आविरा: वीर्म एधिं।

ॐ शांति: शांति: शांति: !




==========================








124 ,||--শিক্ষণীয় বিষয় =ऊँ= -|| 02/03/2017----------------------( N )






"ওঁ "শব্দ তিনটি অক্ষরে ( অ ,উ ,ম )মিলিত শব্দ। তবুও আমাদের ভাবতে বাধ্য করে যে


কি এমন শক্তি লুকিয়ের আছে এই "ওঁ " শব্দের মধ্যে। যা কিনা আমরা আমাদের ধর্মের


প্রতীক রূপে মান্য করি। অসংখ শব্দ ও চিহ্নের মধ্যে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ কে কেন


এত মান্যতা। একটু দেখা যাক এই ওম উচ্চারনে কি পরিবর্তন হয়।


আমাদের সাধক গন এবং তপস্বী গন অনুভব করেছেন যে নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে


শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে। এবং নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে


শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে শরীর মন শুদ্ধ হয়। সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়। কারণ


ওম এমনি এক ধ্বনি যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয় সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।


কারণ এই ধ্বনি উচ্চারনে যে ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন সৃষ্টি হয় তার প্রভাবে ওই স্থানের উপরে প্রভাবিত অন্য সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি বা তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের


কু প্রভাব নির্মূল হয়। কারণ "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে


তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন


শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে। সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয় ভারতের অন্যান্য


বিভিন্ন ধর্ম ও দর্শনে ও এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।


বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ জপ ও উপাসনাতে বিশেষ ভাবে মহত্ব লাভ করেছে।


জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।



শব্দই ব্রহ্ম। সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।


সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন


ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।


আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি। ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির


অমোঘ শক্তির লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন তথা কম্পনের উৎপন্ন ও বিচ্ছুরিত


হয়েছিল তা ওই "ওঁ " শব্দ। শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।


সৃষ্টির শ্রেঠ সৃষ্টি হল মানবজীবন। তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই ওই "ওঁ "


শব্দের চিৎকারে সকল প্রাণী কুল কে সকল মানুষকে জানিয়ে দেয় তার আগমনী সংবাদ।


এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,যতদিন সে বেঁচে


থাকে এই পৃথিবীতে ,প্রকৃতির মাঝে , ততদিন নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে চলতে থাকে তাঁর


অন্তরে বাহিরে প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ ই চলতে থেকে। এবং এই


একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়ে শ্বাস প্রস্বাস এর


সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে। এই "ওঁ "শব্দ ই ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি। তপস্বী পুরুষ ,


ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবণ করে থাকেন বা শ্রবনে সক্ষম।


আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা। কারণ এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি


সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার বা উপলব্ধি করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের


ক্ষমতার বাহিরে।


তাই তপস্বী পুরুষ ,ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গন ই কেবল সক্ষম হন এহেন ধ্বনির


আস্বাদন গ্রহণে।







।।-©➽-ANRC----02/03/2017-------------------||

||=========================||

|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||02/03/2017----------------------( N )

अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।

हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।

"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।


ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है।चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं।सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।
बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।

गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।

इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।

यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।

||-©➽-ANRC--02/03/2017-------------------||


||===========================||


 279>प्रत्येक शिशु को शिशुकाल से अर्थात बचपनसेही बुद्धि का बीकाश होना जोरूरी।

इस बुद्धि का बीकाश के साथ उनका आत्म विश्वास का भी बरानेका शिक्षा देना जोरुरी।

इस दिशामे सबसे अछि मन्त्र  हैं
बृहदारण्यक उपनिषद् में---

आत्म विश्वास ओर बुद्धि का बीकाश के लिए बहुतई शुन्दर एबं अछि मन्त्र-----

ॐ असतो मा सदगमय ॥ 
तमसो मा ज्योतिर्गमय ॥ 
मृत्योर्मामृतम् गमय ॥
आविराविर्म एधि ।।
रुद्र यत्ते दक्षिणं मुखं 
तेन मां पाहि नित्यम्‌॥


हे प्रभु! (हमको) असत्य से सत्य की ओर ले चलो । अंधकार से प्रकाश की ओर ले चलो ।। मृत्यु से अमरता (अमृत )की ओर ले चलो ॥

मे आविः आविः एधि

हे प्रकाशरूप आत्मन् ! मेरी सन्मुख प्रकट हो !

हे रुद्र, असपके प्रसन्न मुख द्वरा मुझे सर्वदा रक्षा कीजिये।


O Lord! Lead me from 

darkness to light,

untruth to truth, 

and death to immortality.

(Let) my consciousness engrossed (grow) in Atma (Brahman)

-----------------------------------------------

7>কিছু কথা যেগুলো জীবন বদলে দিতে পারে :--

জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা -------

7/১>"ভগবানকে ভরোসে মত বৈঠো,

    কয়্যা পাতা ভগবান তুম্হারে  ভরোসে বৈঠা হো "
7/২>"Great Persons do not do different works.
    They work differently"
     "মহৎ ব্যক্তিরা আলাদা কাজ করেন না,
       একই কাজ আলাদাভাবে করেন। "
7/৩>তুমি জীবনে কি হলে সেটা বড় কথা নয়। 
     যা করছো তা যদি মন, প্রাণ দিয়ে , 
     নিষ্ঠার সঙ্গে করো তাতে তোমার তো ভালো হবেই। 
      সাথে সাথে অন্যেরও ( সবার ) ভালো হবে। 

========================






Friday, March 22, 2019

16>|| GK== উত্তরের সমাধান আছে সর্বশেষে। ++GK Trick - (President of India)

16>|| GK== উত্তরের সমাধান আছে সর্বশেষে। ++GK Trick - (President of India) 


1>ROMAM হরফ। 1to100
2>Wonderful অতি চমৎকার প্রশ্ন
            উত্তরসহ।
3>GK Trick
4>G.K.=दिमाग से जुड़े रोचक तथ्य
5>24 ज़बरदस्त Science Facts
6>धातु तथा अधातु [Metal and nonmetal]
7>Good G.k.
8>Good IDEA=G.K.
9>GK=জানবার বিষয়।
10>GK=জেনেরখা ভালো।

11>GK---महत्वपूर्ण प्रश्नोत्तर एक बार जरूर पढ़ें
12>GK---pH मान [ pH value ]​
13>GK---
भारत में संचार सेवा से जुड़े कुछ महत्त्वपूर्ण जानकारी-
14>G.K THE WORD FEAR=
15>G.K---একটা গাছ কাটার আগে একটু ভাবুন।
16>G.K.-----The country has no-----
==============================
ROMAM হরফ। 1to100

ROMAN NUMERALS CHART
রোমান হরফে 1 (one) থেকে 100(one hundred) সহজে লেখার উপায়::----

       1 to 100
সহজ উপায়:-
মনে রাখতে হবে  MeDiCaL 
এই মেডিকেলের  M,,,,,D,,,,,,,C,,,,,,,L
এদের মান মনেরাখতে হবে।

 M=1000,      
  D=500, 
  C=100,
  L=50
 এ ছাড়া আমরা সকলেই জানি
       I=1,  V=5,  X=10,
 তাহলে সহজেই লিখতে পারি 10,20,30,40,50,60,70,80,90,100 এদের ROMAN  হরফ।
X=10     ------    C=100
XX=20  ------    CC=200
XXX=30  ----    CCC=300
XL =40   -----    CD=400
 L=50     -----     D=500
 LX=60   ----      DC=600
 LXX=70 ----     DCC=700
 LXXX=80  ---   DCCC=800
 XC=90     ----    CM=900
 C=100     ----    M= 1000

এবারে লিখতে পারি 1 থেকে 100 পর্যন্ত সম্পূর্ন ROMAM হরফ।
========================
1=I    ---  11=XI   ---  21=XXI
2=II  ---  12=XII  ---  22=XXII
3=III  ---  13=XIII  --- 23=XXIII
4=IV  ---  14=XIV --- 24=XXIV
5=V   ---  15=XV  --- 25=XXV
6=VI  ---  16=XVI --- 26=XXVI
7=VII ---  17=XVII --- 27=XXVII
8=VIII --- 18=XVIII --- 28=XXVIII
9=IX   --- 19=XIX   --- 29=XXIX
10=X  --- 20=XX   ---  30=XXX
==========================
31=XXXI     --- 41=XLI   --- 51=LI
32=XXXII    --- 42=XLII   ---52=LII
33=XXXIII    ---43=XLIII  ---53=LIII
34=XXXIV   ---44=XLIV  ---54=LIV
35=XXXV   --- 45=XLV    ---55=LV
36=XXXVI   ---46=XLVI   ---56=LVI
37=XXXVII  ---47=XLVII  ---57=LVII
38=XXXVIII ---48=XLVIII ---58=LVIII
39=XXXIX ---  49=XLIX   ---59=LIX
40=XL        --- 50=L         --- 60=LX   
==========================  
61=LXI   ---     71=LXXI
62=LXII  ---      72=LXXII  
63=LXIII  ---      73=LXXIII
64=LXIV  ---      74=LXXIV
65=LXV    ---     75=LXXV
66=LXVI   ---     76=LXXVI      
67=LXVII  ---     77=LXXVII
68=LXVIII ---     78=LXXVIII 
69=LXIX   ---     79=LXXIX
70=LXX    ---     80=LXXX
========================
81=LXXXI    ------  91=XCI
82=LXXXII   ------  92=XCII
83=LXXXIII  ------  93=XCIII
84=LXXXIV  -----   94=XCIV
85=LXXXV   -----   95=XCV
86=LXXXVI  -----   96=XCVI
87=LXXXVII -----   97=XCVII
88=LXXXVIII ----   98=XCVIII
89=LXXXIX   -----  99=XCIX
90=XC           -----  100=C
========================
এখন সহজেই লিখা যাবে
ROMAN হরফে যেকোন সংখ্যা।

1980=MCMLXXX
 MCM=1900 
 LXXX=80

 1995=MCMXCV
  MCM=1900
  XCV=95
      ( Adyanath Roy Choudhuri)
========================
  





===========================


2>Wonderful অতি চমৎকার প্রশ্ন
উত্তরসহ।
উত্তরের সমাধান আছে সর্বশেষে।

*1*
মালায়লাম ভাষী কতজন ভারতের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন।
How many Malayalees have become the President of India

*2*
কেরালার কটি রাজ্য সীমান্তে অবস্থিত।
How many States share border with Kerala?

*3*
 কত চা চামচে এক টেবিল চামচ হয়?
How many teaspoons make a Table spoon?

*4*
হিন্দু পৌরাণিক কথায় বেদ কয়টি?
How many Vedas are there in Hindu Mythology?

*5*
মহাত্মা গান্ধী কতবার কেরালায় গিয়ে ছিলেন?
How many times did Mahatma Gandhi visit Kerala?

*6*
ভারতের থেকে বড় দেশ কটি আছে?
How many countries have larger area than India?

*7*
জলের Ph ভেলু কত?
What is the Ph value of water?

*8*
আমাদের মহাকাশে কতগুলি গ্রহ আছে।

*9*
কেরালার কটি রাজ্য সমুদ্র তীরে

*10*
এক সেন্টিমিটারে কতো মিলিমিটার।

*11*
ফুটবল খেলায় কতজন প্লেয়ার থাকে

*12*
কতো ইঞ্চিতে এক ফুট হয়।

*13*
How many Legislative Assemblies have been elected so far in Kerala?

*14*
How many District Panchayats are there in Kerala?

*15*
One-time vehicle tax কতো বৎসরের
জন্য মান্যতা।

*16*
shuttle cock এতে কতগুলি কালক
( ফেদার) থাকে।

*17*
ভারতের মুদ্রায় কতো গুলি ভাষা মুদ্রিত আছে।

*18*
আমাদের গীতায় কতগুলি অধ্যায় আছে।

*19*
ভারতে 2010 এতে কতো  তম Commonwealth Game খেলা হয়েছিল।

*20*
ক্রিকেটের T-20 খেলায় কতো ওভারের খেলা হয়।

*21*
মহাত্মা গান্ধী কতো বৎসর দক্ষিণ আফ্রিকায়
থেকেছেন।

*22*
আয়তন হিসাবে কেরলার স্থান কতো

*23*
একজন মানুষের শরীরে কতো গুলি  chromosomes থাকে।

*24*
আমাদের অশোক চক্রে কতটি শলাকা
থাকে।

*25*
আমাদের সংবিধানে একজন MLA এর
কতো বয়স হওয়া প্রয়োজন।

একটু খেঁয়াল করলেই পাওয়া যাবে
উত্তর।
 25 টি প্রশ্নের প্রতিটি প্রশ্ননম্বর ই প্রতি
 প্রশ্নের উত্তর।
XXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXX


3>GK Trick - भारत के राष्ट्रपति (President of India) 
भारत के राष्ट्रपति की List को क्रम से याद करने के लिये हम आपको एक Trick बता रहे है जिससे कि आपको President of India की List आसानी से याद हो जायेगी !!

Trick - { राजू की राधा जाकर गिरी फखरुद्दीन रेड्डी की जेल में, तब रमाशंकर नारायण की कलम से प्रतिभा निकली प्रणब की  }


1. राजू - डॉ. राजेन्द्र प्रसाद (Dr. Rajendra Prasad)
2. राधा - डॉ. सर्वपल्ली राधाकृष्णन (Dr. Sarvepalli Radhakrishnan)
3. जाकर - डॉ. जाकिर हुसैन (Dr. Zakir Hussain)
4. गिरी - वाराहगिरि वेंकट गिरि (Varahgiri Venkat Giri)
5. फखरूद्दीन - फखरूद्दीन अली अहमद (Fakhruddin Ali Ahmed)
6. रेड्डी - नीलम संजीवा रेड्डी (Nilam Sanjeeva Reddy)
7. जेल - ज्ञानी जैल सिंह (Gyani Zail Singh)
8. रमा - रमाशंकर वेंकट रमण (R. Venkat Raman)
9. शंकर - डॉ शंकर दयाल शर्मा (Dr. Shankar Dayal Sharma)
10.नारायण - के. आर. नारायणन (K. R. Narayanan)
11.कलम - डॉ ए.पी.जे. अब्दुल कलाम (Dr. A. P. J. Abdul Kalam)
12.प्रतिभा - प्रतिभा देवी सिंह पाटिल (Pratibha Devi Singh Patil)
13.प्रणव - प्रणव मुखर्जी (Pranab Mukharji)
14.Ram- Ram Nath Kovind 

=====================================



4>G.K.=दिमाग से जुड़े रोचक तथ्य



दिमाग से जुड़े रोचक तथ्य
1. अगर 5 से 10 मिनट तक दिमाग में ऑक्सीजन की कमी हो जाए तो यह हमेशा के लिए Damage हो सकता हैं.
2. दिमाग पूरे शरीर का केवल 2% होता हैं लेकिन यह पूरी बाॅडी का 20% खून और ऑक्सीजन अकेला इस्तेमाल कर लेता हैं.
3. हमारा दिमाग़ 40 साल की उम्र तक बढ़ता रहता हैं.
4. हमारे दिमाग के 60% हिस्से में चर्बी होती हैं इसलिए यह शरीर का सबसे अधिक चर्बी वाला अंग हैं.
5. सर्जरी से हमारा आधा दिमाग़ हटाया जा सकता हैं और इससे हमारी यादों पर भी कुछ असर नही पडेगा.
6. जो बच्चे पाँच साल का होने से पहले दो भाषाएँ सीखते है उनके दिमाग की संरचना थोड़ी सी बदल जाती हैं.
7. दिमाग की 10% प्रयोग करने वाली बात भी सच नही हैं बल्कि दिमाग के सभी हिस्सों का अलग-अलग काम होता हैं.
8. दिमाग़ के बारे में सबसे पहला उल्लेख 6000 साल पहले सुमेर से मिलता हैं.

9. 90 मिनट तक पसीने में तर रहने से आप हमेशा के लिये एक मनोरोगी बन सकते हो.
10. बचपन के कुछ साल हमें याद नही रहते क्योकिं उस समय तक “HIPPOCAMPUS” डेवलप नही होता, यह किसी चीज को याद रखने के लिए जरूरी हैं.
11. छोटे बच्चे इसलिए ज्यादा सोते हैं क्योंकि उनका दिमाग़ उनके शरीर द्वारा बनाया गया 50% ग्लूकोज इस्तेमाल करता हैं.
12. 2 साल की उम्र में किसी भी उम्र से ज्यादा Brain cells होती हैं.
13. अगर आपने पिछली रात शराब पीयी थी और अब आपको कुछ याद नही हैं तो इसका मतलब ये नही हैं कि आप ये सब भूल गए हो बल्कि ज्यादा शराब पीने के बाद आदमी को कुछ नया याद ही नही होता

14. एक दिन में हमारे दिमाग़ में 70,000 विचार आते हैं और इनमें से 70% विचार Negative (उल्टे) होते हैं.
15. हमारे आधे जीन्स दिमाग़ की बनावट के बारे में बताते हैं और बाकी बचे आधे जीन्स पूरे शरीर के बारे में बताते हैं.
16. हमारे दिमाग की memory unlimited होती हैं यह कंप्यूटर की तरह कभी नही कहेगा कि memory full हो गई.
17. अगर शरीर के आकार को ध्यान में रखा जाए तो मनुष्य का दिमाग़ सभी प्रणीयों से बड़ा हैं। हाथी के दिमाग का आकार उसके शरीर के मुकाबले सिर्फ 0.15% होता हैं बल्कि मनुष्य का 2%.
18. एक जिन्दा दिमाग बहुत नर्म होता है और इसे चाकू से आसानी से काटा जा सकता हैं.
19. जब हमे कोई इगनोर या रिजेक्ट करता हैं तो हमारे दिमाग को बिल्कुल वैसा ही महसूस होता हैं जैसा चोट लगने पर.
20. Right brain/Left brain जैसा कुछ नही हैं ये सिर्फ एक मिथ हैं. पूरा दिमाग़ इकट्ठा काम करता हैं.
21. चाॅकलेट की खूशबू से दिमाग़ में ऐसी तरंगे उत्पन्न होती हैं जिनसे मनुष्य आराम (Relax) महसूस करता हैं.
22. जिस घर में ज्यादा लड़ाई होती हैं उस घर के बच्चों के दिमाग पर बिल्कुल वैसा ही असर पड़ता हैं जैसा युद्ध का सैनिकों पर.
23. टी.वी. देखने की प्रक्रिया में दिमाग़ बहुत कम इस्तेमाल होता है और इसलिए इससे बच्चों का दिमाग़ जल्दी विकसित नहीं होता. बच्चों का दिमाग़ कहानियां पढ़ने से और सुनने से ज्यादा विकसित होता है क्योंकि किताबों को पढ़ने से बच्चे ज्यादा कल्पना करते हैं.
24. हर बार जब हम कुछ नया सीखते है तो दिमाग में नई झुर्रियां विकसित होती हैं और यह झुरिया ही IQ का सही पैमाना हैं.
25. अगर आप खुद को मना ले कि हमने अच्छी नींद ली हैं तो हमारा मस्तिष्क भी इस बात को मान जाता हैं.
26. हमारे पलक झपकने का समय 1 सैकेंड के 16वें हिस्से से कम होता है पर दिमाग़ किसी भी वस्तु का चित्र सैकेंड के 16वें हिस्से तक बनाए रखता हैं.
27. हेलमेट पहनने के बाद भी दिमाग को चोट लगने की संभावना 80% होती हैं.
28. मनुष्य के दिमाग़ में दर्द की कोई भी नस नही होती इसलिए वह कोई दर्द नही महसूस नही करता.
29. एक ही बात को काफी देर तक tension लेकर सोचने से हमारा दिमाग कुछ समय के लिए सोचने, समझने और निर्णय लेने की क्षमता को खो देता हैं.
30. नशे में आदमी के दिमाग की बनावट वैसी ही हो जाती हैं जैसी सेक्स करते समय.



====================================================================


5>24 ज़बरदस्त Science Facts

1. वैज्ञानिक आज तक निश्चित नहीं कर पाए हैं, कि डायनासोर का रंग क्या था।
2. शुक्र ग्रह पर एक दिन पृथ्वी के एक साल से बड़ा होता है।
3. आपकी जानकारी के लिए बता दे -40 डिग्री फारेनहाइट -40 डिग्री सेल्सियस के बराबर है।
4. शनि ग्रह का घनत्व इतना कम हैं कि यदि कांच के किसी विशालकर बर्तन में पानी भरकर शनि को उसमें डाला जाये तो वह उसमें तैरने लगेगा।
5. तापमान चाहे कितना भी कम क्यों न हो जाए, गैसोलीन कभी भी नहीं जमता।
6. जब आप किसी सीधी चढ़ाई वाले पहाड़ पर चढ़ते हैं तो आपके घुटनों पर आपके शरीर का तीन गुना भार होता है।
7. अगर किसी एक आकाश गंगा के सारे तारे नमक के दाने जितने हो जाए तो वह Olympic का पूरा का पूरा Swimming pool भर सकते हैं.
8. हवा तब तक आवाज नही करती जब यह किसी वस्तु के विपरीत न चले.
9. बृहस्पति इतना बड़ा ग्रह हैं की यदि शेष सभी ग्रह को आपस में जोड़ दिया जाये तो वह संयुक्त ग्रह भी बृहस्पति से छोटा ही रहेगा।
10. एक व्यक्ति बिना खाने के एक महीना रह सकता है पर बिना पानी के 7 दिन. अगर शरीर में पानी की मात्रा 1 प्रतिशत से कम हो जाए तो आप प्यास महसूस करने लगते है. अगर यह मात्रा 10 प्रतिशत से कम हो जाए तो आप की मौत हो जाएगी.
11. अभी तक उल्का पिंड द्वारा सिर्फ एक ही बनावटी उपग्रह नष्ट किया गया है. यह उपग्रह European Space Agency का Olympics(1993) था.
12. एक नजरिये से तापमान मापने के लिए Celsius स्केल Fahrenheit स्केल से ज्यादा अक्लमंदी से बनाया गया. पर इसके निर्माता Andero Celsius एक अनोखे वैज्ञानिक थे. जब उन्होंने पहली बार इस स्केल को विकसित किया, उन्होंने गलती से जमा दर्जा 100 और ऊबाल दर्जा 0 डिग्री बनाया. पर कोई भी उन्हें इस गलती को कहने का हौसला न कर सका, सों बाद के वैज्ञानिकों ने सकेल को ठीक करने के लिए उनकी मृत्यु का इंतजार किया.
13. Albert Einestein के अनुसार हम रात को आकाश में लाखों तारे देखते है जगह नही होते बल्कि कही और होते है. हमें तों उनके द्वारा छोडा गया कई लाख प्रकाश साल पहले का प्रकाश होता है.
14. आम तौर पे classes में पढ़ाया जाता है कि प्रकाश की गति 3 लाख किलोमीटर प्रति सैकेंड होती है. पर असल में यह गति 2,99,792 किलोमीटर प्रति सैकेंड होती है. यह 1,86,287 मील प्रति सैकेंड के बराबर होती है.
15. October 1992 में लंदन के आकार जितना बड़ा बर्फ का गोला Antarctic से टूट कर अलग हो गया था.
16. अगर हम प्रकाश की गति से अपनी नजदीकी गैलैक्सी (Galaxy) पर जाना चाहे तो हमें 20 साल लगेगें.
17. विश्व की सबसे भारी धातु ऑस्मियम है। इसकी 2 फुट लंबी, चौड़ी व ऊँची सिल्ली का वज़न एक हाथी के बराबर होता है।
18. जब पानी से बर्फ बन रही होती तो लगभग 10% पानी तो उड़ ही जाता है. इसलिए ही हमारे फ्रिज में Tray (ट्रे) पर पानी जमा हो जाता है.
19. दुनिया के सबसे महंगे पदार्थ की कीमत सुनकर आप हैरान रह जाएंगे। इसका नाम जानने के बाद आप ये सोंच भी नहीं सकेंगे कि वाकई में इसकी कीमत इतनी ज्यादा होगी। आपमें से ज्यादातर लोग इसे सोना, चांदी या हीरा मान रहे होंगे। अगर ऐसा है तो आपको गलतफहमी में है। दुनिया की सबसे महंगा पदार्थ एंटीमैटर(प्रतिपदार्थ) है। प्रतिपदार्थ पदार्थ का एक ऐसा प्रकार है जो प्रतिकणों जैसे पाजीट्रान, प्रति-प्रोटान, प्रति-न्युट्रान मे बना होता है. ये प्रति-प्रोटान और प्रति-न्युट्रान प्रति क्वार्कों मे बने होते हैं. इसकी कीमत सुनकर आपके होश उड़ जायेंगे। 1 ग्राम प्रतिपदार्थ को बेचकर दुनिया के 100 छोटे-छोटे देशों को खरीदा जा सकता है। जी हां,1 ग्राम प्रतिपदार्थ की कीमत 31 लाख 25 हजार करोड़ रुपये है। नासा के अनुसार,प्रतिपदार्थ धरती का सबसे महंगा मैटीरियल है। 1 मिलिग्राम प्रतिपदार्थ बनाने में 160 करोड़ रुपये तक लग जाते हैं। जहां यह बनता है, वहां पर दुनिया की सबसे अच्छी सुरक्षा व्यवस्था मौजूद है। इतना ही नहीं नासा जैसे संस्थानों में भी इसे रखने के लिए एक मजबुत सुरक्षा घेरा है। कुछ खास लोगों के अलावा प्रतिपदार्थ तक कोई भी नहीं पहुंच सकता है। दिलचस्प है कि प्रतिपदार्थ का इस्तेमाल अंतरिक्ष में दूसरे ग्रहों पर जाने वाले विमानों में ईधन की तरह किया जा सकता है।
20. न्युट्रॉन तारे इतने घने होते हैं कि उनका आकार तो एक गोल्फ बाल जितना होता है मगर द्रव्यमान(वज़न) 90 अरब किलोग्राम होता है.
21. अगर धरती का आकार एक मटर जितना कर दें तो बृहस्पति इससे 300 मीटर दूर होगा और प्लुटो 2.5 किलोमीटर . मगर प्लुटो आपको दिखेगा नही क्योंकि तब इसका आकार एक बैक्टीरिया जितना होगा.
22. सूर्य द्वारा छोड़े गए 800 अरब से ज्यादा न्यूट्राॅन आपके शरीर में से गुजर गये होंगे जब तक आपने ये वाक्य पढ़ा है।


==================================


6>धातु तथा अधातु [Metal and nonmetal]
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
*☞ जल पर तैरने वाली धातु कौन सी है*
⇨ सोडियम
*☞ प्रकृति में मुक्त अवस्था में कौन सी धातु पायी जाती है*
⇨ चाँदी
*☞ कौन सी धातु ठोस अवस्था में नहीं पायी जाती है*
⇨ पारा
*☞ एंटीमनी क्या है*
⇨ उपधातु
*☞ कौन सी धातु बिजली की अच्छी सुचालक होती है*
⇨ चाँदी
*☞ फोटोग्राफी में कौन सा उपयोगी तत्व प्रयुक्त होता है*
⇨ सिल्वर ब्रोमाइट
*☞ नीला थोथा का रासायनिक नाम क्या है*
⇨ कॉपर सल्फेट
*☞ सबसे कठोर धातु कौन सी है*
⇨ प्लेटिनम
*☞ सफेद स्वर्ण किसे कहा जाता है*
⇨ प्लेटिनम
*☞ विद्युत बल्व का तन्तु किसका बना होता है*
⇨ टंगस्टन का
*☞ कौन सी धातु अचालक की भांति ट्राजिस्टर के रूप में प्रयुक्त होती है*
⇨ जर्मेनियम
*☞ किन तत्वों के लवणों द्वारा आतिशबाजी के रग प्राप्त होते हैं*
⇨ Sr व Ba
*☞ किस रेडियोधर्मी तत्व के भारत में विशाल भडार है*
⇨ थोरियम
*☞ कलपक्कम के फास्ट ब्रीडर टेस्ट रिएक्टर में कौन सा तत्व ईधन के रूप में प्रयुक्त होता है*
⇨ समृद्ध यूरेनियम
*☞ भारी जल क्या है*
⇨ मंदक
*☞ सामान्य किस्म का कोयला कौन सा है*
⇨ बिटुमिनम
*☞ हैलोजन से सबसे अधिक अभिक्रिया कौन करता है*
⇨ क्लोरीन
*☞ प्रकृति में सबसे कठोर पदार्थ कौन सा है*
⇨ हीरा
*☞ कार्बन के दो अपरूप कौन से है*
⇨ हीरा और ग्रेफाइट
*☞ हीमोग्लोबिन में उपस्थित धातु कौन सी है*
⇨ लोहा
*☞ सचायक बैटरियों में कौन सी धातु का प्रयोग करते हैं*
⇨ सीसा
*☞ वायुयान के निर्माण में कौन सी धातु उपयुक्त होती है*
⇨ प्लेटिनम का
*☞ ‘एडम उत्प्रेरक’ किस धातु का नाम है*
⇨ प्लेटिनम का
*☞ स्टील में कार्बन का प्रतिशत कितना होता है*
⇨ 0.1 से 1.5%
*☞ एल्युमीनियम का मुख्य अयस्क क्या है*
⇨ बॉक्साइट
*☞ मायोग्लोबिन कौन सी धातु होती है*
⇨ लोहा
*☞ समुद्र में सबसे अधिक मात्रा में कौन सी धातु पाई जाती है*
⇨ सोडियम
*☞ कौन सी धातु जल के साथ अभिक्रिया करके ऑक्सीजन गैस पैदा करती है*
⇨ कैडमियम
*☞ धातु की प्रकृति कैसी होती है*
⇨ विद्युत धनात्मक
*☞ पीतल में कौन सी धातुएँ होती हैं*
⇨ ताँबा व जस्ता
जानकारी अच्छी लगे तो प्लीज़ शेयर जरूर करें


=================================
7>Good G.k.

1. एक वर्ष में इंसान औसतन 50 लाख बार सांस लेता है और मानव शरीर की त्वचा से प्रतिदिन 10 बिलियन उत्तक/कोशिकाएं गिरती हैं.2. जन्म के समय मानवीय शरीर में 300 हड्डियां होती हैं.व्यस्क होने तक शरीर में 206 हड्डियाँ रह जाती हैं.
मानव की जांघ की हड्डी कंक्रीट से भी मजबूत होती है.
3. औसत घरेलू पेंसिल 35 मील लम्बी लकीर खींच सकती है और 50,000 शब्द लिख सकती है.
4. आपके शरीर की एक चौथाई हड्डियां आपके पैरों में होती हैं. और सबसे पेचीदा हड्डी रीड़ की
5. औसतन आदमी अपनी पूरी जिन्दगी के दो हफ्ते रेड ट्रैफिक सिग्नल को ग्रीन होने के इंतजार में व्यतीत करता है.
6. अजवाइन को खा कर पचाने में जितनी कैलोरी लगती है इतनी तो अजवाइन में होती ही नहीं.
7. एक गधा रेत के दलदल में डूब सकता है परन्तु एक खच्चर नहीं. हालांकि दोनो एक हा वंश में शामिल हैं.
8. सबसे बड़ा हिमपात खंड (बर्फ गिरते समय बर्फ का टुकड़ा या फाहा) 15 इंच चौड़ा और 8 इंच मोटा था,यानी छोटा सा था. यह गिरते बर्फ समेटता गया और बड़ा होता गया.
9. कोड़े (Bullwhip) की नोक की गति इतनी तेज होती है कि इसकी आवाज़ किसी छोटे सुपरसोनिक बूम जैसी होती है.
10.अमेरिका के मूल निवासी अपने बच्चों का पहला नाम उस चीज के नाम पर रखते थे जिस चीज को वो अपने घर से बाहर निकलते ही सबसे पहले देखते थे.
================================
8>Good IDEA=G.K.

बहुत समय पहले की बात है, किसी गाँव में एक किसान रहता था। उस किसान की एक बहुत ही सुन्दर बेटी थी। दुर्भाग्यवश, गाँव के जमींदार से उसने बहुत सारा धन उधार लिया हुआ था। जमीनदार बूढा और कुरूप था। किसान की सुंदर बेटी को देखकर उसने सोचा क्यूँ न कर्जे के बदले किसान के सामने उसकी बेटी से विवाह का प्रस्ताव रखा जाये।
जमींदार किसान के पास गया और उसने कहा – तुम अपनी बेटी का विवाह मेरे साथ कर दो, बदले में मैं तुम्हारा सारा कर्ज माफ़ कर दूंगा। जमींदार की बात सुन कर किसान और किसान की बेटी के होश उड़ गए।
तब जमींदार ने कहा – चलो गाँव की पंचायत के पास चलते हैं और जो निर्णय वे लेंगे उसे हम दोनों को ही मानना होगा। वो सब मिल कर पंचायत के पास गए और उन्हें सब कह सुनाया।
उनकी बात सुन कर पंचायत ने थोडा सोच विचार किया और कहा-
ये मामला बड़ा उलझा हुआ है अतः हम इसका फैसला किस्मत पर छोड़ते हैं। जमींदार सामने पड़े सफ़ेद और काले रोड़ों के ढेर से एक काला और एक सफ़ेद रोड़ा उठाकर एक थैले में रख देगा फिर लड़की बिना देखे उस थैले से एक रोड़ा उठाएगी, और उस आधार पर उसके पास तीन विकल्प होंगे :
१. अगर वो काला रोड़ा उठाती है तो उसे जमींदार से शादी करनी पड़ेगी और उसके पिता का कर्ज माफ़ कर दिया जायेगा।
२. अगर वो सफ़ेद पत्थर उठती है तो उसे जमींदार से शादी नहीं करनी पड़ेगी और उसके पिता का कर्ज भी माफ़ कर दिया जायेगा।
३. अगर लड़की पत्थर उठाने से मना करती है तो उसके पिता को जेल भेज दिया जायेगा।
पंचायत के आदेशानुसार जमींदार झुका और उसने दो रोड़े उठा लिए। जब वो रोड़ा उठा रहा था तब तेज आँखों वाली किसान की
बेटी ने देखा कि उस जमींदार ने दोनों काले रोड़े ही उठाये हैं और उन्हें थैले में डाल दिया है।
लड़की इस स्थिति से घबराये बिना सोचने लगी कि वो क्या कर सकती है, उसे तीन रास्ते नज़र आये:
१. वह रोड़ा उठाने से मना कर दे और अपने पिता को जेल जाने दे।
२. सबको बता दे कि जमींदार दोनों काले पत्थर उठा कर सबको धोखा दे रहा हैं।
३. वह चुप रह कर काला पत्थर उठा ले और अपने पिता को कर्ज से बचाने के लिए जमींदार से शादी करके अपना जीवन बलिदान कर दे।
उसे लगा कि दूसरा तरीका सही है, पर तभी उसे एक और भी अच्छा उपाय सूझा, उसने थैले में अपना हाथ डाला और एक रोड़ा अपने हाथ में ले लिया। और बिना रोड़े की तरफ देखे उसके हाथ से फिसलने का नाटक किया, उसका रोड़ा अब हज़ारों रोड़ों के ढेर में गिर चुका था और उनमे ही कहीं खो चुका था।
लड़की ने कहा – हे भगवान ! मैं कितनी फूहड़ हूँ। लेकिन कोई बात नहीं। आप लोग थैले के अन्दर देख लीजिये कि कौन से रंग का रोड़ा बचा है, तब आपको पता चल जायेगा कि मैंने कौन सा उठाया था जो मेरे हाथ से गिर गया।
थैले में बचा हुआ रोड़ा काला था, सब लोगों ने मान लिया कि लड़की ने सफ़ेद पत्थर ही उठाया था। जमींदार के अन्दर इतना साहस नहीं था कि वो अपनी चोरी मान ले।
लड़की ने अपनी सोच से असम्भव को संभव कर दिया।
मित्रों,
हमारे जीवन में भी कई बार ऐसी परिस्थितियां आ जाती हैं जहाँ सबकुछ धुंधला दिखता है, हर रास्ता नाकामयाबी की तरफ जाता महसूस होता है पर ऐसे समय में यदि हम परम-परा से हट कर सोचने का प्रयास करें तो उस लड़की की तरह अपनी मुशिकलें दूर कर सकते हैं।
=============================
9>GK=জানবার বিষয়।

==> सबसे ऊँचा पशु — जिर्राफ
==> सबसे ऊँचा बाँध — भाखड़ा नांगल बाँध
==> सबसे ऊँची चोटी — गॉडविन ऑस्टिन (K-2)
==> सबसे ऊँची झील — देवताल झील
==> सबसे ऊँची मार्ग — लेह-मनाली मार्ग
==> सबसे ऊँची मीनार — कुतुब मीनार
==> सबसे लम्बी नदी — गंगा
==> सबसे बड़ा गुफा मन्दिर — कैलाशN मन्दिर (एलोरा)
==> सबसे बड़ा गुरुद्वारा — स्वर्ण मन्दिर (अमृतसर)
==> सबसे बड़ा चिड़ियाघर — जूलॉजिकल गॉर्डन्स (कोलकाता)
==> सबसे बड़ा डेल्टा — सुन्दरवन
==> सबसे बड़ा तारामण्डल (प्लेनेटोरियम) —बिड़ला तारामण्डल (प्लेनेटोरियम)
==> सबसे बड़ा पशुओं का मेला — सोनपुर (बिहार)
==> सबसे बड़ा प्राकृतिक बन्दरगाह — मुम्बई
==> सबसे बड़ा रेगिस्तान — थार (राजस्थान)
==> सबसे बड़ा लीवर पुल — हावड़ा सेतु (कोलकाता)
==> सबसे बड़ी झील (खारे पानी की) — चिल्का झील (उड़ीसा)
==> सबसे बड़ी झील (मीठे पानी की) — वूलर झील (काश्मीर)
==> सबसे बड़ी मस्जिद — जामा मस्जिद (दिल्ली)
==> सबसे लम्बा प्लेटफॉर्म — गोरखपुर उत्तर प्रदेश
==> सबसे लम्बा बाँध — हीराकुण्ड बाँध (उड़ीसा)
==> सबसे लम्बा राष्ट्रीय राजमार्ग — राजमार्ग नं. 7 (वाराणसी से
कन्याकुमारी)
==> सबसे लम्बा रेलमार्ग — जम्मू से कन्याकुमारी
==> सबसे लम्बा सड़क का पुल — महात्मा गांधी सेतु (पटना)
==> सबसे लम्बी तटरेखा वाला राज्य — गुजरात
==> सबसे लम्बी सड़क — ग्रांड ट्रंक रोड
==> सबसे लम्बी सुरंग — जवाहर सुरंग (जम्मू काश्मीर)
================================
10>GK=জেনেরখা ভালো

1. पिन का पूरा नाम क्या है?
उत्तर:- पोस्टल इंडेक्स नंबर
2. भारत में पिन प्रणाली कब शुरू किया था?
उत्तर:- 1972
भारतीय क्षेत्र के बाहर पहली भारतीय डाक घर कौन सा है?
3.उत्तर :- अंटार्कटिका में दक्षिण गंगोत्री पर डाकघर (1983)
4. भारत में स्पीड पोस्ट सेवा कब शुरू हुई?
उत्तर :-1986
5. किस गवर्नर जनरल ने टेलीग्राफ और डाक प्रणाली को लाया??
उत्तर :- लार्ड डलहौजी
6. भारत में पहली बार जनरल पोस्ट ऑफिस कब खोला गया था?
उत्तर :- 1774 (कोलकाता)
7. भारत की पहली डाक टिकट कौन सा है?
उत्तर:- Sinde Dawk (1852)
8. विश्व डाक दिवस कब मनाया जाता है:
उत्तर :- अक्टूबर 9
9. भारतीय डाक दिवस कब मनाया जाता है:
उत्तर :- अक्टूबर 10
10 दुनिया में सबसे अधिक डाक घर स्थित है?
उत्तर :- Hikkim (हिमाचल प्रदेश)
11. यूनिवर्सल पोस्टल यूनियन की स्थापना कब की गयी थी?
उत्तर :- 1874
12. किस वर्ष मनी ऑर्डर प्रणाली भारत में आई?
उत्तर :- 1880
13. किस वर्ष डाक जीवन बीमा भारत में शुरू किया गया?
उत्तर :- 1884
14. कहां पोस्टल स्टाफ कॉलेज स्थित है?
उत्तर :- गाजियाबाद (उत्तर प्रदेश)
15. भारत के संचार के पहले मंत्री कौन थे?
उत्तर :- C.R.K किदवई


1. भारत का क्षेत्रफल कितना है?
उत्तर - 32,87,263 वर्ग किमी
2. डुरण्ड रेखा किन देशों की सीमा रेखा है?
उत्तर - अफगानिस्तान पाकिस्तान
3. कर्क रेखा भारत के कितने राज्यों से गुजरती है?उत्तर - 8 राज्यों से
4. नाथूला दर्रा किस राज्य में है?
उत्तर - सिक्किम
5. दिल्ली किस नदी के किनारे बसा है?
उत्तर - यमुना नदी
6. भारत का सबसे लम्बा बांध कौन सा है
उत्तर - हीराकुंड बांध, उड़ीसा
7. शिवसमुद्रम जलप्रपात किस नदी पर है?
उत्तर - कावेरी
8. भारत की सबसे बड़ी मीठे पानी की झील कौन सी है?
उत्तर - वूलर झील, जम्मू कश्मीर
9. जिम कार्बेट राष्ट्रीय उद्यान किस राज्य में है?
उत्तर - उत्तराखण्ड
10. विश्व में चावल के उत्पादन में भारत का कौन सा स्थान है?
उत्तर - दूसरा ( पहला चीन )
11. भारत में हरित क्रांति लाने का श्रेय किसे है?
उत्तर - डाँ. एम. एस. स्वामीनाथन
12. तम्बाकू भारत में सर्वाधिक कौन सा राज्य उत्पादित करता है।
उत्तर - आंध्र प्रदेश
13. भारत में श्वेत क्रांति ( दुग्ध उत्पादन ) का श्रेय किसे दिया जाता है?
उत्तर - डाँ वर्गीज कुरियन
14. भारत का सबसे छोटा राष्ट्रीय राजमार्ग कौन सा है?
उत्तर - NH 47 A
15. भारतीय रेल का राष्ट्रीयकरण कब हुआ था?
उत्तर - 1950
16. भारत का पहला परमाणु ऊर्जा केन्द्र कौन सा है?
उत्तर - तारापुर ( महाराष्ट्र )
17. भिलाई इस्पात संयंत्र किस देश की सहायता से स्थापित किया गया है?
उत्तर - पूर्व सोवियत संघ
18. अरब सागर की रानी किसे कहते हैं?
उत्तर - कोच्चि
19. डिग्बोई तेल क्षेत्र किस राज्य में स्थित है?
उत्तर - असम
20. भारत का सबसे ऊंचा जलप्रपात कौन सा है?
उत्तर - जोग, गरसोप्पा ( कर्नाटक )
21. जैन धर्म के संस्थापक कौन थे?
उत्तर - ऋषभदेव
22. सम्राट अशोक ने कलिंग पर कब आक्रमण किया था?
उत्तर - 261 ई. पू.
23. गौतम बुद्ध द्वारा सर्वाधिक उपदेश कहाँ दिए गए ?
उत्तर - श्रीवस्ती
24. नालंदा विश्वविद्यालय की स्थापना किसने करायी थी ?
उत्तर - कुमारगुप्त
25. आजातशत्रु किस वंश से संबंधित था ?
उत्तर - हर्यक वंश
26. ' रजतरंगिणी ' रचना किसकी है ?
उत्तर - कल्हण
27. महमूद गजनवी ने सोमनाथ मंदिर पर आक्रमण किसके शासन काल में किया था ?
उत्तर - भीम प्रथम
28. सिक्ख धर्म के संस्थापक गुरु नानक जी का जन्म कहाँ हुआ था ?
उत्तर - तलवण्डी
29. चन्देरी का युद्ध किस - किस शासक के बीच हुआ था
उत्तर - मेदनी राय एवं बावर ( 1528 )
30. शेरशाह सूरी का मकबरा कहा स्थित है ?
उत्तर - सासाराम
अपने दोस्तों के साथ शेयर अवश्य करें..
ताकि वो लोग भी पढ़ सकें


जानिए IPC में धाराओ का मतलब .....
धारा 307 = हत्या की कोशिश
धारा 302 =हत्या का दंड
धारा 376 = बलात्कार
धारा 395 = डकैती
धारा 377= अप्राकृतिक कृत्य
धारा 396= डकैती के दौरान हत्या
धारा 120= षडयंत्र रचना
धारा 365= अपहरण
धारा 201= सबूत मिटाना
धारा 34= सामान आशय
धारा 412= छीनाझपटी
धारा 378= चोरी
धारा 141=विधिविरुद्ध जमाव
धारा 191= मिथ्यासाक्ष्य देना
धारा 300= हत्या करना
धारा 309= आत्महत्या की कोशिश
धारा 310= ठगी करना
धारा 312= गर्भपात करना
धारा 351= हमला करना
धारा 354= स्त्री लज्जाभंग
धारा 362= अपहरण
धारा 415= छल करना
धारा 445= गृहभेदंन
धारा 494= पति/पत्नी के जीवनकाल में पुनःविवाह0
धारा 499= मानहानि
धारा 511= आजीवन कारावास से दंडनीय अपराधों को करने के प्रयत्न के लिए दंड।
शेयर जरूर करें
==============================
●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●

11>GK---
महत्वपूर्ण प्रश्नोत्तर एक बार जरूर पढ़ें

1-भारत के केन्द्रीय बैंक का नाम बताएं?
उत्तर: - भारतीय रिजर्व बैंक,
2-भारतीय रिजर्व बैंक का मुख्यालय कहाँ हैं?
उत्तर: - मुम्बई में,
3-भारत में एक रूपये के नोट पर वित्त मंत्रालय के सचिव के हस्ताक्षर होते हैं। अन्य नोटों पर?
उत्तर: - भारतीय रिजर्व बैंक के गवर्नर,
4-भारत में करेन्सी नोट पर उसका मूल्य कितनी भाषाओं में लिखा होता है?
उत्तर: - 17,
5-कितने भाषाओं में भारतीय रिजर्व बैंक करेन्सी नोट प्रिंट करता है?
उत्तर: - उत्तर:-15 भाषाओं,
6-भारत में राष्ट्रीय आय की गणना किस संगठन द्वारा की जाती है?
उत्तर: - केन्द्रीय सांखियकीय संगठन,
7-किस बैंक में कोई भी व्यक्ति अपना व्यक्तिगत खाता नहीं खोल सकता हैं?
उत्तर: - भारतीय रिजर्व बैंक,
8-योजना आयोग का अध्यक्ष कौन होता हैं?
उत्तर: - प्रधानमंत्री,
9-भारत में किस विदेशी बैंक की सर्वाधिक शाखाएं कार्यरत हैं?
उत्तर: - स्टैण्डर्ड चार्टर्ड, बैंक ब्रिटेन,
10-देश में किस भारतीय बैंक की सर्वाधिक शाखाएं हैं?
उत्तर: - भारतीय स्टेट बैंक,
11-भारत का अधिकतम विदेशी व्यापार किस देश के साथ हैं?
उत्तर: - सं.रा. अमेरिका,
12-अर्थशास्त्र का जनक किसे कहा जाता है?
उत्तर: - एडम सिमथ,
13-जिस कार्ड से बैंक को उच्च ऋण जोखिमहोता है वह है?
उत्तर: - क्रेडिट कार्ड,
14-पद बैंकेश्यूरेंस से तात्पर्य है?
उत्तर: - बैंकों द्वारा दी जा रही कंपोजिट वित्तीयसेवा जिसमें बीमा उत्पाद शामिल हैं,
15-वह दर जिस पर कॉमर्शियल बैंक,भारतीय रिजर्व बैंक से रुपए उधार लेते हैं?
उत्तर: - रेपो दर,
16-राष्ट्रीयकृत बैंक को निम्नलिखित नाम से भी बुलाया जाता है?
उत्तर: - सरकारीक्षेत्र का बैंक,
17-रिजर्व बैंक ऑफ इंडिया का राष्ट्रीयकरण किस वर्ष हुआ?
उत्तर: - 1949 में,
18-यूनिट ट्रस्ट ऑफ इंडिया की स्थापना कब हुई?
उत्तर: - 1964 में,
19-सार्वजनिक क्षेत्र के बैंकों में कौन-सा बैंक सबसे बड़ा बैंक है?
उत्तर: - भारतीय स्टेट बैंक,
20-राष्ट्रीय आवास विकास बैंक किसकी सहयोगी संस्था है?
उत्तर: - भारतीय रिजर्व बैंक की,
शेयर करना न भूलें


12>GK---
pH मान [ pH value ]​
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
1.जल का pH मान कितना होता है = ​7​
2 . दूध का PH मान कितना होता है = ​6.4​
3.सिरके का PH कितना होता है = ​3​
4.मानव रक्त का pH मान = ​7.4​
5. नीबू के रस का pH मान = ​2.4​
6 . NaCl का pH मान = ​7​
7. pH पैमाने का पता किसने लगाया = ​सारेन्सन ने​
8. pH मूल्यांक क्या दर्शाता = ​किसी घोल का अम्लीय या क्षारीय होना​
9. अम्लीय घोल का pH मान कितना होता है = ​7 से कम​
10. उदासिन घोल का pH मान = ​7​
11. शराब का pH मान = ​2.8​
12. किसी व्यक्ति के रक्त के pH मान में कितना परिवर्तन होने पर मत्यु हो जाती है = ​0.2​
13. मानव मूत्र का pH मान = ​4.8 - 8.4​
14. समुद्री जल का pH मान = ​8.5​
15.आँसू का pH मान = ​7.4​
16. मानव लार का pH मान = ​6.5 - 7.5​
शेयर तो बनता है


13>GK---
भारत में संचार सेवा से जुड़े कुछ महत्त्वपूर्ण जानकारी-
------------------------------------------------------------
● विश्व में सबसे अधिक डाकघर किस देश में है— भारत
● भारत में लगभग कितने डाकघर हैं— 1.5 लाख
● भारत में कुल डाकघरों का कितने % ग्रामीण क्षेत्रों में हैं— 89%
● भारत में कितने पिन कोड जोन हैं— 9
● ग्रीन चैनल क्या है— स्थानीय पत्रों के लिए डाक सेवा
● वर्तमान डाक विभाग की स्थापना कब की गई— अक्टूबर 1854 ई.
● भारत में प्रथम डाक टिकट किस गवर्नर जनरल के शासन में शुरू किया गया— लॉर्ड डलहौजी
● भारत में सार्वजनिक डाक सेवा कब प्रारम्भ हुई— 1837 ई.
● भारत में पहला डाक टिकट कब मुद्रित हुआ— 1854 ई.
● डाकघर बचत योजना कब प्रारम्भ हुई— 1885 ई.
● भारत में डाक सूचकांक प्रणाली (पिन कोड प्रणाली) का शुभारम्भ कब हुआ— 1972 ई.
● भारत में स्पीड पोस्ट सेवा कब प्रारम्भ हुई— 1986 ई.
● भारत में टेलीकॉम मिशन की स्थापना कब की गई — 1 अप्रैल, 1986 ई.
● भारत में विदेश संचार निगम लि. की स्थापना कब हुई— 1988 ई.
● भारत में मनीऑर्डर सेवा का आरंभ कब हुआ— 14 जनवरी, 1995 ई.
● डाक सूचंकाक में कुल कितनी संख्या होती है— 6
● भारत में S.T.D. सेवा कब प्रारम्भ हुई— 1960 ई.
● पहली S.T.D. सेवा किन दो नगरों के मध्य प्रारम्भ हुई— लखनऊ-कानपुर
======================
14>G.K THE WORD FEAR=

এর দুটি মানে ( ভন্যাংশে )


1>F==Forget
E==Everything
A==And
R==Run


2>F==Face
E==Everything
A==And
R==Rise


UNABLE==Means "I am able"
=======================

===================
15>G.K---একটা গাছ কাটার আগে একটু ভাবুন।

একটা অনুরোধ--একটু ভাবুন
একটা গাছ কটার আগে / একটা গাছের ডাল কাটার আগে / গাছের একটা পাতা ছিঁড়বার আগে
একটু চিন্তা করুন।


একজন মানুষ এক দিনে =24ঘন্টায় যে পরিমান অক্সিজেন গ্রহণ করেন তা প্রায় তিন সিলিন্ডার অক্সিজেন এর থেকে একটু বেশি ।
এক সিলিন্ডার অক্সিজেন এর মূল্য =Rs700/-টাকা
অতএব তিন সিলিন্ডার অক্সিজেন মূল্য=
3 X Rs 700/- =Rs 2100/- টাকা
এক বৎসরে=365X2100=Rs 766500/-টাকা
একজন মানুষের গড় আয়ু 65 বৎসর ।
অতএব একজন মানুষের পুরো জীবনে প্রয়োজন
(65X766500=Rs 49822500/-)টাকার একটু বেশি মোটা মুটি Rs5কোটি টাকার অক্সিজেন।
এই 5 কোটি টাকার অক্সিজেন এর পুরোটাই আমরা পাই আমাদের আসে পাশের পরিবেশের গাছ গাছড়া থেকে।
ভাবলে অবাক হতে হয় যে আমাদের পরিবেশের আসে পাশের গাছ পালা জঙ্গল প্রতিনিয়ত আমাদের কি বিপুল পরিমাণে উপকার করে চলেছে।
কিন্তু আমরা একটা গাছ কাটাবার আগে একটুও ভাবি না,অবাধে নির্দ্বিধায় আমরা গাছ কেটে ফেলি।
সেই কারণেই বলছি একটু ভাবুন।
অপ্রয়োজনে গাছ কাটা বা গাছের ডাল কাটা বন্ধ করুন।
আপনাদের প্রতি আমার এইটুকুই একান্ত অনুরোধ।
আদ্য নাথ রায় চৌধুরী।27th Novebber2016.
--------------–----------////--------------------------

============================================
◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆


16>G.K.-----
The country has 
      ----no River -----Vattecan city
      ----no capital----Naura
     ----no Snake------NewZealand
    -----no Railway--- Afghanistan
     ----no Jail ---------  Netherland
    -----no PM----------  Singapore
    -----no Temple-----  Saudi Arabia.
    -----no Night -------  Narway
     ----no Police-------  Palau.
--------no Armforce------  Iceland
--------no Mosquito ------  Iceland
------no Rectangular Flag---  Nepal
-----no National Anthem--- Cyprus.
==========================