Monday, March 25, 2019

17>||-ওঁ-কার तत्व चिंतन +11/6,,12/23|



17>||-ওঁ-কার =ऊँ= ||++(12/23++11/6)

<---©-আদ্যনাথ--->

""ওঁ অসতো মা সদ্গময়।
তমসো মা জ্যোতির্গময়।
মৃত্যোর্মামৃতং গময়।
আবিরাবীর্ম এধি।।
রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং,
তেন মাং পাহি নিত্যম্।''"


‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----

ওঁ-কার ত্র্যক্ষর,কারণ 
"ওঁ "শব্দ অ ,উ ,ম, তিনটি অক্ষর।

এহেন 
ত্র্যক্ষর ভাবতে বাধ্য করে কতো শক্তি লুকিয়ের আছে
এই "ওঁ " শব্দের অন্তরে।

"ওঁ" আমাদের ধর্মের প্রতীক
"ওঁ" এর অনেক মান্যতা ।
অসংখ শব্দ ও চিহ্নে থাকতে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ  তার কেন এত মান্যতা,
এই টুকুইতো ভাবনা।

‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র।
ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— 
সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য  
তিন দেবতার সৃষ্টি।
এঁরাই হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।

তাই ওঁ- অ, উ, ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।
অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।


ওঁ উচ্চারণে হয় শক্তির সৃষ্টি, সেই শক্তিতেই হয় শারীরিক ও মানসিক শক্তির বৃদ্ধি,
মনের একাগ্রতার হয় সৃষ্টি।
ওঁ বা ওঁ-কার বা ওঙ্কার, অ + উ +ম্।
‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ
         প্রারম্ভের প্রতীক বা সৃষ্টির সূচক।
‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক,
         বা স্থিতির সূচক।
‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ 
         লয়ের প্রতীক, বিনাশের সূচক।


আমাদের সাধক এবং তপস্বী গনের অনুভব
নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে  "ওঁ " এর উচ্চারণে
মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে।
এবং নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে
শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে
শরীর মন শুদ্ধ হয়।
সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়।
কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি
যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয়
সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।

 এই ধ্বনি উচ্চারনের
ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন
প্রভাবিত করে পরিবেশ প্রকৃতির।
ফলে সেই স্থানের
সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি
বা তাদ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের
কু প্রভাব নির্মূল হয়।

 "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন 
এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে
তা আমাদের কল্পনার অতীত। 
মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন 
তথা কম্পন,
শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে।
সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয়,
ভারতের অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনে ও
এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।

বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ 
জপ ও উপাসনাতে বিশেষ মহত্ব 
লাভ করেছে।

জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের 
বর্ননা পাওয়াযায়। 

শব্দই ব্রহ্ম।
সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।
সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে 
যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন
ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।


আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড 
সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি।
ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির 
লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন 
তথা কম্পনে উৎপন্ন হয়ে 
সমগ্র ব্রহ্মান্ডকে প্রভাবিত করেছিল,
সেই শব্দই "ওঁ " শব্দ।
শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজীবন।
তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই 
ওই "ওঁ " শব্দের চিৎকারে সকল কে 
জানিয়ে দেয় তার আগমনী বার্তা।
এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে 
তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,চলতে থাকে
নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে তাঁর অন্তরে বাহিরে 
প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ।

এই "ওঁ "শব্দ একটি মাত্র শব্দ 
যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়। 
এবং শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে 
চলতে থাকে এই "ওঁ "শব্দ ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি।
তপস্বী ,ধ্যানী ,যোগী গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি 
 শ্রবনে সক্ষম।

আমরা সাধারণ মানুষ 
এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা।
এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি সম্পন্ন ধ্বনি 
শ্রবণ করবার মত ক্ষমতা আমাদের 
সাধারণ মানুষের নাই
।।-©➽-ANRC----02/03/2017-----
||=========================|

||-ওঁ-কার তত্ত্ব চিন্তা ---||
<---©-আদ্যনাথ--->

‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----
"ওঁ"- নিয়ে করবো চিন্তা, সাধ্য কি আমার,
তবুও মণ চাইলো তাই লিখলাম একটু এবার।

ওঁ-কার ধর্মীয় চিহ্ন হলেও ব্যবহারিক জীবনে ওঁ-কারের প্রয়োগ আরও ব্যাপক।
প্রত্যেকটি মন্ত্র ওঁ-কার দিয়ে ই হয় শুরু।

খ্রিস্টধর্মের প্রতীক ক্রুশ ও বেল।
ক্রুশ হলো পবিত্রতার প্রতীক।
যার অর্থ মানবজাতির পরিত্রাণ।
বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি অতি পবিত্র।
এই ঘণ্টার আওয়জ যতদূর যায়
ততদূর পবিত্র থাকে।
এই ঘণ্টার শব্দের দ্বারা পরমপিতাকে
আহ্বান করা হয়।
এ জন্য গির্জায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজে।
এই ঘণ্টার মধুর আওয়াজ এর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর অনুরাগীদেরও আহ্বান করা হয়।

সনাতন ধর্মে দু’রকমের প্রতীক আছে,
শব্দ প্রতীক ও সাকার প্রতীক।
শব্দের মধ্য দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়।
ওঁ-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়,
কারণ ওঁ তিনটি মাত্রাযুক্ত ।

‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র। ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য তিন দেবতার সৃষ্টি করেছেন।
এঁরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।
তাই ওঁ- অ উ ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।


অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।

ওঁ উচ্চারণ করলে শারীরিক ও মানসিক শক্তির সৃষ্টি হয়। মনে একাগ্রতা আসে।

ওঁ বা ওঁ-কার (অপর বানানে ওঙ্কার)
সংস্কৃত, অ + উ +ম্।

‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক।
‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক। ‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক।


এটি হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।
” রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবার কথামতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন, যা একাধারে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযোজ্য। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী ওঁ-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, অমঙ্গল থেকে রক্ষাকর্তা, ভক্তবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা।
কারুর মতে ওঁ-কার সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।


পতঞ্জলির যোগসূত্র-এ ওঁ-কারকে ঈশ্বরের প্রতীক বলে বর্ণিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ওঁ-কারের স্মরণ ও উচ্চারণে সমাধি লাভ করা যায়।


মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও ওঁ-কার ব্যবহৃত হয়।


কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।
মুণ্ডক উপনিষদে ওঁ-কার অবলম্বনে ঈশ্বরোপাসনার কথা বলা হয়েছে।


শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, তিনি সকল
অক্ষরের মধ্যে ওঁ-কার।
গীতায় (৭ অধ্যায় /৮ নং শ্লোক) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
“আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের কিরণ, বেদের ওঁ(প্রণব), আকাশে শব্দ ও মানুষের মধ্য পুরুষত্ব রূপে বিরাজ করি।”


ওঁ-কারের বারংবার উচ্চারণে মানুষ তার পাশব প্রবৃত্তি জয় করতে সমর্থ হয়।


মৃত্যুকালে ওঁ-কারের উচ্চারণে
পরম সত্য লাভ হয়।


ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের
প্রতিনিধিস্বরূপ ও তাঁর শ্রেষ্ঠ নাম।বেদ, উপনিষদ, গীতা ও অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রে সর্বত্রই ওঁ-কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।


ওঁ-কার প্রণব,যার আক্ষরিক অর্থ, ‘যা উচ্চারণ করে স্তব করা হয়’।
প্রণব বা ত্র্যক্ষর হিন্দুধর্মেরপবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক।
এর অপর অর্থ, ‘যা চিরনূতন’।


রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে
‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ -প্রণব(ব্রহ্ম), তৎ-জীব, সৎ-জগৎ।
ব্রহ্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ বেদ।
জীবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ব্রহ্মজ্ঞ।
জগত কর্মময়।
কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ যজ্ঞ।
সুতরাং, “ওঁ তৎ সৎ” মন্ত্রে
বেদ, ব্রহ্মজ্ঞ ও যজ্ঞকে বোঝায়।
সেই কারনে সকল কাজের শুভ ফল লাভের জন্য কাজের শুরুতেই------
“ওঁ তৎ সৎ ”
উচ্চারণ করে শুরু করা উচিৎ।


ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।
নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব।
এই সক্রিয় ভাব হতেই সৃষ্টির বিকাশ।


ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে পার্থক্য কি?
পার্থক্য শুধু বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়।
ওঁ- কার বাংলায় এবং ঔঁ-কার সংস্কৃতিতে।
শ্রী শ্রী স্বামী স্বরুপানন্দ পরমহংসদেব বলেছেন- “ওঁ, ওম, ঔং, অউম, ঔঁ” এই পাঁচ প্রকার উচ্চারণের মধ্য বস্তুগত বা অর্থগত কোনো পার্থক্য নেই।


আমাদের সনাতন ধর্মে ওঁ-কার কে বলা হয় পবিত্রতা ও মঙ্গলতার প্রতীক। প্রণব বা ওঁ-কারই বেদের নির্যাস ও ব্রহ্মবস্তু।


ওঁ বা প্রণব হচ্ছে মন্ত্রের প্রাণ। পূজা বা ধ্যানের সময় মন্ত্র উচ্চারণে “প্রণব” না থাকলে মন্ত্রের ক্রিয়া হয় না, প্রাণশক্তি নেই বলে।


<---©-আদ্যনাথ--->
【--anrc--24/03/2019--】
【=রাত্রি:08:10:11=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】


=============================






|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||02/03/2017----------------------( N )




अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।


हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।




"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।




ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है।चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं।सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।
बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।


गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।


इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।


यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।


||-©➽-ANRC--02/03/2017-------------------||


||===========================||


||-ॐ-कार तत्व चिंतन -||
<---©-आद्यनाथ--->


ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


सृष्टि के प्रारम्भ में
सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही उत्पन्न हुआ।
इस ओं-कार प्रोकितिके पंचतत्व के साथ






============================
ओम् हिंदी में om
गुरुमुखी में 'एक ओंकार'








ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।


यह ईश्वर का वाचक है।


ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।


संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।


सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।


तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।


ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।






कठोपनिषद में लिखा है
आत्मा को अधर अरणि और ओंकार को उत्तर अरणि बनाकर मंथन रूप अभ्यास करने से दिव्य ज्ञानरूप ज्योति का आविर्भाव होता है।






श्रीमद्भगवद्गीता में भी ओंकार को एकाक्षर ब्रह्म कहा है।


मांडूक्योपनिषत् में भूत, भवत् या वर्तमान और भविष्य–त्रिकाल–ओंकारात्मक ही कहा गया है।


यहाँ त्रिकाल से अतीत तत्व भी ओंकार ही कहा गया है।


आत्मा अक्षर की दृष्टि से ओंकार है और मात्रा की दृष्टि से अ, उ और म रूप है।


चतुर्थ पाद में मात्रा नहीं है एवं वह व्यवहार से अतीत तथा प्रपंचशून्य अद्वैत है।


इसका अभिप्राय यह है कि ओंकारात्मक शब्द ब्रह्म और उससे अतीत परब्रह्म दोनों ही अभिन्न तत्व हैं।


वैदिक वाङमय के सदृश धर्मशास्त्र, पुराण तथा आगम साहित्य में भी ओंकार की महिमा सर्वत्र पाई जाती है।


इसी प्रकार बौद्ध तथा जैन संप्रदाय में भी सर्वत्र ओंकार के प्रति श्रद्धा की अभिव्यक्ति देखी जाती है।


प्रणव शब्द का अर्थ है– प्रकर्षेणनूयते स्तूयते अनेन इति, नौति स्तौति इति वा प्रणव:।


प्रणव का बोध कराने के लिए उसका विश्लेषण आवश्यक है।
यहाँ प्रसिद्ध आगमों की प्रक्रिया के अनुसार विश्लेषण क्रिया का कुछ दिग्दर्शन कराया के का है।


ओंकार के अवयवों का नाम है–अ, उ, म, बिन्दु, अर्धचंद्र रोधिनी, नाद, नादांत, शक्ति, व्यापिनी या महाशून्य, समना तथा उन्मना।


इनमें से अकार, उकार और मकार ये तीन सृष्टि, स्थिति और ‍ तथा दीर्घ मात्राओं का स्थितिकाल क्रमश: संक्षिप्त होकर अंत में एक मात्रा में पर्यवसित हो जाता है।
यह ह्रस्व स्वर का उच्चारण काल माना जाता है।


इसी एक मात्रा पर समग्र विश्व प्रतिष्ठित है।


विक्षिप्त भूमि से एकाग्र भूमि में पहुँचने पर प्रणव की इसी एक मात्रा में स्थिति होती है।


एकाग्र से निरोध अवस्था में जाने के लिए इस एम मात्रा का भी भेद कर अर्धमात्रा में प्रविष्ट हुआ जाता है।


तदुपरांत क्रमश: सूक्ष्म और सूक्ष्मतर मात्राओं का भेद करना पड़ता है।


बिन्दु अर्धमात्रा है।


उसके अनंतर प्रत्येक स्तर में मात्राओं का विभाग है।


समना भूमि में जाने के बाद मात्राएँ इतनी सूक्ष्म हो जाती हैं कि किसी योगी अथवा योगीश्वरों के लिए उसके आगे बढ़वा संभव नहीं होता, अर्थात् वहाँ की मात्रा वास्तव में अविभाज्य हो जाती है।


आचार्यो का उपदेश है कि इसी स्थान में मात्राओं को समर्पित कर अमात्र भूमि में प्रवेश करना चाहिए।


इसका थोड़ा सा आभास मांडूक्य उपनिषद् में मिलता है।


बिन्दु मन का ही रूप है। मात्राविभाग के साथ-साथ मन अधिकाधिक सूक्ष्म होता जाता है।


अमात्र भूमि में मन, काल, कलना, देवता और प्रपंच, ये कुछ भी नहीं रहते।


इसी को उन्मनी स्थिति कहते हैं।


वहाँ स्वयंप्रकाश ब्रह्म निरंतर प्रकाशमान रहता है।


योगी संप्रदाय में स्वच्छंद तंत्र के अनुसार ओंकारसाधना का एक क्रम प्रचलित है।


उसके अनुसार "अ" समग्र स्थूल जगत् का द्योतक है और उसके ऊपर स्थित कारणजगत् का वाचक है मकार।


कारण सलिल में विधृत, स्थूल आदि तीन जगतों के प्रतीक अ, उ और म हैं।


ऊर्ध्व गति के प्रभाव से शब्दमात्राओं का मकार में लय हो जाता है।


तदनंतर मात्रातीत की ओर गति होती है।


म पर्यत गति को अनुस्वार गति कहते हैं।


अनुस्वार की प्रतिष्ठा अर्धमात्रा में विसर्गरूप में होती है।


इतना होने पर मात्रातीत में जाने के लिए द्वार खुल जाता है।


वस्तुत: अमात्र की गति बिंदु से ही प्रारंभ हो जाती है।


तंत्र शास्त्र में इस प्रकार का मात्राविभाग नौ नादों की सूक्ष्म योगभूमियां के नाम से प्रसिद्ध है।


इस प्रसंग में यह स्मरणीय है कि बिंदु अशेष वेद्यों के अभेद ज्ञान का ही नाम है और नाद अशेष वाचकों के विमर्शन का नाम है।


इसका तात्पर्य यह है कि अ, उ और म प्रणव के इन तीन अवयवों का अतिक्रमण करने पर अर्थतत्व का अवश्य ही भेद हो जाता है।


उसका कारण यह है कि यहाँ योगी को सब पदार्थो के ज्ञान के लिए सर्वज्ञत्व प्राप्त हो जाता है एवं उसके बाद बिंदुभेद करने पर वह उस ज्ञान का भी अतिक्रमण कर लेता है।


अर्थ और ज्ञान इन दोनों के ऊपर केवल नाद ही अवशिष्ट रहता है एवं नाद की नादांत तक की गति में नाद का भी भेद हो जाता है।


उस समय केवल कला या शक्ति ही विद्यमान रहती है। जहाँ शक्ति या चित् शक्ति प्राप्त हो गई वहाँ ब्रह्म का प्रकाशमान होना स्वत: ही सिद्ध है।


इस प्रकार प्रणव के सूक्ष्म उच्चारण द्वारा विश्व का भेद होने पर विश्वातीत तक सत्ता की प्राप्ति हो जाती है।


स्वच्छंद तंत्र में यह दिखाया गया है कि ऊर्ध्व गति में किस प्रकार कारणों का परित्याग होते होते अखंड पूर्णतत्व में स्थिति हो जाती है।


"अ" ब्रह्मा का वाचक है; उच्चारण द्वारा हृदय में उसका त्याग होता है।


"उ" विष्णु का वाचक हैं; उसका त्याग कंठ में होता है तथा "म" रुद्र का वाचक है ओर उसका त्याग तालुमध्य में होता है।


इसी प्रणाली से ब्रह्मग्रंथि, विष्णुग्रंथि तथा रुद्रग्रंथि का छेदन हो जाता है।


तदनंतर बिंदु है, जो स्वयं ईश्वर रूप है अर्थात् बिंदु से क्रमश: ऊपर की ओर वाच्यवाचक का भेद नहीं रहता।


भ्रूमध्य में बिंदु का त्याग होता है।


नाद सदाशिवरूपी है।


ललाट से मूर्धा तक के स्थान में उसका त्याग करना पड़ता है।


यहाँ तक का अनुभव स्थूल है।


इसके आगे शक्ति का व्यापिनी तथा समना भूमियों में सूक्ष्म अनुभव होने लगता है।


इस भूमि के वाच्य शिव हैं, जो सदाशिव से ऊपर तथा परमशिव से नीचे रहते हैं।


मूर्धा के ऊपर स्पर्शनुभूति के अनंतर शक्ति का भी त्याग हो जाता है एवं उसके ऊपर व्यापिनी का भी त्याग हो जाता है।


उस समय केवल मनन मात्र रूप का अनुभव होता है। यह समना भूमि का परिचय है।


इसके बाद ही मनन का त्याग हो जाता है।


इसके उपरांत कुछ समय तक मन के अतीत विशुद्ध आत्मस्वरूप की झलक दीख पड़ती है।


इसके अनंतर ही परमानुग्रहप्राप्त योगी का उन्मना शक्ति में प्रवेश होता है।


इसी को परमपद या परमशिव की प्राप्ति समझना चाहिए और इसी को एक प्रकार से उन्मना का त्याग भी माना जा सकता है।


इस प्रकार ब्रह्मा से शिवपर्यन्त छह कारणों का उल्लंघन हो जाने पर अखंड परिपूर्ण सत्ता में स्थिति हो जाती है।






गुरु नानक जी का शब्द एक ओंकार सतनाम बहुत प्रचलित तथा शत्प्रतिशत सत्य है।


एक ओंकार ही सत्य नाम है।


राम, कृष्ण सब फलदायी नाम ओंकार पर निहित हैं तथा ओंकार के कारण ही इनका महत्व है।


बाँकी नामों को तो हमने बनाया है परंतु ओंकार ही है जो स्वयंभू है तथा हर शब्द इससे ही बना है।


हर ध्वनि में ओउ्म शब्द होता है।






ओउ्म तीन शब्द 'अ' 'उ' 'म' से मिलकर बना है जो त्रिदेव ब्रह्मा, विष्णु और महेश तथा त्रिलोक भूर्भुव: स्व: भूलोक भुव: लोक तथा स्वर्ग लोक का प्रतीक है।






पद्माशन में बैठ कर इसका जप करने से मन को शांति तथा एकाग्रता की प्राप्ति होती है, वैज्ञानिकों तथा ज्योतिषियों को कहना है कि ओउ्म तथा एकाक्षरी मंत्र


का पाठ करने में दाँत, नाक, जीभ सब का उपयोग होता है जिससे हार्मोनल स्राव कम होता है तथा ग्रंथि स्राव को कम करके यह शब्द कई बीमारियों से रक्षा तथा शरीर के सात चक्र (कुंडलिनी) को जागृत करता है।


तस्य वाचकः प्रणवःउस ईश्वर का वाचक प्रणव 'ॐ' है।


अक्षरका अर्थ जिसका कभी क्षरण न हो।


ऐसे तीन अक्षरों— अ उ और म से मिलकर बना है ॐ।


माना जाता है कि सम्पूर्ण ब्रह्माण्डसे सदा ॐ की ध्वनी निसृत होती रहती है।


हमारी और आपके हर श्वास से ॐ की ही ध्वनि निकलती है।


यही हमारे-आपके श्वास की गति को नियंत्रित करता है।


माना गया है कि अत्यन्त पवित्र और शक्तिशाली है ॐ।


किसी भी मंत्र से पहले यदि ॐ जोड़ दिया जाए तो वह पूर्णतया शुद्ध और शक्ति-सम्पन्न हो जाता है।


किसी देवी-देवता, ग्रह या ईश्वर के मंत्रों के पहले ॐ लगाना आवश्यक होता है,






कहा जाता है कि ॐ से रहित कोई मंत्र फलदायी नहीं होता,


चाहे उसका कितना भी जाप हो।


मंत्र के रूप में मात्र ॐ भी पर्याप्त है।


माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।


ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।


"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।


इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।


ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।




ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।


मात्र ॐ का जप कर कई साधकों ने अपने उद्देश्य की प्राप्ति कर ली।


कोशीतकी ऋषि निस्संतान थे, संतान प्राप्तिके लिए उन्होंने सूर्यका ध्यान कर ॐ का जाप किया तो उन्हे पुत्र प्राप्ति हो गई।


गोपथ ब्राह्मण ग्रन्थ में उल्लेख है कि जो "कुश" के आसन पर पूर्व की ओर मुख कर एक हज़ार बार ॐ रूपी मंत्र का जाप करता है, उसके सब कार्य सिद्ध हो जाते हैं।


श्रीमद्मागवत् में ॐ के महत्व को कई बार रेखांकित किया गया है।


श्री गीता जी के आठवें अध्याय में उल्लेख मिलता है कि जो ॐ अक्षर रूपी ब्रह्म का उच्चारण करता हुआ शरीर त्याग करता है, वह परम गति प्राप्त करता है।


ॐ अर्थात् ओउम् तीन अक्षरों से बना है, जो सर्व विदित है।


अ उ म्।


"अ" का अर्थ है आर्विभाव या उत्पन्न होना,
"उ" का तात्पर्य है उठना, उड़ना अर्थात् विकास, "म" का मतलब है मौन हो जाना अर्थात् "ब्रह्मलीन" हो जाना।


ॐ सम्पूर्ण ब्रह्माण्ड की उत्पत्ति और पूरी सृष्टि का द्योतक है।


ॐ में प्रयुक्त "अ" तो सृष्टि के जन्म की ओर इंगित करता है, वहीं "उ" उड़ने का अर्थ देता है, जिसका मतलब है "ऊर्जा" सम्पन्न होना।


शं किसी ऊर्जावान मंदिर या तीर्थस्थल जाने पर वहाँ की अगाध ऊर्जा ग्रहण करने के बाद व्यक्ति स्वप्न में स्वयं को आकाश में उड़ता हुआ देखता है।


मौन का महत्व ज्ञानियों ने बताया ही है। अंग्रजी में एक उक्ति है — "साइलेंस इज़ सिल्वर ऍण्ड ऍब्सल्यूट साइलेंस इज़ गोल्ड"।


श्री गीता जी में परमेश्वर श्रीकृष्ण ने मौन के महत्व को प्रतिपादित करते हुए स्वयं को मौनका ही पर्याय बताया है —


"ध्यान बिन्दुपनिषद्" के अनुसार ॐ मन्त्र की विशेषता यह है कि पवित्र या अपवित्र सभी स्थितियों में जो इसका जप करता है, उसे लक्ष्य की प्राप्ति अवश्य होती है। जिस तरह कमल-पत्र पर जल नहीं ठहरता है, ठीक उसी तरह जप-कर्ता पर कोई कलुष नहीं लगता।


अर्थातः- ॐ ही ब्रह्म है।
ॐ ही यह प्रत्यक्ष जगत् है।
ॐ ही इसकी (जगत की) अनुकृति है।
हे आचार्य! ॐ के विषय में और भी सुनाएँ।
आचार्य सुनाते हैं।
ॐ से प्रारम्भ करके साम गायक सामगान करते हैं। ॐ-ॐ कहते हुए ही शस्त्र रूप मन्त्र पढ़े जाते हैं।
ॐ से ही अध्वर्यु प्रतिगर मन्त्रों का उच्चारण करता है।
ॐ कहकर ही अग्निहोत्र प्रारम्भ किया जाता है।


अध्ययन के समय ब्राह्मण ॐ कहकर ही ब्रह्म को प्राप्त करने की बात करता है।


ॐ के द्वारा ही वह ब्रह्म को प्राप्त करता है।
, समस्त तपों को जिसकी प्राप्ति के साधक कहते हैं


, जिसकी इक्षा से (मुमुक्षुजन) ब्रह्मचर्य का पालन करते है,


उस पद को मैं तुमसे संक्षेप में कहता हूँ।


ॐ यही वह पद है।




अर्थातः- साधक ऋग्वेद द्वारा इस लोक को,


यजुर्वेद द्वारा आन्तरिक्ष को


और सामवेद द्वारा उस लोक को प्राप्त होता है


जिसे विद्वजन जानते हैं।


तथा उस ओंंकाररूप आलम्बन के द्वारा ही विद्वान् उस लोक को प्राप्त होता है जो शान्त, अजर, अमर, अभय एवं सबसे पर (श्रेष्ठ) है।




अर्थातः- प्रणव धनुषहै, (सोपाधिक) आत्मा बाण है और ब्रह्म उसका लक्ष्य कहा जाता है।


उसका सावधानी पूर्वक बेधन करना चाहिए और बाण के समान तन्मय हो जाना चाहिए




अर्थातः-ॐ यह अक्षर ही सब कुछ है।


यह जो कुछ भूत, भविष्यत् और वर्तमान है उसी की व्याख्या है;


इसलिये यह सब ओंकार ही है।


इसके सिवा जो अन्य त्रिकालातीत वस्तु है वह भी ओंकार ही है।


वह यह आत्मा ही अक्षर दृष्टि से ओंंकार है;


वह मात्राओं का विषय करके स्थित है।


पाद ही मात्रा है और मात्रा ही पाद है; वे मात्रा अकार, उकार और मकार हैं।


सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ॐ को महत्व प्राप्त है।


बौद्ध-दर्शन में "मणिपद्मेहुम" का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है।


इस मंत्र के अनुसार ॐ को "मणिपुर" चक्र में अवस्थित माना जाता है।


यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है।


जैन दर्शन में भी ॐ के महत्व को दर्शाया गया है।


महात्मा कबीर र्निगुण सन्त एवं कवि थे।


उन्होंने भी ॐ के महत्व को स्वीकारा और इस पर "साखियाँ" भी लि




ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


==========================
















||-ওঁ-কার =ऊँ= ||


<---©-আদ্যনাথ--->


""ওঁ অসতো মা সদ্গময়।
তমসো মা জ্যোতির্গময়।
মৃত্যোর্মামৃতং গময়।
আবিরাবীর্ম এধি।।
রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং,
তেন মাং পাহি নিত্যম্।''"


‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----


ওঁ-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়,
কারণ "ওঁ "শব্দ তিনটি অক্ষর অ ,উ ,ম,
মিলিত শব্দ।
যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে
কতো শক্তি লুকিয়ের আছে
এই "ওঁ " শব্দের অন্তরে।


"ওঁ" আমাদের ধর্মের প্রতীক
"ওঁ" এর মান্যতা অনেক।
অসংখ শব্দ ও চিহ্নে থাকতে
কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ
তার কেন এত মান্যতা।


‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র।
ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য তিন দেবতার সৃষ্টি করেছেন।
এঁরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।


তাই ওঁ- অ, উ, ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।
অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।


ওঁ উচ্চারণে হয় শক্তির সৃষ্টি,
সেই শক্তিতেই হয়
শারীরিক ও মানসিক শক্তির বৃদ্ধি,
মনের একাগ্রতার হয় সৃষ্টি।
ওঁ বা ওঁ-কার বা ওঙ্কার,
অ + উ +ম্।
‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।


‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ
প্রারম্ভের প্রতীক বা সৃষ্টির সূচক।


‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক,
বা স্থিতির সূচক।


‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের
প্রতীক, বিনাশের সূচক।


একটু দেখা যাক এই ওম উচ্চারনে কি পরিবর্তন হয়।


আমাদের সাধক গন এবং তপস্বী গনের অনুভব
নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে শুদ্ধ ভাবে
"ওঁ " এর উচ্চারণে
মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে।
এবং নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে
শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে
শরীর মন শুদ্ধ হয়।
সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়।
কারণ ওম এমনি এক ধ্বনি
যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয়
সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।


কারণ এই ধ্বনি উচ্চারনের
ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন
প্রভাবিত করে পরিবেশ প্রকৃতির।
ফলে সেই স্থানের
সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি
বা তাদ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের
কু প্রভাব নির্মূল হয়।


কারণ "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে
তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন
শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে।
সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয়
ভারতের অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনে ও
এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।


বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ জপ ও উপাসনাতে বিশেষ ভাবে মহত্ব লাভ করেছে।


জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।
শব্দই ব্রহ্ম।
সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।
সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন
ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।


আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি।
ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির অমোঘ শক্তির লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন তথা কম্পনে
উৎপন্ন হয়ে সমগ্র ব্রহ্মান্ডকে প্রভাবিত করেছিল,
সেই শব্দই "ওঁ " শব্দ।
শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।


সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানবজীবন।
তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই ওই "ওঁ " শব্দের চিৎকারে সকল কে জানিয়ে দেয় তার আগমনী বার্তা।
এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,চলতে থাকে
নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে তাঁর অন্তরে বাহিরে প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ।


এই "ওঁ "শব্দ একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়ে শ্বাস প্রস্বাস এর সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে।
এই "ওঁ "শব্দ ই ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি।
তপস্বী ,ধ্যানী ,যোগী গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবনে সক্ষম।


আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা।
কারণ এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি
সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের নাই


।।-©➽-ANRC----02/03/2017-----


||=========================|


||-ওঁ-কার তত্ত্ব চিন্তা ---||
<---©-আদ্যনাথ--->


‘ওঁ’. ওঁ-কার.ওঙ্কার, ॐ----
"ওঁ"- নিয়ে করবো চিন্তা, সাধ্য কি আমার,
তবুও মণ চাইলো তাই লিখলাম একটু এবার।


ওঁ-কার ধর্মীয় চিহ্ন হলেও ব্যবহারিক জীবনে ওঁ-কারের প্রয়োগ আরও ব্যাপক।
প্রত্যেকটি মন্ত্র ওঁ-কার দিয়ে ই হয় শুরু।


খ্রিস্টধর্মের প্রতীক ক্রুশ ও বেল।
ক্রুশ হলো পবিত্রতার প্রতীক।
যার অর্থ মানবজাতির পরিত্রাণ।
বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি অতি পবিত্র।
এই ঘণ্টার আওয়জ যতদূর যায়
ততদূর পবিত্র থাকে।
এই ঘণ্টার শব্দের দ্বারা পরমপিতাকে
আহ্বান করা হয়।
এ জন্য গির্জায় নির্দিষ্ট সময়ের অন্তর ঘণ্টা বাজে।
এই ঘণ্টার মধুর আওয়াজ এর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর অনুরাগীদেরও আহ্বান করা হয়।


সনাতন ধর্মে দু’রকমের প্রতীক আছে,
শব্দ প্রতীক ও সাকার প্রতীক।
শব্দের মধ্য দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয়।
ওঁ-কারকে ত্র্যক্ষরও বলা হয়,
কারণ ওঁ তিনটি মাত্রাযুক্ত ।


‘ওঁ’, ওঁ উচ্চারণ অত্যন্ত পবিত্র। ঈশ্বরের তিনটি কর্ম— সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশ।
এই তিন কার্য সম্পন্ন করার জন্য তিন দেবতার সৃষ্টি করেছেন।
এঁরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।
অন্যান্য সকল দেবদেবী এঁদের অধীন।
তাই ওঁ- অ উ ম, এই তিন অক্ষর,
তিন দেবতার শক্তির পরিচয়।


অ- সৃষ্টির সূচক (ব্রহ্মা)
উ- স্থিতির সূচক (বিষ্ণু)
ম- বিনাশের সূচক (শঙ্কর)


ইংরেজিতে GOD শব্দের অর্থও তাই।
G- Generator (সৃষ্টি)
O- Operator (স্থিতি বা পালন)
D- Destructor (লয় বা বিনাশ)।


ওঁ উচ্চারণ করলে শারীরিক ও মানসিক শক্তির সৃষ্টি হয়। মনে একাগ্রতা আসে।


ওঁ বা ওঁ-কার (অপর বানানে ওঙ্কার)
সংস্কৃত, অ + উ +ম্।


‘অ-কার’, ‘উ-কার’ ও ‘ম-কার’।
‘অ-কার’= ‘আপ্তি’ বা ‘আদিমত্ত্ব’ অর্থাৎ প্রারম্ভের প্রতীক।
‘উ-কার’= ‘উৎকর্ষ’ বা ‘অভেদত্ব’-এর প্রতীক। ‘ম-কার’= ‘মিতি’ বা ‘অপীতি’ অর্থাৎ লয়ের প্রতীক।


এটি হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।
স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।
” রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবার কথামতে, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ শব্দটি সংস্কৃত ‘অব’ ধাতু থেকে উৎপন্ন, যা একাধারে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে প্রযোজ্য। এই বুৎপত্তি অনুযায়ী ওঁ-কার এমন এক শক্তি যা সর্বজ্ঞ, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের শাসনকর্তা, অমঙ্গল থেকে রক্ষাকর্তা, ভক্তবাঞ্ছাপূর্ণকারী, অজ্ঞাননাশক ও জ্ঞানপ্রদাতা।
কারুর মতে ওঁ-কার সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় সংঘটনকারী ঈশ্বরের প্রতীক।


পতঞ্জলির যোগসূত্র-এ ওঁ-কারকে ঈশ্বরের প্রতীক বলে বর্ণিত হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ওঁ-কারের স্মরণ ও উচ্চারণে সমাধি লাভ করা যায়।


মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও ওঁ-কার ব্যবহৃত হয়।


কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।
মুণ্ডক উপনিষদে ওঁ-কার অবলম্বনে ঈশ্বরোপাসনার কথা বলা হয়েছে।


শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, তিনি সকল
অক্ষরের মধ্যে ওঁ-কার।
গীতায় (৭ অধ্যায় /৮ নং শ্লোক) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
“আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের কিরণ, বেদের ওঁ(প্রণব), আকাশে শব্দ ও মানুষের মধ্য পুরুষত্ব রূপে বিরাজ করি।”


ওঁ-কারের বারংবার উচ্চারণে মানুষ তার পাশব প্রবৃত্তি জয় করতে সমর্থ হয়।


মৃত্যুকালে ওঁ-কারের উচ্চারণে
পরম সত্য লাভ হয়।


ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের
প্রতিনিধিস্বরূপ ও তাঁর শ্রেষ্ঠ নাম।বেদ, উপনিষদ, গীতা ও অন্যান্য হিন্দুশাস্ত্রে সর্বত্রই ওঁ-কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।


ওঁ-কার প্রণব,যার আক্ষরিক অর্থ, ‘যা উচ্চারণ করে স্তব করা হয়’।
প্রণব বা ত্র্যক্ষর হিন্দুধর্মেরপবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক।
এর অপর অর্থ, ‘যা চিরনূতন’।


রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতে, “...ওঁ হইতে
‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।”
ওঁ-কার বৌদ্ধ ও জৈনদেরও একটি পবিত্র প্রতীক।
শিখ সম্প্রদায়ও এটিকে সম্মান করেন।
এই প্রতীকের দেবনাগরী রূপ ॐ,


ওঁ -প্রণব(ব্রহ্ম), তৎ-জীব, সৎ-জগৎ।
ব্রহ্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ বেদ।
জীবের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ব্রহ্মজ্ঞ।
জগত কর্মময়।
কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ যজ্ঞ।
সুতরাং, “ওঁ তৎ সৎ” মন্ত্রে
বেদ, ব্রহ্মজ্ঞ ও যজ্ঞকে বোঝায়।
সেই কারনে সকল কাজের শুভ ফল লাভের জন্য কাজের শুরুতেই------
“ওঁ তৎ সৎ ”
উচ্চারণ করে শুরু করা উচিৎ।


ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।
নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব।
এই সক্রিয় ভাব হতেই সৃষ্টির বিকাশ।


ওঁ এবং ঔঁ-কার এদের মাঝে পার্থক্য কি?
পার্থক্য শুধু বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়।
ওঁ- কার বাংলায় এবং ঔঁ-কার সংস্কৃতিতে।
শ্রী শ্রী স্বামী স্বরুপানন্দ পরমহংসদেব বলেছেন- “ওঁ, ওম, ঔং, অউম, ঔঁ” এই পাঁচ প্রকার উচ্চারণের মধ্য বস্তুগত বা অর্থগত কোনো পার্থক্য নেই।


আমাদের সনাতন ধর্মে ওঁ-কার কে বলা হয় পবিত্রতা ও মঙ্গলতার প্রতীক। প্রণব বা ওঁ-কারই বেদের নির্যাস ও ব্রহ্মবস্তু।


ওঁ বা প্রণব হচ্ছে মন্ত্রের প্রাণ। পূজা বা ধ্যানের সময় মন্ত্র উচ্চারণে “প্রণব” না থাকলে মন্ত্রের ক্রিয়া হয় না, প্রাণশক্তি নেই বলে।


<---©-আদ্যনাথ--->
【--anrc--24/03/2019--】
【=রাত্রি:08:10:11=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】


=============================






|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||02/03/2017----------------------( N )




अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।


हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।




"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।




ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है।चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं।सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।
बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।


गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।


इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।


यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।


||-©➽-ANRC--02/03/2017-------------------||


||===========================||


||-ॐ-कार तत्व चिंतन -||
<---©-आद्यनाथ--->


ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


सृष्टि के प्रारम्भ में
सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही उत्पन्न हुआ।
इस ओं-कार प्रोकितिके पंचतत्व के साथ






============================
ओम् हिंदी में om
गुरुमुखी में 'एक ओंकार'








ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।


यह ईश्वर का वाचक है।


ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।


संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।


सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।


तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।


ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।






कठोपनिषद में लिखा है
आत्मा को अधर अरणि और ओंकार को उत्तर अरणि बनाकर मंथन रूप अभ्यास करने से दिव्य ज्ञानरूप ज्योति का आविर्भाव होता है।






श्रीमद्भगवद्गीता में भी ओंकार को एकाक्षर ब्रह्म कहा है।


मांडूक्योपनिषत् में भूत, भवत् या वर्तमान और भविष्य–त्रिकाल–ओंकारात्मक ही कहा गया है।


यहाँ त्रिकाल से अतीत तत्व भी ओंकार ही कहा गया है।


आत्मा अक्षर की दृष्टि से ओंकार है और मात्रा की दृष्टि से अ, उ और म रूप है।


चतुर्थ पाद में मात्रा नहीं है एवं वह व्यवहार से अतीत तथा प्रपंचशून्य अद्वैत है।


इसका अभिप्राय यह है कि ओंकारात्मक शब्द ब्रह्म और उससे अतीत परब्रह्म दोनों ही अभिन्न तत्व हैं।


वैदिक वाङमय के सदृश धर्मशास्त्र, पुराण तथा आगम साहित्य में भी ओंकार की महिमा सर्वत्र पाई जाती है।


इसी प्रकार बौद्ध तथा जैन संप्रदाय में भी सर्वत्र ओंकार के प्रति श्रद्धा की अभिव्यक्ति देखी जाती है।


प्रणव शब्द का अर्थ है– प्रकर्षेणनूयते स्तूयते अनेन इति, नौति स्तौति इति वा प्रणव:।


प्रणव का बोध कराने के लिए उसका विश्लेषण आवश्यक है।
यहाँ प्रसिद्ध आगमों की प्रक्रिया के अनुसार विश्लेषण क्रिया का कुछ दिग्दर्शन कराया के का है।


ओंकार के अवयवों का नाम है–अ, उ, म, बिन्दु, अर्धचंद्र रोधिनी, नाद, नादांत, शक्ति, व्यापिनी या महाशून्य, समना तथा उन्मना।


इनमें से अकार, उकार और मकार ये तीन सृष्टि, स्थिति और ‍ तथा दीर्घ मात्राओं का स्थितिकाल क्रमश: संक्षिप्त होकर अंत में एक मात्रा में पर्यवसित हो जाता है।
यह ह्रस्व स्वर का उच्चारण काल माना जाता है।


इसी एक मात्रा पर समग्र विश्व प्रतिष्ठित है।


विक्षिप्त भूमि से एकाग्र भूमि में पहुँचने पर प्रणव की इसी एक मात्रा में स्थिति होती है।


एकाग्र से निरोध अवस्था में जाने के लिए इस एम मात्रा का भी भेद कर अर्धमात्रा में प्रविष्ट हुआ जाता है।


तदुपरांत क्रमश: सूक्ष्म और सूक्ष्मतर मात्राओं का भेद करना पड़ता है।


बिन्दु अर्धमात्रा है।


उसके अनंतर प्रत्येक स्तर में मात्राओं का विभाग है।


समना भूमि में जाने के बाद मात्राएँ इतनी सूक्ष्म हो जाती हैं कि किसी योगी अथवा योगीश्वरों के लिए उसके आगे बढ़वा संभव नहीं होता, अर्थात् वहाँ की मात्रा वास्तव में अविभाज्य हो जाती है।


आचार्यो का उपदेश है कि इसी स्थान में मात्राओं को समर्पित कर अमात्र भूमि में प्रवेश करना चाहिए।


इसका थोड़ा सा आभास मांडूक्य उपनिषद् में मिलता है।


बिन्दु मन का ही रूप है। मात्राविभाग के साथ-साथ मन अधिकाधिक सूक्ष्म होता जाता है।


अमात्र भूमि में मन, काल, कलना, देवता और प्रपंच, ये कुछ भी नहीं रहते।


इसी को उन्मनी स्थिति कहते हैं।


वहाँ स्वयंप्रकाश ब्रह्म निरंतर प्रकाशमान रहता है।


योगी संप्रदाय में स्वच्छंद तंत्र के अनुसार ओंकारसाधना का एक क्रम प्रचलित है।


उसके अनुसार "अ" समग्र स्थूल जगत् का द्योतक है और उसके ऊपर स्थित कारणजगत् का वाचक है मकार।


कारण सलिल में विधृत, स्थूल आदि तीन जगतों के प्रतीक अ, उ और म हैं।


ऊर्ध्व गति के प्रभाव से शब्दमात्राओं का मकार में लय हो जाता है।


तदनंतर मात्रातीत की ओर गति होती है।


म पर्यत गति को अनुस्वार गति कहते हैं।


अनुस्वार की प्रतिष्ठा अर्धमात्रा में विसर्गरूप में होती है।


इतना होने पर मात्रातीत में जाने के लिए द्वार खुल जाता है।


वस्तुत: अमात्र की गति बिंदु से ही प्रारंभ हो जाती है।


तंत्र शास्त्र में इस प्रकार का मात्राविभाग नौ नादों की सूक्ष्म योगभूमियां के नाम से प्रसिद्ध है।


इस प्रसंग में यह स्मरणीय है कि बिंदु अशेष वेद्यों के अभेद ज्ञान का ही नाम है और नाद अशेष वाचकों के विमर्शन का नाम है।


इसका तात्पर्य यह है कि अ, उ और म प्रणव के इन तीन अवयवों का अतिक्रमण करने पर अर्थतत्व का अवश्य ही भेद हो जाता है।


उसका कारण यह है कि यहाँ योगी को सब पदार्थो के ज्ञान के लिए सर्वज्ञत्व प्राप्त हो जाता है एवं उसके बाद बिंदुभेद करने पर वह उस ज्ञान का भी अतिक्रमण कर लेता है।


अर्थ और ज्ञान इन दोनों के ऊपर केवल नाद ही अवशिष्ट रहता है एवं नाद की नादांत तक की गति में नाद का भी भेद हो जाता है।


उस समय केवल कला या शक्ति ही विद्यमान रहती है। जहाँ शक्ति या चित् शक्ति प्राप्त हो गई वहाँ ब्रह्म का प्रकाशमान होना स्वत: ही सिद्ध है।


इस प्रकार प्रणव के सूक्ष्म उच्चारण द्वारा विश्व का भेद होने पर विश्वातीत तक सत्ता की प्राप्ति हो जाती है।


स्वच्छंद तंत्र में यह दिखाया गया है कि ऊर्ध्व गति में किस प्रकार कारणों का परित्याग होते होते अखंड पूर्णतत्व में स्थिति हो जाती है।


"अ" ब्रह्मा का वाचक है; उच्चारण द्वारा हृदय में उसका त्याग होता है।


"उ" विष्णु का वाचक हैं; उसका त्याग कंठ में होता है तथा "म" रुद्र का वाचक है ओर उसका त्याग तालुमध्य में होता है।


इसी प्रणाली से ब्रह्मग्रंथि, विष्णुग्रंथि तथा रुद्रग्रंथि का छेदन हो जाता है।


तदनंतर बिंदु है, जो स्वयं ईश्वर रूप है अर्थात् बिंदु से क्रमश: ऊपर की ओर वाच्यवाचक का भेद नहीं रहता।


भ्रूमध्य में बिंदु का त्याग होता है।


नाद सदाशिवरूपी है।


ललाट से मूर्धा तक के स्थान में उसका त्याग करना पड़ता है।


यहाँ तक का अनुभव स्थूल है।


इसके आगे शक्ति का व्यापिनी तथा समना भूमियों में सूक्ष्म अनुभव होने लगता है।


इस भूमि के वाच्य शिव हैं, जो सदाशिव से ऊपर तथा परमशिव से नीचे रहते हैं।


मूर्धा के ऊपर स्पर्शनुभूति के अनंतर शक्ति का भी त्याग हो जाता है एवं उसके ऊपर व्यापिनी का भी त्याग हो जाता है।


उस समय केवल मनन मात्र रूप का अनुभव होता है। यह समना भूमि का परिचय है।


इसके बाद ही मनन का त्याग हो जाता है।


इसके उपरांत कुछ समय तक मन के अतीत विशुद्ध आत्मस्वरूप की झलक दीख पड़ती है।


इसके अनंतर ही परमानुग्रहप्राप्त योगी का उन्मना शक्ति में प्रवेश होता है।


इसी को परमपद या परमशिव की प्राप्ति समझना चाहिए और इसी को एक प्रकार से उन्मना का त्याग भी माना जा सकता है।


इस प्रकार ब्रह्मा से शिवपर्यन्त छह कारणों का उल्लंघन हो जाने पर अखंड परिपूर्ण सत्ता में स्थिति हो जाती है।






गुरु नानक जी का शब्द एक ओंकार सतनाम बहुत प्रचलित तथा शत्प्रतिशत सत्य है।


एक ओंकार ही सत्य नाम है।


राम, कृष्ण सब फलदायी नाम ओंकार पर निहित हैं तथा ओंकार के कारण ही इनका महत्व है।


बाँकी नामों को तो हमने बनाया है परंतु ओंकार ही है जो स्वयंभू है तथा हर शब्द इससे ही बना है।


हर ध्वनि में ओउ्म शब्द होता है।






ओउ्म तीन शब्द 'अ' 'उ' 'म' से मिलकर बना है जो त्रिदेव ब्रह्मा, विष्णु और महेश तथा त्रिलोक भूर्भुव: स्व: भूलोक भुव: लोक तथा स्वर्ग लोक का प्रतीक है।






पद्माशन में बैठ कर इसका जप करने से मन को शांति तथा एकाग्रता की प्राप्ति होती है, वैज्ञानिकों तथा ज्योतिषियों को कहना है कि ओउ्म तथा एकाक्षरी मंत्र


का पाठ करने में दाँत, नाक, जीभ सब का उपयोग होता है जिससे हार्मोनल स्राव कम होता है तथा ग्रंथि स्राव को कम करके यह शब्द कई बीमारियों से रक्षा तथा शरीर के सात चक्र (कुंडलिनी) को जागृत करता है।


तस्य वाचकः प्रणवःउस ईश्वर का वाचक प्रणव 'ॐ' है।


अक्षरका अर्थ जिसका कभी क्षरण न हो।


ऐसे तीन अक्षरों— अ उ और म से मिलकर बना है ॐ।


माना जाता है कि सम्पूर्ण ब्रह्माण्डसे सदा ॐ की ध्वनी निसृत होती रहती है।


हमारी और आपके हर श्वास से ॐ की ही ध्वनि निकलती है।


यही हमारे-आपके श्वास की गति को नियंत्रित करता है।


माना गया है कि अत्यन्त पवित्र और शक्तिशाली है ॐ।


किसी भी मंत्र से पहले यदि ॐ जोड़ दिया जाए तो वह पूर्णतया शुद्ध और शक्ति-सम्पन्न हो जाता है।


किसी देवी-देवता, ग्रह या ईश्वर के मंत्रों के पहले ॐ लगाना आवश्यक होता है,






कहा जाता है कि ॐ से रहित कोई मंत्र फलदायी नहीं होता,


चाहे उसका कितना भी जाप हो।


मंत्र के रूप में मात्र ॐ भी पर्याप्त है।


माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।


ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।


"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।


इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।


ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।




ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।


मात्र ॐ का जप कर कई साधकों ने अपने उद्देश्य की प्राप्ति कर ली।


कोशीतकी ऋषि निस्संतान थे, संतान प्राप्तिके लिए उन्होंने सूर्यका ध्यान कर ॐ का जाप किया तो उन्हे पुत्र प्राप्ति हो गई।


गोपथ ब्राह्मण ग्रन्थ में उल्लेख है कि जो "कुश" के आसन पर पूर्व की ओर मुख कर एक हज़ार बार ॐ रूपी मंत्र का जाप करता है, उसके सब कार्य सिद्ध हो जाते हैं।


श्रीमद्मागवत् में ॐ के महत्व को कई बार रेखांकित किया गया है।


श्री गीता जी के आठवें अध्याय में उल्लेख मिलता है कि जो ॐ अक्षर रूपी ब्रह्म का उच्चारण करता हुआ शरीर त्याग करता है, वह परम गति प्राप्त करता है।


ॐ अर्थात् ओउम् तीन अक्षरों से बना है, जो सर्व विदित है।


अ उ म्।


"अ" का अर्थ है आर्विभाव या उत्पन्न होना,
"उ" का तात्पर्य है उठना, उड़ना अर्थात् विकास, "म" का मतलब है मौन हो जाना अर्थात् "ब्रह्मलीन" हो जाना।


ॐ सम्पूर्ण ब्रह्माण्ड की उत्पत्ति और पूरी सृष्टि का द्योतक है।


ॐ में प्रयुक्त "अ" तो सृष्टि के जन्म की ओर इंगित करता है, वहीं "उ" उड़ने का अर्थ देता है, जिसका मतलब है "ऊर्जा" सम्पन्न होना।


शं किसी ऊर्जावान मंदिर या तीर्थस्थल जाने पर वहाँ की अगाध ऊर्जा ग्रहण करने के बाद व्यक्ति स्वप्न में स्वयं को आकाश में उड़ता हुआ देखता है।


मौन का महत्व ज्ञानियों ने बताया ही है। अंग्रजी में एक उक्ति है — "साइलेंस इज़ सिल्वर ऍण्ड ऍब्सल्यूट साइलेंस इज़ गोल्ड"।


श्री गीता जी में परमेश्वर श्रीकृष्ण ने मौन के महत्व को प्रतिपादित करते हुए स्वयं को मौनका ही पर्याय बताया है —


"ध्यान बिन्दुपनिषद्" के अनुसार ॐ मन्त्र की विशेषता यह है कि पवित्र या अपवित्र सभी स्थितियों में जो इसका जप करता है, उसे लक्ष्य की प्राप्ति अवश्य होती है। जिस तरह कमल-पत्र पर जल नहीं ठहरता है, ठीक उसी तरह जप-कर्ता पर कोई कलुष नहीं लगता।


अर्थातः- ॐ ही ब्रह्म है।
ॐ ही यह प्रत्यक्ष जगत् है।
ॐ ही इसकी (जगत की) अनुकृति है।
हे आचार्य! ॐ के विषय में और भी सुनाएँ।
आचार्य सुनाते हैं।
ॐ से प्रारम्भ करके साम गायक सामगान करते हैं। ॐ-ॐ कहते हुए ही शस्त्र रूप मन्त्र पढ़े जाते हैं।
ॐ से ही अध्वर्यु प्रतिगर मन्त्रों का उच्चारण करता है।
ॐ कहकर ही अग्निहोत्र प्रारम्भ किया जाता है।


अध्ययन के समय ब्राह्मण ॐ कहकर ही ब्रह्म को प्राप्त करने की बात करता है।


ॐ के द्वारा ही वह ब्रह्म को प्राप्त करता है।
, समस्त तपों को जिसकी प्राप्ति के साधक कहते हैं


, जिसकी इक्षा से (मुमुक्षुजन) ब्रह्मचर्य का पालन करते है,


उस पद को मैं तुमसे संक्षेप में कहता हूँ।


ॐ यही वह पद है।




अर्थातः- साधक ऋग्वेद द्वारा इस लोक को,


यजुर्वेद द्वारा आन्तरिक्ष को


और सामवेद द्वारा उस लोक को प्राप्त होता है


जिसे विद्वजन जानते हैं।


तथा उस ओंंकाररूप आलम्बन के द्वारा ही विद्वान् उस लोक को प्राप्त होता है जो शान्त, अजर, अमर, अभय एवं सबसे पर (श्रेष्ठ) है।




अर्थातः- प्रणव धनुषहै, (सोपाधिक) आत्मा बाण है और ब्रह्म उसका लक्ष्य कहा जाता है।


उसका सावधानी पूर्वक बेधन करना चाहिए और बाण के समान तन्मय हो जाना चाहिए




अर्थातः-ॐ यह अक्षर ही सब कुछ है।


यह जो कुछ भूत, भविष्यत् और वर्तमान है उसी की व्याख्या है;


इसलिये यह सब ओंकार ही है।


इसके सिवा जो अन्य त्रिकालातीत वस्तु है वह भी ओंकार ही है।


वह यह आत्मा ही अक्षर दृष्टि से ओंंकार है;


वह मात्राओं का विषय करके स्थित है।


पाद ही मात्रा है और मात्रा ही पाद है; वे मात्रा अकार, उकार और मकार हैं।


सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ॐ को महत्व प्राप्त है।


बौद्ध-दर्शन में "मणिपद्मेहुम" का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है।


इस मंत्र के अनुसार ॐ को "मणिपुर" चक्र में अवस्थित माना जाता है।


यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है।


जैन दर्शन में भी ॐ के महत्व को दर्शाया गया है।


महात्मा कबीर र्निगुण सन्त एवं कवि थे।


उन्होंने भी ॐ के महत्व को स्वीकारा और इस पर "साखियाँ" भी लि




ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !


==========================
















||-ॐ-कार तत्व चिंतन -||

<---©-आद्यनाथ--->









ॐ असतो मा सद्ग्मय ।
तमसो मा ज्योतिर्गमय ।
मृत्योर्मा अमृतं गमय ।
आविरा: वीर्म एधिं।
ॐ शांति: शांति: शांति: !










सृस्टि के प्रारम्भ में

ओंकाररूपी प्रणव ही हुंया उत्पन्न


इस ओंकार मिले प्रकिति के पंचतत्व के साथ

तव हुयां जीबन के सृस्टि।








**ओंकार के अवयवों का नाम है–अ, उ, म, बिन्दु, अर्धचंद्र रोधिनी, नाद, नादांत, शक्ति, व्यापिनी या महाशून्य, समना तथा उन्मना



















================================

गुरुमुखी में 'एक ओंकार'













ओ३म् (ॐ) या ओंकार का नामांतर प्रणव है।




यह ईश्वर का वाचक है।




ईश्वर के साथ ओंकार का वाच्य-वाचक-भाव संबंध नित्य है, सांकेतिक नहीं।




संकेत नित्य या स्वाभाविक संबंध को प्रकट करता है।




सृष्टि के आदि में सर्वप्रथम ओंकाररूपी प्रणव का ही स्फुरण होता है।




तदनंतर सात करोड़ मंत्रों का आविर्भाव होता है। इन मंत्रों के वाच्य आत्मा के देवता रूप में प्रसिद्ध हैं।




ये देवता माया के ऊपर विद्यमान रह कर मायिक सृष्टि का नियंत्रण करते हैं। इन में से आधे शुद्ध मायाजगत् में कार्य करते हैं और शेष आधे अशुद्ध या मलिन मायिक जगत् में। इस एक शब्द को ब्रह्मांड का सार माना जाता है, 16 श्लोकों में इसकी महिमा वर्णित है।










कठोपनिषद में लिखा है

आत्मा को अधर अरणि और ओंकार को उत्तर अरणि बनाकर मंथन रूप अभ्यास करने से दिव्य ज्ञानरूप ज्योति का आविर्भाव होता है।










श्रीमद्भगवद्गीता में भी ओंकार को एकाक्षर ब्रह्म कहा है।




मांडूक्योपनिषत् में भूत, भवत् या वर्तमान और भविष्य–त्रिकाल–ओंकारात्मक ही कहा गया है।




यहाँ त्रिकाल से अतीत तत्व भी ओंकार ही कहा गया है।




आत्मा अक्षर की दृष्टि से ओंकार है और मात्रा की दृष्टि से अ, उ और म रूप है।




चतुर्थ पाद में मात्रा नहीं है एवं वह व्यवहार से अतीत तथा प्रपंचशून्य अद्वैत है।




इसका अभिप्राय यह है कि ओंकारात्मक शब्द ब्रह्म और उससे अतीत परब्रह्म दोनों ही अभिन्न तत्व हैं।




वैदिक वाङमय के सदृश धर्मशास्त्र, पुराण तथा आगम साहित्य में भी ओंकार की महिमा सर्वत्र पाई जाती है।




इसी प्रकार बौद्ध तथा जैन संप्रदाय में भी सर्वत्र ओंकार के प्रति श्रद्धा की अभिव्यक्ति देखी जाती है।




प्रणव शब्द का अर्थ है– प्रकर्षेणनूयते स्तूयते अनेन इति, नौति स्तौति इति वा प्रणव:।




प्रणव का बोध कराने के लिए उसका विश्लेषण आवश्यक है।

यहाँ प्रसिद्ध आगमों की प्रक्रिया के अनुसार विश्लेषण क्रिया का कुछ दिग्दर्शन कराया के का है।










इनमें से अकार, उकार और मकार ये तीन सृष्टि, स्थिति और ‍ तथा दीर्घ मात्राओं का स्थितिकाल क्रमश: संक्षिप्त होकर अंत में एक मात्रा में पर्यवसित हो जाता है।

यह ह्रस्व स्वर का उच्चारण काल माना जाता है।




इसी एक मात्रा पर समग्र विश्व प्रतिष्ठित है।




विक्षिप्त भूमि से एकाग्र भूमि में पहुँचने पर प्रणव की इसी एक मात्रा में स्थिति होती है।




एकाग्र से निरोध अवस्था में जाने के लिए इस एम मात्रा का भी भेद कर अर्धमात्रा में प्रविष्ट हुआ जाता है।




तदुपरांत क्रमश: सूक्ष्म और सूक्ष्मतर मात्राओं का भेद करना पड़ता है।




बिन्दु अर्धमात्रा है।




उसके अनंतर प्रत्येक स्तर में मात्राओं का विभाग है।




समना भूमि में जाने के बाद मात्राएँ इतनी सूक्ष्म हो जाती हैं कि किसी योगी अथवा योगीश्वरों के लिए उसके आगे बढ़वा संभव नहीं होता, अर्थात् वहाँ की मात्रा वास्तव में अविभाज्य हो जाती है।




आचार्यो का उपदेश है कि इसी स्थान में मात्राओं को समर्पित कर अमात्र भूमि में प्रवेश करना चाहिए।




इसका थोड़ा सा आभास मांडूक्य उपनिषद् में मिलता है।




बिन्दु मन का ही रूप है। मात्राविभाग के साथ-साथ मन अधिकाधिक सूक्ष्म होता जाता है।




अमात्र भूमि में मन, काल, कलना, देवता और प्रपंच, ये कुछ भी नहीं रहते।




इसी को उन्मनी स्थिति कहते हैं।




वहाँ स्वयंप्रकाश ब्रह्म निरंतर प्रकाशमान रहता है।




योगी संप्रदाय में स्वच्छंद तंत्र के अनुसार ओंकारसाधना का एक क्रम प्रचलित है।




उसके अनुसार "अ" समग्र स्थूल जगत् का द्योतक है और उसके ऊपर स्थित कारणजगत् का वाचक है मकार।




कारण सलिल में विधृत, स्थूल आदि तीन जगतों के प्रतीक अ, उ और म हैं।




ऊर्ध्व गति के प्रभाव से शब्दमात्राओं का मकार में लय हो जाता है।




तदनंतर मात्रातीत की ओर गति होती है।




म पर्यत गति को अनुस्वार गति कहते हैं।




अनुस्वार की प्रतिष्ठा अर्धमात्रा में विसर्गरूप में होती है।




इतना होने पर मात्रातीत में जाने के लिए द्वार खुल जाता है।




वस्तुत: अमात्र की गति बिंदु से ही प्रारंभ हो जाती है।




तंत्र शास्त्र में इस प्रकार का मात्राविभाग नौ नादों की सूक्ष्म योगभूमियां के नाम से प्रसिद्ध है।




इस प्रसंग में यह स्मरणीय है कि बिंदु अशेष वेद्यों के अभेद ज्ञान का ही नाम है और नाद अशेष वाचकों के विमर्शन का नाम है।




इसका तात्पर्य यह है कि अ, उ और म प्रणव के इन तीन अवयवों का अतिक्रमण करने पर अर्थतत्व का अवश्य ही भेद हो जाता है।




उसका कारण यह है कि यहाँ योगी को सब पदार्थो के ज्ञान के लिए सर्वज्ञत्व प्राप्त हो जाता है एवं उसके बाद बिंदुभेद करने पर वह उस ज्ञान का भी अतिक्रमण कर लेता है।




अर्थ और ज्ञान इन दोनों के ऊपर केवल नाद ही अवशिष्ट रहता है एवं नाद की नादांत तक की गति में नाद का भी भेद हो जाता है।




उस समय केवल कला या शक्ति ही विद्यमान रहती है। जहाँ शक्ति या चित् शक्ति प्राप्त हो गई वहाँ ब्रह्म का प्रकाशमान होना स्वत: ही सिद्ध है।




इस प्रकार प्रणव के सूक्ष्म उच्चारण द्वारा विश्व का भेद होने पर विश्वातीत तक सत्ता की प्राप्ति हो जाती है।




स्वच्छंद तंत्र में यह दिखाया गया है कि ऊर्ध्व गति में किस प्रकार कारणों का परित्याग होते होते अखंड पूर्णतत्व में स्थिति हो जाती है।




"अ" ब्रह्मा का वाचक है; उच्चारण द्वारा हृदय में उसका त्याग होता है।




"उ" विष्णु का वाचक हैं; उसका त्याग कंठ में होता है तथा "म" रुद्र का वाचक है ओर उसका त्याग तालुमध्य में होता है।




इसी प्रणाली से ब्रह्मग्रंथि, विष्णुग्रंथि तथा रुद्रग्रंथि का छेदन हो जाता है।




तदनंतर बिंदु है, जो स्वयं ईश्वर रूप है अर्थात् बिंदु से क्रमश: ऊपर की ओर वाच्यवाचक का भेद नहीं रहता।




भ्रूमध्य में बिंदु का त्याग होता है।




नाद सदाशिवरूपी है।




ललाट से मूर्धा तक के स्थान में उसका त्याग करना पड़ता है।




यहाँ तक का अनुभव स्थूल है।




इसके आगे शक्ति का व्यापिनी तथा समना भूमियों में सूक्ष्म अनुभव होने लगता है।




इस भूमि के वाच्य शिव हैं, जो सदाशिव से ऊपर तथा परमशिव से नीचे रहते हैं।




मूर्धा के ऊपर स्पर्शनुभूति के अनंतर शक्ति का भी त्याग हो जाता है एवं उसके ऊपर व्यापिनी का भी त्याग हो जाता है।




उस समय केवल मनन मात्र रूप का अनुभव होता है। यह समना भूमि का परिचय है।




इसके बाद ही मनन का त्याग हो जाता है।




इसके उपरांत कुछ समय तक मन के अतीत विशुद्ध आत्मस्वरूप की झलक दीख पड़ती है।




इसके अनंतर ही परमानुग्रहप्राप्त योगी का उन्मना शक्ति में प्रवेश होता है।




इसी को परमपद या परमशिव की प्राप्ति समझना चाहिए और इसी को एक प्रकार से उन्मना का त्याग भी माना जा सकता है।




इस प्रकार ब्रह्मा से शिवपर्यन्त छह कारणों का उल्लंघन हो जाने पर अखंड परिपूर्ण सत्ता में स्थिति हो जाती है।










गुरु नानक जी का शब्द एक ओंकार सतनाम बहुत प्रचलित तथा शत्प्रतिशत सत्य है।




एक ओंकार ही सत्य नाम है।




राम, कृष्ण सब फलदायी नाम ओंकार पर निहित हैं तथा ओंकार के कारण ही इनका महत्व है।




बाँकी नामों को तो हमने बनाया है परंतु ओंकार ही है जो स्वयंभू है तथा हर शब्द इससे ही बना है।




हर ध्वनि में ओउ्म शब्द होता है।










ओउ्म तीन शब्द 'अ' 'उ' 'म' से मिलकर बना है जो त्रिदेव ब्रह्मा, विष्णु और महेश तथा त्रिलोक भूर्भुव: स्व: भूलोक भुव: लोक तथा स्वर्ग लोक का प्रतीक है।










पद्माशन में बैठ कर इसका जप करने से मन को शांति तथा एकाग्रता की प्राप्ति होती है, वैज्ञानिकों तथा ज्योतिषियों को कहना है कि ओउ्म तथा एकाक्षरी मंत्र




का पाठ करने में दाँत, नाक, जीभ सब का उपयोग होता है जिससे हार्मोनल स्राव कम होता है तथा ग्रंथि स्राव को कम करके यह शब्द कई बीमारियों से रक्षा तथा शरीर के सात चक्र (कुंडलिनी) को जागृत करता है।




तस्य वाचकः प्रणवःउस ईश्वर का वाचक प्रणव 'ॐ' है।




अक्षरका अर्थ जिसका कभी क्षरण न हो।




ऐसे तीन अक्षरों— अ उ और म से मिलकर बना है ॐ।




माना जाता है कि सम्पूर्ण ब्रह्माण्डसे सदा ॐ की ध्वनी निसृत होती रहती है।




हमारी और आपके हर श्वास से ॐ की ही ध्वनि निकलती है।




यही हमारे-आपके श्वास की गति को नियंत्रित करता है।




माना गया है कि अत्यन्त पवित्र और शक्तिशाली है ॐ।




किसी भी मंत्र से पहले यदि ॐ जोड़ दिया जाए तो वह पूर्णतया शुद्ध और शक्ति-सम्पन्न हो जाता है।




किसी देवी-देवता, ग्रह या ईश्वर के मंत्रों के पहले ॐ लगाना आवश्यक होता है,










कहा जाता है कि ॐ से रहित कोई मंत्र फलदायी नहीं होता,




चाहे उसका कितना भी जाप हो।




मंत्र के रूप में मात्र ॐ भी पर्याप्त है।




माना जाता है कि एक बार ॐ का जाप हज़ार बार किसी मंत्र के जाप से महत्वपूर्ण है।




ॐ का दूसरा नाम प्रणव (परमेश्वर) है।




"तस्य वाचकः प्रणवः" अर्थात् उस परमेश्वर का वाचक प्रणव है।




इस तरह प्रणव अथवा ॐ एवं ब्रह्म में कोई भेद नहीं है।




ॐ अक्षर है इसका क्षरण अथवा विनाश नहीं होता।







ॐ धर्म, अर्थ, काम, मोक्ष इन चारों पुरुषार्थों का प्रदायक है।




मात्र ॐ का जप कर कई साधकों ने अपने उद्देश्य की प्राप्ति कर ली।




कोशीतकी ऋषि निस्संतान थे, संतान प्राप्तिके लिए उन्होंने सूर्यका ध्यान कर ॐ का जाप किया तो उन्हे पुत्र प्राप्ति हो गई।




गोपथ ब्राह्मण ग्रन्थ में उल्लेख है कि जो "कुश" के आसन पर पूर्व की ओर मुख कर एक हज़ार बार ॐ रूपी मंत्र का जाप करता है, उसके सब कार्य सिद्ध हो जाते हैं।




श्रीमद्मागवत् में ॐ के महत्व को कई बार रेखांकित किया गया है।




श्री गीता जी के आठवें अध्याय में उल्लेख मिलता है कि जो ॐ अक्षर रूपी ब्रह्म का उच्चारण करता हुआ शरीर त्याग करता है, वह परम गति प्राप्त करता है।




ॐ अर्थात् ओउम् तीन अक्षरों से बना है, जो सर्व विदित है।




अ उ म्।




"अ" का अर्थ है आर्विभाव या उत्पन्न होना,

"उ" का तात्पर्य है उठना, उड़ना अर्थात् विकास,

"म" का मतलब है मौन हो जाना अर्थात् "ब्रह्मलीन" हो जाना।




ॐ सम्पूर्ण ब्रह्माण्ड की उत्पत्ति और पूरी सृष्टि का द्योतक है।




ॐ में प्रयुक्त "अ" तो सृष्टि के जन्म की ओर इंगित करता है,

वहीं "उ" उड़ने का अर्थ देता है, जिसका मतलब है "ऊर्जा" सम्पन्न होना।




शं किसी ऊर्जावान मंदिर या तीर्थस्थल जाने पर वहाँ की अगाध ऊर्जा ग्रहण करने के बाद व्यक्ति स्वप्न में स्वयं को आकाश में उड़ता हुआ देखता है।




मौन का महत्व ज्ञानियों ने बताया ही है। अंग्रजी में एक उक्ति है — "साइलेंस इज़ सिल्वर ऍण्ड ऍब्सल्यूट साइलेंस इज़ गोल्ड"।




श्री गीता जी में परमेश्वर श्रीकृष्ण ने मौन के महत्व को प्रतिपादित करते हुए स्वयं को मौनका ही पर्याय बताया है —




"ध्यान बिन्दुपनिषद्" के अनुसार ॐ मन्त्र की विशेषता यह है कि पवित्र या अपवित्र सभी स्थितियों में जो इसका जप करता है, उसे लक्ष्य की प्राप्ति अवश्य होती है। जिस तरह कमल-पत्र पर जल नहीं ठहरता है, ठीक उसी तरह जप-कर्ता पर कोई कलुष नहीं लगता।




अर्थातः- ॐ ही ब्रह्म है।

ॐ ही यह प्रत्यक्ष जगत् है।

ॐ ही इसकी (जगत की) अनुकृति है।

ॐ के विषय में और भी सुनाएँ।

ॐ से प्रारम्भ करके साम गायक सामगान करते हैं।

ॐ-ॐ कहते हुए ही शस्त्र रूप मन्त्र पढ़े जाते हैं।

ॐ से ही अध्वर्यु प्रतिगर मन्त्रों का उच्चारण करता है।

ॐ कहकर ही अग्निहोत्र प्रारम्भ किया जाता है।

अध्ययन के समय ब्राह्मण ॐ कहकर ही ब्रह्म को प्राप्त करने की बात करता है।

ॐ के द्वारा ही वह ब्रह्म को प्राप्त करता है।

समस्त तपों को जिसकी प्राप्ति के साधक कहते हैं

जिसकी इक्षा से (मुमुक्षुजन) ब्रह्मचर्य का पालन करते है,

उस पद को मैं तुमसे संक्षेप में कहता हूँ।




ॐ यही वह पद है।







अर्थातः- साधक ऋग्वेद द्वारा इस लोक को,

यजुर्वेद द्वारा आन्तरिक्ष को

और सामवेद द्वारा उस लोक को प्राप्त होता है

जिसे विद्वजन जानते हैं।

तथा उस ओंंकाररूप आलम्बन के द्वारा ही विद्वान् उस लोक को प्राप्त होता है जो शान्त, अजर, अमर, अभय एवं सबसे पर (श्रेष्ठ) है।

अर्थातः- प्रणव धनुषहै, (सोपाधिक) आत्मा बाण है और ब्रह्म उसका लक्ष्य कहा जाता है।




उसका सावधानी पूर्वक बेधन करना चाहिए और बाण के समान तन्मय हो जाना चाहिए







अर्थातः-ॐ यह अक्षर ही सब कुछ है।




यह जो कुछ भूत, भविष्यत् और वर्तमान है उसी की व्याख्या है;




इसलिये यह सब ओंकार ही है।




इसके सिवा जो अन्य त्रिकालातीत वस्तु है वह भी ओंकार ही है।




वह यह आत्मा ही अक्षर दृष्टि से ओंंकार है;




वह मात्राओं का विषय करके स्थित है।




पाद ही मात्रा है और मात्रा ही पाद है; वे मात्रा अकार, उकार और मकार हैं।




सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ॐ को महत्व प्राप्त है।




बौद्ध-दर्शन में "मणिपद्मेहुम" का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है।




इस मंत्र के अनुसार ॐ को "मणिपुर" चक्र में अवस्थित माना जाता है।




यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है।




जैन दर्शन में भी ॐ के महत्व को दर्शाया गया है।




महात्मा कबीर र्निगुण सन्त एवं कवि थे।




उन्होंने भी ॐ के महत्व को स्वीकारा और इस पर "साखियाँ" भी लि







ॐ असतो मा सद्ग्मय ।

तमसो मा ज्योतिर्गमय ।

मृत्योर्मा अमृतं गमय ।।

आविरा: वीर्म एधिं।

ॐ शांति: शांति: शांति: !




==========================








124 ,||--শিক্ষণীয় বিষয় =ऊँ= -|| 02/03/2017----------------------( N )






"ওঁ "শব্দ তিনটি অক্ষরে ( অ ,উ ,ম )মিলিত শব্দ। তবুও আমাদের ভাবতে বাধ্য করে যে


কি এমন শক্তি লুকিয়ের আছে এই "ওঁ " শব্দের মধ্যে। যা কিনা আমরা আমাদের ধর্মের


প্রতীক রূপে মান্য করি। অসংখ শব্দ ও চিহ্নের মধ্যে কেবল ওই "ওঁ "/ওম শব্দ কে কেন


এত মান্যতা। একটু দেখা যাক এই ওম উচ্চারনে কি পরিবর্তন হয়।


আমাদের সাধক গন এবং তপস্বী গন অনুভব করেছেন যে নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে


শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে মানুষ বাকসিদ্ধ হতে পারে। এবং নিয়মিত নিষ্ঠা সহকারে


শুদ্ধ ভাবে "ওঁ " এর উচ্চারণে শরীর মন শুদ্ধ হয়। সর্ব প্রকার রোগ জ্বালা দূর হয়। কারণ


ওম এমনি এক ধ্বনি যেস্থানে এই ধ্বনি নিয়মিত উচ্চারিত হয় সেই স্থানের পরিবেশ শুদ্ধ হয়।


কারণ এই ধ্বনি উচ্চারনে যে ভাইব্রেশনে/ তথা কম্পন সৃষ্টি হয় তার প্রভাবে ওই স্থানের উপরে প্রভাবিত অন্য সকল অশুভ ও নিগেটিভ ধ্বনি বা তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভাইব্রেশন তথা কম্পনের


কু প্রভাব নির্মূল হয়। কারণ "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন এত প্রচন্ড শক্তি শালী যে


তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। মনুষ্য শরীরে এই "ওঁ " ধ্বনির ভাইব্রেশন তথা কম্পন


শরীরকে ও মনকে শান্ত,নিয়ন্ত্রিত করে। সেই কারনে শুধু সনাতন ধর্ম ই নয় ভারতের অন্যান্য


বিভিন্ন ধর্ম ও দর্শনে ও এই "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।


বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে "ওঁ " এর প্রয়োগ জপ ও উপাসনাতে বিশেষ ভাবে মহত্ব লাভ করেছে।


জৈন ধর্ম ও দর্শনেও "ওঁ ' এর মাহাত্বের বর্ননা পাওয়াযায়।



শব্দই ব্রহ্ম। সকল শব্দের শ্ৰেষ্ঠ শব্দ "ওঁ " ।


সকল ধর্মের ই বিশেষ বিশেষ শব্দ আছে যা তাঁরা পবিত্র বলে মনে করেন এবং বিভিন্ন


ভাবে উচ্চারিত, ব্যবহৃত ও প্রয়োগ হয়।


আমাদেরএই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির কাল থেকেই "ওঁ " শব্দের সৃষ্টি। ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির প্রকৃতির


অমোঘ শক্তির লীলা খেলায় যে শব্দ বা ভাইব্রেশন তথা কম্পনের উৎপন্ন ও বিচ্ছুরিত


হয়েছিল তা ওই "ওঁ " শব্দ। শব্দই ব্রহ্ম , ব্রহ্ম ই ব্রহ্মান্ড।


সৃষ্টির শ্রেঠ সৃষ্টি হল মানবজীবন। তাইতো মানব শিশুর জন্ম ক্ষণ থেকেই ওই "ওঁ "


শব্দের চিৎকারে সকল প্রাণী কুল কে সকল মানুষকে জানিয়ে দেয় তার আগমনী সংবাদ।


এবং সেই জন্ম মুহূর্ত থেকে শুরু করে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ,যতদিন সে বেঁচে


থাকে এই পৃথিবীতে ,প্রকৃতির মাঝে , ততদিন নিরলস ভাবে সাচ্ছন্দে চলতে থাকে তাঁর


অন্তরে বাহিরে প্রতিটি শ্বাস প্ৰশ্বাসের সাথে ওই "ওঁ "শব্দ ই চলতে থেকে। এবং এই


একটি মাত্র শব্দ যা মানুষের নাভি মূল (মণিপুর )থেকে উৎপন্ন হয়ে শ্বাস প্রস্বাস এর


সাথে সাথে নিরলস ভাবে চলতে থাকে। এই "ওঁ "শব্দ ই ব্রহ্ম বা নাদ ধ্বনি। তপস্বী পুরুষ ,


ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গণ প্রতিনিয়ত এই ধ্বনি শ্রবণ করে থাকেন বা শ্রবনে সক্ষম।


আমরা সাধারণ মানুষ এই ধ্বনি অনুভব করতে পারিনা। কারণ এহেন জাগতিক প্রবল শক্তি


সম্পন্ন ধ্বনি শ্রবণ করবার বা উপলব্ধি করবার মত ক্ষমতা আমাদের সাধারণ মানুষের


ক্ষমতার বাহিরে।


তাই তপস্বী পুরুষ ,ধ্যানী পুরুষ ,যোগী পুরুষ গন ই কেবল সক্ষম হন এহেন ধ্বনির


আস্বাদন গ্রহণে।







।।-©➽-ANRC----02/03/2017-------------------||

||=========================||

|| शिक्षनीय बिषय " ऊँ "=||02/03/2017----------------------( N )

अक्षर "ऊँ" को पवित्र अक्षर माना जाता है।

हर धार्मिक अनुष्ठान की शुरुआत "ऊँ" के उच्चारण से किया जाता है।

"ऊँ "शब्द तीन अक्षरों अ, उ और म से मिलकर बना है। पर इसमें ऐसा क्या खास है कि इसे हिन्दुओं ने अपना पवित्र धार्मिक प्रतीक मान लिया है। असंख्य शब्दों और चिह्नों में से ऊँ और स्वास्तिक को ही क्यों चुना गया। ये सवाल महत्त है। जरा देखें ओम के उच्चारण से क्या घटित और परिवर्तित होता है।


ऊँ की ध्वनि मानव शरीर के लिए प्रतिकूल डेसीबल की सभी ध्वनियों को वातावरण से निष्प्रभावी बना देती है।विभिन्न ग्रहों से आनेवाली अत्यंत घातक अल्ट्रावायलेट किरणें ओम उच्चारित वातावरण में निष्प्रभावी हो जाती हैं।इसके उच्चारण से इंसान को वाक्य सिद्धि की प्राप्त होती है।चित्त एवं मन शांत एवं नियंत्रित हो जाते हैं।सनातन धर्म ही नहीं, भारत के अन्य धर्म-दर्शनों में भी ऊँ को महत्व प्राप्त है।
बौद्ध दर्शन में ऊँ का प्रयोग जप एवं उपासना के लिए प्रचुरता से होता है। इस मंत्र के अनुसार, ऊँ को मणिपुर चक्र में अवस्थितमाना जाता है। यह चक्र दस दल वाले कमल के समान है। जैन दर्शन में भी ऊँ के महत्व को दर्शाया गया है। कबीर निर्गुण संत एवं कवि थे। उन्होंने भी ऊँ के महत्व को स्वीकारा और इस पर साखियां भी लिखीं।

गुरुनानक ने ऊँ के महत्व को प्रतिपादित करते हुए लिखा- ओम सतनाम कर्ता पुरुष निर्भोनिर्बेरअकालमूर्त। ऊँ सत्य नाम जपने वाला पुरुष निर्भय, बैर-रहित एवं अकाल-पुरुष के सदृश हो जाता है।

इस तरह ऊँ के महत्व को सभी संप्रदाय के धर्म-गुरुओं, उपासकों, चिंतकों ने प्रतिपादित किया है, क्योंकि यह एकाक्षरी मंत्र साधना में सरल है और फल प्रदान करने में सर्वश्रेष्ठ।

यह ब्रह्मांड का नाद है एवं मनुष्य के अंतर में स्थित ईश्वर का प्रतीक। किसी भी मंत्र के पहले ऊँ जाेडने से वह शक्ति संपन्न हो जाता है। एक बार ऊँ का जाप हजार बार किसी मंत्र के जाप से अधिक महत्वपूर्ण माना जाता है।

||-©➽-ANRC--02/03/2017-------------------||


||===========================||


 279>प्रत्येक शिशु को शिशुकाल से अर्थात बचपनसेही बुद्धि का बीकाश होना जोरूरी।

इस बुद्धि का बीकाश के साथ उनका आत्म विश्वास का भी बरानेका शिक्षा देना जोरुरी।

इस दिशामे सबसे अछि मन्त्र  हैं
बृहदारण्यक उपनिषद् में---

आत्म विश्वास ओर बुद्धि का बीकाश के लिए बहुतई शुन्दर एबं अछि मन्त्र-----

ॐ असतो मा सदगमय ॥ 
तमसो मा ज्योतिर्गमय ॥ 
मृत्योर्मामृतम् गमय ॥
आविराविर्म एधि ।।
रुद्र यत्ते दक्षिणं मुखं 
तेन मां पाहि नित्यम्‌॥


हे प्रभु! (हमको) असत्य से सत्य की ओर ले चलो । अंधकार से प्रकाश की ओर ले चलो ।। मृत्यु से अमरता (अमृत )की ओर ले चलो ॥

मे आविः आविः एधि

हे प्रकाशरूप आत्मन् ! मेरी सन्मुख प्रकट हो !

हे रुद्र, असपके प्रसन्न मुख द्वरा मुझे सर्वदा रक्षा कीजिये।


O Lord! Lead me from 

darkness to light,

untruth to truth, 

and death to immortality.

(Let) my consciousness engrossed (grow) in Atma (Brahman)

-----------------------------------------------

7>কিছু কথা যেগুলো জীবন বদলে দিতে পারে :--

জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা -------

7/১>"ভগবানকে ভরোসে মত বৈঠো,

    কয়্যা পাতা ভগবান তুম্হারে  ভরোসে বৈঠা হো "
7/২>"Great Persons do not do different works.
    They work differently"
     "মহৎ ব্যক্তিরা আলাদা কাজ করেন না,
       একই কাজ আলাদাভাবে করেন। "
7/৩>তুমি জীবনে কি হলে সেটা বড় কথা নয়। 
     যা করছো তা যদি মন, প্রাণ দিয়ে , 
     নিষ্ঠার সঙ্গে করো তাতে তোমার তো ভালো হবেই। 
      সাথে সাথে অন্যেরও ( সবার ) ভালো হবে। 

========================






No comments:

Post a Comment